এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মচারী নিয়োগের কর্তৃত্ব ফিরল পরিচালনা পর্ষদের কাছে Banglaprabah.com – শ ক ষ প রত ষ ঠ – বেসরকারি এমপিওভুক্ত
এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মচারী নিয়োগের কর্তৃত্ব ফিরল পরিচালনা পর্ষদের কাছে
Banglaprabah.com – শ ক ষ প রত ষ ঠ – বেসরকারি এমপিওভুক্ত স্কুল ও কলেজগুলোতে কর্মচারী নিয়োগের দায়িত্ব আবারও তাদের নিজস্ব পরিচালনা পর্ষদের হাতে চলে এসেছে। এক বছর আগে গত সেপ্টেম্বর মাসে এই ক্ষমতা জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে গঠিত একটি বিশেষ কমিটির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সেই ব্যবস্থা বাতিল করে আগের নির্দেশনা পুনরায় কার্যকর করা হয়েছে।
মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা একটি পরিপত্রে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রকাশিত পূর্ববর্তী নির্দেশনা বাতিলের কথা জানানো হয়েছে। একই সাথে ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে জারি করা নির্দেশমালার সংশ্লিষ্ট অংশ পুনর্বহাল করা হয়েছে। এই পরিবর্তনের ফলে শিক্ষক বাদে অন্যান্য এমপিওভুক্ত পদে নিয়োগের দায়িত্ব আবারও পরিচালনা পর্ষদের কাছে ফিরে এসেছে।
কোন পদগুলোতে কী পরিবর্তন হলো?
পরিপত্রে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, উচ্চমাধ্যমিক কলেজ এবং স্নাতক (পাস) কলেজগুলোতে শিক্ষক ছাড়া অন্যান্য এমপিওভুক্ত পদে নিয়োগের সুপারিশ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ সালে জারি করা পরিপত্র বাতিল করা হয়েছে।
অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত অংশ বাদে অন্যান্য পদে নিয়োগে ১০ জানুয়ারি ২০২৪ সালে জারি করা নির্দেশমালার সংশ্লিষ্ট অংশ বহাল রাখা হয়েছে। এর ফলে ট্রেড সহকারী, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর, অফিস সহকারী কাম হিসাব সহকারী, কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর, গবেষণা বা ল্যাব সহকারী, নিরাপত্তাকর্মী, পরিচ্ছন্নতাকর্মী, নৈশপ্রহরী, অ্যাটেন্ডেন্ট ও অফিস সহায়ক পদে আগের নিয়মেই নিয়োগ দেওয়া হবে।
পূর্ববর্তী ব্যবস্থা ও বর্তমান সিদ্ধান্তের পার্থক্য
দীর্ঘদিন ধরে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ হচ্ছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) সুপারিশের ভিত্তিতে। তবে অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক এবং কর্মচারী পদে নিয়োগ পরিচালনা পর্ষদের মাধ্যমে হয়ে আসছিল। এসব নিয়োগে দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ ছিল।
এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার সম্প্রতি অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগও এনটিআরসিএর মাধ্যমে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরই মধ্যে এসব পদের জন্য নিয়োগ পরীক্ষাও অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মচারী নিয়োগে ক্ষমতা হারিয়েছিল পরিচালনা পর্ষদ। গত বছরের সেপ্টেম্বরে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বেসরকারি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজে কর্মচারী নিয়োগের ক্ষমতাও পরিচালনা পর্ষদের কাছ থেকে প্রত্যাহার করে। সেই সময়ে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) নেতৃত্বে গঠিত একটি কমিটির মাধ্যমে এসব পদে নিয়োগে পরীক্ষা, মূল্যায়ন ও নিয়োগের জন্য সুপারিশ করার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। এ কমিটিতে পরিচালনা পর্ষদের কেউ থাকতে পারতেন না। নতুন পরিপত্রে সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করে আবারও পরিচালনা পর্ষদের মাধ্যমে কর্মচারী নিয়োগের ব্যবস্থা বহাল করা হয়েছে।
প্রশ্ন উঠছে স্বচ্ছতা নিয়ে
ঢাকা সিটি কলেজ: ১৯৮ শিক্ষকের ১০৫ জনের নিয়োগ নিয়েই প্রশ্ন। অতীতে কর্মচারী নিয়োগে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ থাকার নতুন এই সিদ্ধান্তের পর নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা কীভাবে হবে, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে প্রশ্ন উঠেছে।
Related SEO Topics
Frequently Asked Questions
Apa itu শ ক ষ প রত ষ ঠ?
শ ক ষ প রত ষ ঠ adalah topik utama yang dibahas di artikel ini dengan konteks praktis agar pembaca memahami informasinya dengan jelas.
Mengapa শ ক ষ প রত ষ ঠ penting?
শ ক ষ প রত ষ ঠ penting karena membantu pembaca membandingkan pilihan, menghindari kesalahan umum, dan mengambil keputusan yang lebih tepat.
Bagaimana cara memakai panduan শ ক ষ প রত ষ ঠ ini?
Gunakan poin utama, contoh, dan tautan terkait di halaman ini sebagai rujukan awal, lalu cek detail terbaru sebelum mengambil keputusan final.

