মেসির বাবার স্বাস্থ্যের খবর জানাল পরিবার
ম স র ব ব র স – ম্যাচ চলাকালীন সময় ছিল ১৭ মিনিট। লিওনেল মেসি প্রায় ২৫ গজ দূরে একটি বল ছুঁড়ে দিলেন, যে শট কয়েক মুহূর্তে জালে আটকে গেল। এটি ছিল বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা ও মেসির প্রথম গোল।
স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সত্য খুব কম সময়ে বাইরে বেরিয়ে আসলে পরিবার প্রমাণ দেয়া হয়। যখন আর্জেন্টাইন সমর্থকরা উল্লাসে মেতে উঠেছেন, তখনই টেলিভিশনের ক্যামেরা মেসির চোখে জল দেখতে পেল। সবার তখন একটাই প্রশ্ন উঠেছিল— বিশ্বকাপ জিতে আগেই স্বপ্নপূরণ করা মেসি কেন কাঁদছেন?
গত কয়েক ঘণ্টায় যে ধরনের দাবি, গুজব ও অনুমানভিত্তিক খবর ছড়ানো হয়েছে, তাতে আমরা গভীরভাবে হতাশ। এটি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও পারিবারিক বিষয় হওয়া সত্ত্বেও কিছু মানুষ যে সংবেদনশীলতা, সম্মানবোধ ও ন্যূনতম বিবেচনার অভাব দেখিয়েছেন, তাতে আমরা অত্যন্ত অসন্তুষ্ট।
মেসি পরিবারের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘হোর্হে মেসির শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্য কেবল তাঁর নিকটতম পরিবারের সদস্যদের কাছেই রয়েছে। তাই পরিবার বা তাদের আনুষ্ঠানিক মাধ্যম থেকে প্রকাশিত নয়—এমন কোনো বক্তব্য, তথ্য বা দাবি সত্য বলে গণ্য করা উচিত নয়। পরিস্থিতি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কোনো নতুন তথ্য থাকলে পরিবার যথাসময়ে উপযুক্ত মাধ্যমের মাধ্যমে তা জানিয়ে দেবে।’
গোলের পর কেন কেঁদেছেন মেসি, সে বিষয়ে তারা আরও বলেন, ‘আমরা পরিষ্কার করে জানাতে চাই যে হোর্হে মেসি বর্তমানে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন। তাঁর সুস্থ হয়ে ওঠার প্রক্রিয়ায় রয়েছেন এবং তাঁর বর্তমান শারীরিক অবস্থার ইতিবাচক উন্নতি হচ্ছে।’
মেসির জয়ের পর তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে আমার কাছে ফুটবলের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই। ব্যক্তিগত কারণে গত কয়েকটা দিন আমার বেশ কঠিন কেটেছে। আমি দলের সবার প্রতি কৃতজ্ঞ। বরাবরের মতোই তারা সব সময় আমার পাশে ছিল। এই পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার জন্য তারা আমাকে প্রচুর শক্তি জুগিয়েছে, ব্যস এটুকুই।’
আলজেরিয়ার বিপক্ষে মেসির হ্যাটট্রিকে ৩–০ গোলে জেতে আর্জেন্টিনা। মেসির পরিবার এই সংবেদনশীলতা ও উদ্বেগ প্রকাশ করে পাশে ছিলেন সবাইকে দায়িত্বশীলতা, সংযম এবং মানবিকতা প্রদর্শনের আহ্বান জানান।
মেসির আর্জেন্টিনা পরের ম্যাচ খেলবে ২২ জুন রাত ১১টায় অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে।
