পুরোনো প্রকল্পের কর্মীরা নতুন প্রকল্পে কাজ করলেও বেতন পাচ্ছেন না Banglaprabah.com – নত ন প রকল প প র – নতুনভাবে অনুমোদিত প্রকল্পে কাজ চালানো হচ্ছে
পুরোনো প্রকল্পের কর্মীরা নতুন প্রকল্পে কাজ করলেও বেতন পাচ্ছেন না
Banglaprabah.com – নত ন প রকল প প র – নতুনভাবে অনুমোদিত প্রকল্পে কাজ চালানো হচ্ছে পুরোনো প্রকল্পের জনবল ব্যবহার করে। এই প্রকল্পে একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তাকে পরামর্শক হিসেবে মাসিক প্রায় তিন লাখ টাকা বেতনে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, পুরোনো প্রকল্পের কর্মীরা গত সাত মাস ধরে বেতন পাননি। মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের ‘নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিকার ও প্রতিরোধে সমন্বিত সেবা জোরদারকরণ ও কুইক রেসপন্স টিমের কার্যক্রম (কিউআরটি)’ নামের এই প্রকল্পে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
নতুন প্রকল্পে সাত মাস ধরে বিনা বেতনে কাজ করছেন শতাধিক কর্মী। তাঁরা ‘নারী নির্যাতন প্রতিরোধকল্পে মাল্টিসেক্টরাল প্রোগ্রাম’ শীর্ষক প্রকল্পে দুই যুগের বেশি সময় যুক্ত ছিলেন। নতুন প্রকল্পটিতে আগের কর্মীরা নিয়োগ নিয়ে যেমন রয়েছেন অনিশ্চয়তায়, আবার সাত মাস ধরে বেতন না পাওয়ায় রয়েছেন হতাশায়। অনিশ্চয়তা ও হতাশার মধ্যে থেকে গত রোববার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থাপিত ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের কর্মীরা কর্মবিরতি পালন করেন। নির্যাতনের শিকার নারী-মেয়েশিশুদের চিকিৎসা ও আইনি সেবা দেওয়ার জন্য এই প্রকল্পের আওতায় ক্রাইসিস সেন্টারটি স্থাপন করা হয়েছে।
প্রকল্পে কর্মরত কয়েকজন প্রথম আলোকে জানান, দুই বছর ধরেই বেতন অনিয়মিত। সাত মাস ধরে তাঁরা নতুন প্রকল্পে কাজ করলেও বেতনই পাচ্ছেন না। এটা গত ২৪ জুন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়কে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে।
বেতন না পাওয়ার কারণ ও সমাধানের পথ
নতুন প্রকল্পের জন্য অর্থছাট হয়েছে। এ প্রকল্পে নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত আগের প্রকল্পের আওতায় বেতন দেওয়া সম্ভব নয়। সে ক্ষেত্রে আগের প্রকল্পের বকেয়া বেতন পরিশোধ কীভাবে হবে, সেটা এখনই বলা যাচ্ছে না। রুবিনা গনি, উপপ্রকল্প পরিচালক (ডিপিপি)।
ভুক্তভোগী ব্যক্তিদের কয়েকজন নাম প্রকাশ না করে প্রথম আলোকে বলেন, পরিবার নিয়ে চরম অর্থকষ্টে দিন কাটছে তাঁদের। নতুন প্রকল্পে চাকরি স্থায়ীকরণ চাইলেও সরকার স্পষ্ট করে কিছু জানাচ্ছে না। তিনটি সরকারের (আওয়ামী লীগ সরকার, অন্তর্বর্তী সরকার ও বর্তমান বিএনপি সরকার) কেউই উদ্যোগ নেয়নি।
পুরোনো প্রকল্পের ইতিহাস ও বর্তমান পরিস্থিতি
নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ‘মাল্টিসেক্টরাল প্রোগ্রাম’ প্রকল্পের মেয়াদ শেষের পর একই আদলে নতুন প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছে। এটা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পুরোনো প্রকল্পটির কর্মকর্তা আর কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। কারণ, নতুন প্রকল্পে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে জনবল নেওয়া হবে বলে তাঁদের জানানো হয়েছে। এতে প্রকল্পের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা চাকরি হারানোর শঙ্কা ভুগছেন। তাই আগের প্রকল্পে কর্মরতদের নতুন প্রকল্পটিতে সরাসরি নিয়োগ দিতে মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করেছেন তাঁরা।
বাংলাদেশ সরকার ও ডেনমার্কের সরকারি সংস্থা ড্যানিশ ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এজেন্সির (ড্যানিডা) যৌথ উদ্যোগে ২০০০ সালের জুলাই থেকে পুরোনো প্রকল্পটি চলছিল। প্রকল্পের মোট জনবল ৩৮১ জন। তাঁদের মধ্যে সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত ২৬২ জন। এই প্রকল্পের চতুর্থ পর্ব ২০১৬ সালের ১ জুলাই শুরু হয়, শেষ হয় ২০২৪ সালের ৩০ জুন।
এর মাঝেই ২০২২ সালের জুনের পর ড্যানিডা প্রকল্পটি থেকে সরে যায়। তখন ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ সরকার। ‘এ’ গ্রেডের ফ্ল্যাগশিপ (অতীব গুরুত্বপূর্ণ) থেকে প্রকল্পটি ‘বি’ গ্রেডে নামিয়ে আনে সরকার। দফায় দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে প্রকল্পটি চালু রাখলেও গত জানুয়ারি থেকে বেতন বন্ধ রয়েছে।
প্রকল্পটির আওতাধীন কার্যক্রম ও সমস্যা
নারী ও শিশু সহায়তা প্রকল্প এখন নিজেই ‘ভুক্তভোগী’। প্রকল্পটির আওতায় ১৪টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার, জেলা সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৬৭টি ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেল, ন্যাশনাল ফরেনসিক ডিএনএ প্রোফাইলিং ল্যাবরেটরি, ৮টি বিভাগীয় ডিএনএ স্ক্রিনিং ল্যাবরেটরি, ন্যাশনাল ট্রমা কাউন্সেলিং সেন্টার, ৮টি আঞ্চলিক ট্রমা কাউন্সেলিং সেন্টার এবং নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে ন্যাশনাল হেল্পলাইন সেন্টার ‘১০৯’-এর কার্যক্রম রয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পুরোনো প্রকল্প থেকে যাঁরা নতুনটিতে এসেছেন, আগে তাঁদের নিয়োগ চূড়ান্ত হতে হবে, তবেই বেতন পাবেন। এ ছাড়া ১ জুলাই থেকে নতুন অর্থবছর শুরু হওয়ার ‘থোক বরাদ্দ’ থেকে বকেয়া বেতন পরিশোধ করাটাও জটিল। এ ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয় কী পদক্ষেপ নেবে, সেটা স্পষ্ট নয়। বেতন না পাওয়া ভুক্তভোগী ব্যক্তিদের কাজে ব্যাঘাত ঘটছে। পুরোনো জনবলের কয়েকজন জানান, তাঁদের একটি চিঠিতে কাজ চালিয়ে যেতে বলা হয়েছে, অথচ বেতনের খবর নেই।
গত ৫ মার্চ প্রকল্প পরিচালক ইফতেখার হোসেনের সই করা ওই চিঠিতে নতুন প্রকল্পে জনবল নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত আগের প্রকল্পে কর্মরতদের কার্যক্রম চালিয়ে যেতে অনুরোধ জানানো হয়। চিঠিতে বলা হয়, ‘নারী নির্যাতন প্রতিরোধকল্পে মাল্টিসেক্টরাল প্রোগ্রাম’ আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৪ সালের ৩০ জুন শেষ হলেও পরবর্তী সময়ে জনগুরুত্বপূর্ণ ও জরুরি সেবা বিবেচনায় ১৮ মাস বিশেষ ব্যবস্থা হিসেবে পরিচালিত হয়। আরও বিস্তৃত ও মানসম্মত সেবা দেওয়ার জন্য সরকার ‘নারী ও শিশু নির্যাতন
Related SEO Topics
- Home
- Artikel terkait নত ন প রকল প প র
- যুক্তরাজ্যে এই প্রথম সাবেক–বর্তমান প্রধানমন্ত্রী মিলিয়ে একসঙ্গে বেঁচে আছেন ১০ জন
- সার্জারির পর ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে চেনাই যাচ্ছে না, কী এই ‘চিন হারমোনাইজেশন’
- প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করলেন বস্ত্রকল মালিকেরা, চাইলেন ৫ নীতিসহায়তা
- প্রযুক্তিনির্ভর মাছ চাষ ছড়িয়ে দিতে ময়মনসিংহে ‘অ্যাকুয়াকালচার সেন্টার অব এক্সিলেন্স’ চালু
Frequently Asked Questions
Apa itu নত ন প রকল প প র?
নত ন প রকল প প র adalah topik utama yang dibahas di artikel ini dengan konteks praktis agar pembaca memahami informasinya dengan jelas.
Mengapa নত ন প রকল প প র penting?
নত ন প রকল প প র penting karena membantu pembaca membandingkan pilihan, menghindari kesalahan umum, dan mengambil keputusan yang lebih tepat.
Bagaimana cara memakai panduan নত ন প রকল প প র ini?
Gunakan poin utama, contoh, dan tautan terkait di halaman ini sebagai rujukan awal, lalu cek detail terbaru sebelum mengambil keputusan final.

