Uncategorized

যুক্তরাজ্যে এই প্রথম সাবেক–বর্তমান প্রধানমন্ত্রী মিলিয়ে একসঙ্গে বেঁচে আছেন ১০ জন

য ক তর জ য এই প - ব্রিটিশ রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে। অ্যান্ডি বার্নহ্যামের প্রধানমন্ত্রী পদে আরোহণের পর যুক্তরাজ্যে মোট দশজন জীবিত সাবেক

Desk Uncategorized
Published July 22, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Foto : Michael Martin - banglaprabah.com
Table of Contents
  1. যুক্তরাজ্যে সর্বপ্রথম ১০ জন সাবেক ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী একসাথে
  2. Related SEO Topics
  3. Frequently Asked Questions

যুক্তরাজ্যে সর্বপ্রথম ১০ জন সাবেক ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী একসাথে Banglaprabah.com – য ক তর জ য এই প – ব্রিটিশ রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায় শুরু

যুক্তরাজ্যে সর্বপ্রথম ১০ জন সাবেক ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী একসাথে

Banglaprabah.com – য ক তর জ য এই প – ব্রিটিশ রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে। অ্যান্ডি বার্নহ্যামের প্রধানমন্ত্রী পদে আরোহণের পর যুক্তরাজ্যে মোট দশজন জীবিত সাবেক ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী রয়েছেন। কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগের পর এই রেকর্ড গড়ে উঠেছে। আধুনিক ব্রিটিশ ইতিহাসে একই সময়ে এতজন সাবেক ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর জীবিত থাকার কোনো নজির আগে ছিল না।

দশজন প্রধানমন্ত্রীর তালিকা

এই ঐতিহাসিক তালিকায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামের পাশাপাশি নয়জন সাবেক প্রধানমন্ত্রী অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। তারা হলেন: কিয়ার স্টারমার, ঋষি সুনাক, লিজ ট্রাস, বরিস জনসন, থেরেসা মে, ডেভিড ক্যামেরন, গর্ডন ব্রাউন, টনি ব্লেয়ার ও জন মেজর। ২০ জুলাই রাজা তৃতীয় চার্লসের আমন্ত্রণে বার্নহ্যাম সরকার গঠন করেন এবং কিয়ার স্টারমারের স্থলাভিষিক্ত হন।

২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনের পর ঋষি সুনাক ক্ষমতা হারালে যুক্তরাজ্যে প্রথমবারের মতো জীবিত সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সংখ্যা আটে পৌঁছায়। এবার কিয়ার স্টারমার সাবেক প্রধানমন্ত্রীদের তালিকায় যুক্ত হওয়ায় সেই সংখ্যা নয় হয়েছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে যোগ করলে এই সংখ্যা দাঁড়ায় দশে।

বয়স ও কর্মকাল অনুযায়ী অবস্থান

জীবিত সাবেক প্রধানমন্ত্রীদের মধ্যে সবচেয়ে প্রবীণ জন মেজর। ৮৩ বছর বয়সী কনজারভেটিভ পার্টির এই নেতা ১৯৯০ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত ব্রিটিশ সরকারের নেতৃত্ব দেন। এরপর রয়েছেন গর্ডন ব্রাউন, যার বয়স ৭৫ বছর। তিনি ২০০৭ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

টনি ব্লেয়ারের বয়স ৭৩ বছর; তিনি ১৯৯৭ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত টানা এক দশক লেবার পার্টি সরকারের নেতৃত্ব দেন। থেরেসা মের বয়স ৬৯ বছর এবং তিনি ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। বরিস জনসনের বয়স ৬২ বছর; তাঁর প্রধানমন্ত্রিত্বকাল ছিল ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল।

সদ্য বিদায়ী কিয়ার স্টারমারের বয়স ৬৩ বছর; তিনি ২০২৪ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। ডেভিড ক্যামেরনের বয়স ৫৯ বছর এবং তিনি ২০১০ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। লিজ ট্রাসের বয়স ৫০ বছর; ২০২২ সালে মাত্র ৪৫ দিন দায়িত্ব পালনের পর তিনি পদত্যাগ করেন। ঋষি সুনাকের বয়স ৪৬ বছর এবং তিনি ২০২২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। আর সদ্য দায়িত্ব নেওয়া অ্যান্ডি বার্নহ্যামের বয়স ৫৬ বছর।

ব্রেক্সিট-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবর্তন

একই সময়ে এতজন জীবিত সাবেক ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী থাকা কেবল একটি পরিসংখ্যানগত রেকর্ড নয়। এটি ব্রেক্সিট-পরবর্তী ব্রিটিশ রাজনীতিতে ঘন ঘন নেতৃত্ব পরিবর্তনেরও এক বড় প্রতিচ্ছবি। ২০১৬ সালে ব্রেক্সিট গণভোটের পর ডেভিড ক্যামেরন, থেরেসা মে, বরিস জনসন, লিজ ট্রাস, ঋষি সুনাক, কিয়ার স্টারমার ও অ্যান্ডি বার্নহ্যামসহ এক দশকের মধ্যে সাতজন প্রধানমন্ত্রী ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে প্রবেশ করেছেন।

ঘন ঘন নেতৃত্ব পরিবর্তনের কারণে দীর্ঘমেয়াদি নীতির ধারাবাহিকতা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা (এনএইচএস), অভিবাসন, আবাসন ও জাতীয় নিরাপত্তার মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে সরকারের সক্ষমতা নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠেছে। ফলে অ্যান্ডি বার্নহ্যামের নতুন সরকার দেশটিতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে কতটা সফল হয়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে সবার।

সাবেক প্রধানমন্ত্রীদের সুবিধা ও সহায়তা

যুক্তরাজ্যে দায়িত্ব ছাড়ার পর সাবেক প্রধানমন্ত্রীদের জন্য আলাদা কোনো সাংবিধানিক পদ বা আজীবন সরকারি বেতনের ব্যবস্থা নেই। তবে জনজীবনে তাদের বিশেষ অবস্থানের কারণে রাষ্ট্র কিছু সরকারি সহায়তা ও মর্যাদা দিয়ে থাকে। সাবেক প্রধানমন্ত্রীদের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সুবিধা হলো ‘পাবলিক ডিউটি কস্টস অ্যালাউন্স’ (পিডিসিএ)। ১৯৯১ সালে মার্গারেট থ্যাচারের পদত্যাগের পর এই ভাতা চালু করা হয়।

এর আওতায় জনজীবনে সক্রিয় একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী তাঁর কার্যালয় পরিচালনা, কর্মচারীদের বেতন, প্রশাসনিক সহায়তা, চিঠিপত্র ব্যবস্থাপনা এবং সরকারি দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট সফরের ব্যয়ে বাবদ বছরে সর্বোচ্চ ১ লাখ ১৫ হাজার পাউন্ড পর্যন্ত দাবি করতে পারেন। তবে এই অর্থ কোনো বার্ষিক বেতন বা ব্যক্তিগত ভাতা নয়। প্রথমে নিজের তহবিল থেকে প্রকৃত ব্যয় করতে হয় এবং পরে প্রয়োজনীয় রসিদ ও প্রমাণের ভিত্তিতে সরকার এই অর্থ ফেরত দেয়।

এর বাইরে কার্যালয়ের কর্মীদের পেনশন ব্যয়ের জন্য মূল ভাতার সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত সহায়তা দাবি করা যায়। তবে এটি সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত পেনশন নয়। প্রধানমন্ত্রীসহ কোনো মন্ত্রী দায়িত্ব ছাড়লে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে তাঁর বার্ষিক বেতনের এক-চতুর্থাংশের সমপরিমাণ এককালীন অর্থ (রিডান্ডেন্সি পেমেন্ট) পাওয়ার বিধান রয়েছে। সাধারণত ৬৫ বছরের কম বয়সী এবং তিন সপ্তাহের মধ্যে আবার মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ না পাওয়া ব্যক্তিরা এই অর্থের জন্য যোগ্য হন। তবে ছয় মাসের কম দায়িত্ব পালন অথবা মন্ত্রী আচরণবিধির গুরুতর লঙ্ঘনের কারণে পদত্যাগ করলে নীতিগত জাগা থেকে এই অর্থ না নেওয়ার রীতি রয়েছে।

নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও অন্যান্য সুবিধা

সাবেক প্রধানমন্ত্রীদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা মূলত ঝুঁকির ধরন মূল্যায়নের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়। সবাই একই মাত্রার বা আজীবন নিরাপত্তা পাবেন—এমন কোনো ধরাবাঁধা নিয়ম নেই। কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে হুমকির ধরন, তাঁর সামাজিক কর্মকাণ্ড ও যাতায়াতের বিষয়গুলো বিবেচনা করে পুলিশ ও নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়।

Frequently Asked Questions

Apa itu য ক তর জ য এই প?

য ক তর জ য এই প adalah topik utama yang dibahas di artikel ini dengan konteks praktis agar pembaca memahami informasinya dengan jelas.

Mengapa য ক তর জ য এই প penting?

য ক তর জ য এই প penting karena membantu pembaca membandingkan pilihan, menghindari kesalahan umum, dan mengambil keputusan yang lebih tepat.

Bagaimana cara memakai panduan য ক তর জ য এই প ini?

Gunakan poin utama, contoh, dan tautan terkait di halaman ini sebagai rujukan awal, lalu cek detail terbaru sebelum mengambil keputusan final.

Leave a Comment