সন্তানের মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ হয় না, বিচার চাই
Banglaprabah.com – সন ত ন র ম ত য – গত বছরের জুলাই মাসে রাজধানী ঢাকার উত্তরার দিয়াবাড়িতে অবস্থিত মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ধ্বংস হয়ে গেলে সন্তানের মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ হয় না, বিচার চাই এই উল্লেখযোগ্য সাংবাদিকতার সূত্রে জানা গেল। ঘটনাটি বর্তমানে সাত মাস পূর্ণ হয়েছে এবং মানুষের আত্মীয় ও পরিচিতিমূলক শিক্ষার্থীদের প্রাণ হারানোর পর এখনও ঘটনার সাথে সম্পর্কিত মানুষ বিচার দাবি জানাচ্ছেন। সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় একজন অভিভাবক বলেন, “সন্তানের মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ হয় না, আমরা ক্ষতিপূরণের প্রক্রিয়া সম্পর্কে অসন্তুষ্ট আছি। বিচার চাই এবং সেটি ছাড়া আমরা আর কোনো সন্তুষ্টি পাচ্ছি না।”
ঘটনার পটভূমি ও দুর্ঘটনা
মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ঘটনাটি ঘটেছিল গত বছরের ২১ জুলাই রাতে। দুর্ঘটনার সময় একটি বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান কলেজটির উপর পড়ে দুর্ঘটনার পরিণতি হয়। অভিভাবকদের ও শিক্ষার্থীদের সাথে সম্পর্ক ছিল যেখানে মোট শিক্ষার্থীদের সংখ্যা ছিল সাত সাত জন। আয়া ও অভিভাবকদের মধ্যে মোট ৩৫ জন মানুষের প্রাণ হারানো হয়েছিল। বিমানবাহিনীর পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মো. তৌকির ইসলাম প্রাণ হারিয়েছিলেন। ঘটনার সাথে সম্পর্কিত মানুষ বিচার দাবি জানাচ্ছেন কারণ তারা মনে করেন যে সন্তানের মৃত্যু সঠিকভাবে ক্ষতিপূরণ পেয়েছে না।
এই ঘটনার পরে রাজধানীর এলাকায় বিশেষ করে দিয়াবাড়ি এলাকার মানুষ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাণপুর্ণ বিচার দাবি জানাচ্ছেন। তাদের মতে ঘটনাটির সাথে বিচার ছাড়া সন্তানের মৃত্যু সম্পূর্ণ সমাপ্ত হয়নি। বিচার দাবি এখনও স্থানীয় বাসিন্দাদের ব্যাপক আন্দোলনের মাধ্যমে উত্তর প্রাপ্তির জন্য চলছে। প্রতিটি বাসিন্দা বিচারের মাধ্যমে সন্তানের মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ পাওয়ার দাবি জানাচ্ছেন। তাদের আর্তনাদ শিক্ষার্থীদের প্রাণ হারানোর পর পর পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে প্রস্তাব পেশ করার জন্য এগিয়ে আসছে।
বিচারের আহ্বান এবং সামাজিক প্রতিক্রিয়া
বিমানবিমান ঘটনার পর সাংবাদিকতা বাড়তে থাকে এবং আঘাত হারানো শিক্ষার্থীদের পরিবার বিচারের আহ্বান জানিয়ে আসছেন। বিমানের পাইলট তৌকির ইসলাম মৃত্যুবরণ করেন এবং এই ঘটনায় সন্তানের মৃত্যু একটি গুরুতর ক্ষতিপূরণের পরিপ্রেক্ষিতে উল্লেখযোগ্য বিচারের দাবি জানাচ্ছেন। বিচার এখনও স্থানীয় আদালতে প্রস্তাব পেশ করার জন্য সংগ্রাম চলছে। বিচার ছাড়া সন্তানের মৃত্যু সামাজিক আন্দোলনের জন্ম দিয়েছিল। ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে সাংবাদিকদের আর্তনাদ হচ্ছে।
“সন্তানের মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ হয় না, আমরা ক্ষতিপূরণের প্রক্রিয়া সম্পর্কে অসন্ত�

