Uncategorized

সময়ের প্রয়োজনে সংবিধান সংশোধন হতে পারে: আনিসুল ইসলাম মাহমুদ

সময র প রয জন স ব - রাজধানীর গুলশানে নিজের রাজনৈতিক কার্যালয়ে জাতীয় পার্টির যৌথ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন

Desk Uncategorized
Published July 22, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Foto : Charles Hernandez - banglaprabah.com

সময়ের প্রয়োজনে সংবিধান সংশোধন হতে পারে: আনিসুল ইসলাম মাহমুদ

Banglaprabah.com – সময র প রয জন স ব – রাজধানীর গুলশানে নিজের রাজনৈতিক কার্যালয়ে জাতীয় পার্টির যৌথ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, দেশের সংবিধান একটি চলমান দলিল। সময়, রাষ্ট্র ও জনগণের প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই সংবিধান সংশোধনের নজির রয়েছে।

সময়ের প্রয়োজনে বিভিন্ন সময় দেশের সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে। জাতীয় পার্টির শাসনামলেও সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে। প্রয়োজন হলে বর্তমান সময়েও সংবিধানের সংশোধন হতে পারে। তবে তা হতে হবে দেশের স্বার্থ, গণতন্ত্রের বিকাশ ও জনগণের প্রত্যাশার আলোকে।

সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনে করেন, বাংলাদেশের জন্য প্রাদেশিক সরকারব্যবস্থা প্রয়োজন। একই সঙ্গে বিচারব্যবস্থার বিকেন্দ্রীকরণও জরুরি। এ ছাড়া রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্যের বিষয়েও গুরুত্বসহকারে ভাবার সময় এসেছে।

নির্বাচনব্যবস্থার উন্নয়ন

জাতীয় পার্টির এই নেতা বলেন, দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা নিশ্চিত করতে নির্বাচনব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা আরও সুদৃঢ় করতে হবে। বিশেষ করে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন যেন অংশগ্রহণমূলক, অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়, সে জন্য সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

নির্বাচন কমিশন স্থানীয় সরকার নির্বাচনসংক্রান্ত আইন সংশোধনের যে সুপারিশ করেছে, তাকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, এসব সুপারিশে নির্বাচনকে আরও অংশগ্রহণমূলক করার আন্তরিকতার প্রতিফলন রয়েছে।

অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনই গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে এবং জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করে। এ ক্ষেত্রে নির্বাচনসংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল ভূমিকা অপরিহার্য।

রুহুল আমিন হাওলাদারের বক্তব্য

সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় পার্টির (একাংশের) মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি হলো সুশাসন, আইনের শাসন ও জনগণের অধিকার নিশ্চিত করা। দেশের বর্তমান বাস্তবতায় গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী করতে হবে।

মতের ভিন্নতা থাকলেও রাজনৈতিক সহনশীলতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সংলাপের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই। রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, সরকারকে এমন পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে, যেখানে প্রত্যেক নাগরিক সমান আইনি সুরক্ষা ও ন্যায়বিচার পাবেন।

হামে ৮০০ শিশু মৃত্যুর বিষয়ে দাবি

হামে ৮০০ শিশু মারা যাওয়ার তথ্যের উল্লেখ করে এ মৃত্যুর ঘটনায় এখনো দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো আইনি ব্যবস্থা না নেওয়ায় গভীর উদ্বেগ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেন রুহুল আমিন হাওলাদার। সভ্য ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে এমন ঘটনার নিরপেক্ষ, দ্রুত ও স্বচ্ছ তদন্ত হওয়া জরুরি উল্লেখ করে তিনি প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।

তিনি বলেন, বিচারহীনতার সংস্কৃতি অব্যাহত থাকলে জনগণের ন্যায়বিচারের প্রতি আস্থা ক্ষুণ্ন হবে।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির এই অংশের সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান কাজী ফিরোজ রশিদ, নির্বাহী চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চুন্নু, কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন ও মোস্তাক আল মাহমুদ, চেয়ারম্যানের বিশেষ সহকারী নাসরিন জাহান, আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত মাসরুর মাওলা, প্রেসিডিয়াম সদস্য সরদার শাহজাহান, মো. বেলাল হোসেন, জাহাঙ্গীর হোসেন, আমানত হোসেন ও জাহাঙ্গীর আলম পাঠান, ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা খান, যুগ্ম মহাসচিব এস এম আল জুবায়ের, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা প্রমুখ।

Leave a Comment