কিছু ব্যাংকমালিকের বিলাসী জীবনযাত্রা নিয়ে অর্থমন্ত্রীর ক্ষোভ
ক ছ ব য কম ল ক – অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বাংলাদেশের বেসরকারি খাতে দুর্নীতি ও অনিয়মের বিষয়ে কথা বলার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বেসরকারি খাতের মালিকদের দায়িত্ব আছে। তাদের নিয়মিত ভাবে সমস্যাগুলো প্রকাশ করতে হবে। সরকারের সাথে তাদের নিরাপদ দূরত্বে বসে থাকা চলবে না। অনুষ্ঠানে বিশেষ আলোচনায় খেলাপি ঋণে জর্জরিত একটি ব্যাংকের ক্ষেত্রে বিশদ আলোচনা হয়।
তিনি বলেন, ‘কোন কোন জায়গায় সমস্যা হয়েছিল, কেন হয়েছিল, সেগুলো আপনাদের বলতে হবে।’ এ পর্যায়ে ব্যাংকমালিকদের বিলাসী জীবনযাপন নিয়ে তাঁর ক্ষোভ প্রকাশ পায়। তিনি উল্লেখ করেন, একটি ব্যাংকের মালিক তাঁর কাছে দাবি করেছিলেন যে তাদের খেলাপি ঋণের হার নিশ্চয়তা হতে পারে না একটি ব্যাংক চলবে। তিনি বলেন, ‘২ হাজার কোটি টাকা ছাড়া ওনাদের ব্যাংক চলবে না। তাদের নাকি এনপিএল বা খেলাপি ঋণের হার ৯৬ শতাংশে ছিল। এখন তার হার কমিয়ে ৫৬ শতাংশ পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে।’
আই সাইফুর রহমান নেতৃত্বাধীন স্মৃতি পরিষদ ব্যবহার করে নীতি সংলাপ আয়োজন করেন। অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক অর্থায়ন সংস্থাগুলোকে ব্যাংকিং খাতকে আন্তর্জাতিক বাজারে উন্মুক্ত করার ঘোষণা দেওয়া হয়। অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী দুই মাসের মধ্যে পুঁজিবাজারে বড় পরিবর্তন দেখা যাবে। সেখানে রাজনৈতিক মানুষ নিয়োগ দেওয়া হবে না, পেশাদার ব্যক্তিদের দায়িত্ব প্রদান করা হবে।
বাংলাদেশের অর্থনীতির গণতান্ত্রিকীকরণ সম্পর্কে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, সরকার আগামী বাজেটে গ্রামীণ অর্থনীতিকে উন্নয়নের জন্য বিশেষ উপায় নেওয়া হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে দেশের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যগুলো সম্পর্কে কৌশলগত মজুত গড়ে তোলা হবে। তার উদ্দেশ্য হচ্ছে হঠাৎ কোনো কারণে সাপ্লাই শক হলে বাজার ধাক্কা পায় না সেটি নিশ্চিত করা।
খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, ‘বিপুল জনসংখ্যার দেশ হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশে কোনো স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ নেই। এটি সম্ভবত পৃথিবীর বুকে একটি বিরল ঘটনা।’ তিনি উল্লেখ করেন যে গত কয়েক দিনে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক জটিলতার কারণে অনেক বাড়তি দামে এলএনজি, ডিজেল ও সার কিনতে হয়েছিল। এই দাম স্থিতিশীলতা না থাকার ফলে তিনি সম্প্রতি বাজারব্যবস্থার ধাক্কা সামলানোর ক্ষমতা অত্যন্ত দুর্বল হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, দেশে
