২০২৬ বিশ্বকাপের মুহূর্তে ডুবে যেতে রাজি নয়
Banglaprabah.com – ড বত ড বত প নর জন – মানুষের জন্মদিন সাধারণত বছরে একবার উদ্যাপন করা হয়। কিন্তু কিছু বিশেষ অবদানের জন্য এমন একটি মুহূর্তও হতে পারে যা পুনর্জন্মের মতো বিশেষ। ফেরান তোরেসের জন্ম ২৯ ফেব্রুয়ারি—এটি একটি ক্যালেন্ডারের দুই সপ্তাহ পর আসে। তিনি জন্মদিন উদ্যাপনের স্থলে ধৈর্যের একটি প্রতীক হিসেবে এটিকে চিহ্নিত করেছেন।
তবে এখন তোরেস চার বছর অপেক্ষা করতে হবে না। প্রতিবছরই তাঁর জন্মদিন উদ্যাপনের মতো একটি মুহূর্ত তাঁর কাছে নতুন হয়ে উঠেছে। দিনটি যে তিনি যে গোল করেন স্পেনকে এনেছিলেন, এটি তাঁর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংগ্রামের চিহ্ন। বিশ্বকাপ ফাইনালে প্রতিপক্ষের বক্সে সাতবার বল স্পর্শ করেছেন তিনি মাত্র ৫৮ মিনিট খেলার পর। একটি বাতিল হয়েছিল অফসাইডে, কিন্তু সেই মুহূর্তে অতিরিক্ত সময়ের খেলাতে স্পেনকে জয়ের স্বাক্ষর করেছেন তোরেস।
“এটা অনেক বড় স্বস্তি। পুরো বিশ্বকাপে আমাকে অনেক সমালোচনা সহ্য করতে হয়েছে। কিন্তু ভাগ্যের নিজস্ব একটি চিত্রনাট্য থাকে। ঈশ্বর আমাকে লড়ে যাওয়ার শক্তি দিয়েছেন। তিনি প্রাপ্য মানুষকেই প্রাপ্য জিনিস দেন।”
তোরেসের শরীরে তাঁর সাহসের প্রতিফলন রয়েছে। গোড়ালিতে ট্যাটু রয়েছে “আই রিফিউজড টু সিঙ্ক” লেখা, অর্থাৎ “আমি ডুবে যেতে চাই না।” পিঠে ফিনিক্স পাখির ডানার চিহ্ন আছে, এর সাথে লেখা—চেষ্টা করো, ব্যর্থ হও, আবার উঠে দাঁড়াও। কথাগুলো যেন তাঁর জীবন ও ক্যারিয়ারের বিশেষ সারসংক্ষেপ।
২০২২ সালে ম্যানচেস্টার সিটি থেকে বার্সেলোনায় আসার পর তোরেসের ক্লাবের জার্সিতে বেশি সমালোচনা পড়েছিল। প্রথম আড়াই বছরে ১১৩ ম্যাচ খেলেছিলেন তিনি কিন্তু গোল করেছেন মাত্র ২৫টি। প্রতিপক্ষের সামনে মাঠে নিয়মিত থাকতে হয়েছিল তাঁর ক্লাবে। কিন্তু জাতীয় দলে সেই বিপর্যয় প্রমাণ করার জন্য তোরেস এখন বিশ্বকাপে তাঁর গল্প নতুন করে শুরু হয়েছে।
ফিফার তদন্ত করেছে হারের পর মুখ খুললেন মেসি। কিন্তু ১৯ জুলাইয়ের সবচেয়ে সুন্দর দৃ

