Uncategorized

মালদ্বীপকে আরও গোল দিতে না পারায় বাটলারের অসন্তোষ এবং চরম এক হুঁশিয়ারি

বাংলাদেশ মালদ্বীপের বিপক্ষে ক্ষুদ্র গোল বিজয়ে স্কোরলাইনে অসন্তুষ্টি ম লদ ব পক আরও গ ল - সাফ নারী ফুটবলের হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ

Desk Uncategorized
Published May 29, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

বাংলাদেশ মালদ্বীপের বিপক্ষে ক্ষুদ্র গোল বিজয়ে স্কোরলাইনে অসন্তুষ্টি

ম লদ ব পক আরও গ ল – সাফ নারী ফুটবলের হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ মালদ্বীপকে আরও গোল দিতে না পারার কারণে স্কোরলাইনে কিছু অসন্তুষ্টি দেখা দেয়। গোয়ার জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ যদিও দুটি গোল খাওয়া মালদ্বীপের বিপক্ষে এই জয়টি যতটা সহজ হবে ভাবা হয়েছিল, মাঠের চিত্র ছিল ভিন্ন।

কোচ বাটলারের মিশ্র প্রতিক্রিয়া

ম্যাচ-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের ব্রিটিশ কোচ পিটার বাটলার তাঁর মিশ্র মতামত ব্যক্ত করেন। জয় নিয়ে সন্তুষ্ট হলেও সুযোগ নষ্টের মহড়ায় তিনি স্পষ্টতই হতাশ। বাংলাদেশ আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও ফিনিশিংয়ের অভাবে স্কোরলাইন বড় হয়নি।

বাটলার মনে করেন, ম্যাচটি অনায়াসেই ১০-২, ১২-২ বা ১৪-২ ব্যবধানের হতে পারত। প্রতিপক্ষ পুরো ম্যাচে মাত্র দুটি আক্রমণ করেছিল এবং আমাদের মনোযোগের অভাবেই তারা দুটি গোল পেয়ে যায়। এটি অনেকটা ইংলিশ এফএ কাপের ম্যাচের মতো ছিল, যেখানে যেকোনো উপায়ে জয় নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য থাকে।

মালদ্বীপের বিপক্ষে ঘামঝরানো জয় হলেও কোচ বাটলার আরও যোগ করেন, ‘মালদ্বীপের গোলরক্ষক অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন। পাশাপাশি প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়েরা বারবার মাটিতে পড়ে গিয়ে খেলার গতি ও মোমেন্টাম ধীর করার চেষ্টা করছিল, যা দক্ষিণ এশীয় ফুটবলের জন্য ইতিবাচক নয়।’ এ ধরনের রক্ষণাত্মক দলের বিপক্ষে জিততে সৃজনশীল পথ খুঁজে নেওয়া জরুরি ছিল বলে বাটলারের স্পষ্ট কথা।

ম্যাচের শুরুতেই (১১ সেকেন্ডে) বাংলাদেশ গোল পেয়ে যায়। কোচ মনে করেন, এই দ্রুত গোলটি দলের জন্য এক দিক থেকে অসুবিধা তৈরি করেছিল। গোলটির পর খেলোয়াড়েরা হয়তো ভেবে বসেছিল তারা ১০ বা ১২টি গোল করতে যাচ্ছে। তবে তিনি খেলোয়াড়দের সতর্ক করেছিলেন যেন তারা মালদ্বীপকে হালকাভাবে নেয়।

শিউলি ও মনিকার ইনজুরির কারণে একাদশে বেশ কিছু পরিবর্তন আনতে হয়েছিল বাটলারকে। ম্যাচে দুটি গোল হজম করাকে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচের আগে ‘ওয়েক-আপ কল’ বলতে রাজি নন কোচ। তবে এটিকে খেলোয়াড়দের জন্য ‘চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়ার’ মতো একটি বিষয় বলেছেন তিনি। দ্বিতীয় গোলের সময় রক্ষণ ভেঙে পড়াটা তাঁর জন্য চিন্তার বিষয়। ডিফেন্ডাররা স্ট্রাইকারের কাছে পরাস্ত হয়নি, বরং মনোযোগ হারানোর কারণে প্রতি আক্রমণে গোল খেয়েছে। ভিডিও অ্যানালিস্টের সঙ্গে বসে এই ভুলগুলো বিশ্লেষণ করার কথা জানিয়ে বাটলার বলেন, ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি সম্পূর্ণ ভিন্ন হবে।

আনিকার গোলটাই কি বাংলাদেশের দ্রুততম ঝুঁকিপূর্ণ ক্ষণ ছিল এবং নিজের আক্রমণাত্মক ও সৃজনশীল ফুটবল দর্শনেই অবিচল থাকতে চান পিটার বা�

Leave a Comment