Uncategorized

ব্রাজিলকে কাঁদানো ইতালির সেই ‘সোনার ছেলে’র পাপমোচন

বিশ্বকাপের সামান্য পয়েন্ট নিয়ে পুরো পৃথিবী তোলে রসি ব র জ লক ক দ ন - ১৯৩০ সালে মন্টেভিডিওয়া ধূসর বিকেলে বিশ্বকাপের মহাযাত্রা শুরু হয়েছিল। সেই মহাযাত্রার

Desk Uncategorized
Published May 23, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

বিশ্বকাপের সামান্য পয়েন্ট নিয়ে পুরো পৃথিবী তোলে রসি

ব র জ লক ক দ ন – ১৯৩০ সালে মন্টেভিডিওয়া ধূসর বিকেলে বিশ্বকাপের মহাযাত্রা শুরু হয়েছিল। সেই মহাযাত্রার সংস্করণ আজ শতবর্ষ পর পুনরায় উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে। সেই রোমাঞ্চকর ঘটনার মিল একটি ফুটবলের ঐতিহাসিক গল্প গঠন করেছে—যেখানে কোথাও ছন্দের ছন্দ ছিল পেলে-গারিঞ্চার, কোথাও ম্যারাডোনার অসাধারণ সাহসের ছাপ, কোথাও জিদান বা মেসির অকল্পনীয় সাহস দেখা গেল।

মাঠে স্তম্ভিত করেছিল বিশ্বাসের নিষ্ঠা

১৯৮২ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালের স্কোরবোর্ডটার দিকে যদি তাকান, আপনি কেবল একটা ফুটবল ম্যাচের ফলই জানবেন। ইতালি ৩, পশ্চিম জার্মানি ১। কিন্তু সংখ্যার আড়ালে যে গল্পটি লুকিয়ে ছিল, তার খোঁজ স্কোরবোর্ড দেবে না। সেই গল্পের নায়ক ছিলেন পাওলো রসি।

হঠাৎ করেই পুরো মহাবিশ্ব, যেখানে এত দিন আমাকে প্রায় অর্ধ-দেবতার আসনে বসিয়ে রাখা হয়েছিল, আমার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করল। একটা ভুল এবং কাপুরুষোচিত রায়ের মাধ্যমে আমার পিঠে ছুরি মারা হলো।

১৯৮০ সালের দিকে রোম শহরে একটি কৌতুক খুব জনপ্রিয় হয়েছিল। চায়ের কাপে আড্ডা থেকে শুরু করে সেলুনের গুঞ্জনে মানুষ বলতেন, ‘এবারের সিরি ‘আ’ জেতার সবচেয়ে বড় দাবিদার হলো রেজিনা কোয়েলি!’ ফুটবলপ্রেমী অথচ এই ক্লাবের নাম শোনেননি কেবল কয়েকজন। চট করে গুগলে খোঁজার দরকার নেই, রেজিনা কোয়েলি কোনো ফুটবল ক্লাব নয়—এটি রোমের সবচেয়ে পরিচিত কারাগারের নাম।

তোতোনেরো নামের কুখ্যাত ম্যাচ ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে জড়িত ছিলেন দুই ব্যবসায়ী—একজন রেস্তোরাঁ মালিক আলভারো ত্রিনকা এবং একজন দোকানদার মাসিমো ক্রুচিয়ানি। তারা একটি অবৈধ সিন্ডিকেটের সঙ্গে মিলে বড় বড় ম্যাচগুলোতে বাজি ধরতেন এবং ফল নিজেদের পক্ষে আনতে ফুটবলারদের টাকা খাওয়াতেন। কিন্তু জুয়াড়িদের হিসাব আর সব সময় মেলে না। একটি ম্যাচে ফুটবলাররা টাকা নিয়েও চুক্তি অনুযায়ী খেললেন না, যেন বিশ্বাসঘাতকতা করলেন। ব্যস, তারা অন্ধকার সিন্ডিকেটের কাছে রাতারাতি ১.৫ বিলিয়ন (দেড় শ কোটি) লিরার বিশাল দেনায় ডুবে গেল। সিন্ডিকেটের গুন্ডাদের হাত থেকে বাঁচতে তারা বুদ্ধি খাটাল। সোজা গিয়ে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করল এবং ড্রেসিংরুমের যেসব খুশিমুখে খেলুক ফুটবলার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছিল, তাদের নামও ফাঁস করে দিল।

রসির বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল মারাত্মক। পেরুজিয়াতে ধারে খেলার সময় আভেলিনোর বিপক্ষে একটি ম্যাচে ২-২ গোলে ড্র করার জন্য ক্রুচিয়ানি ও ত্রিনকার কাছ থেকে তিনি নাকি ২০ লাখ লিরা (তৎকালীন সময়ে প্রায় ১,০�

Leave a Comment