Uncategorized

অন্তরঙ্গ দৃশ্য ধারণের আগে ভয় কাটাতে যা করছিলেন রবি

হলিউডে আলাদা পরিচিতি অর্জনকারী মার্গো রবি অন তরঙ গ দ শ য ধ - হলিউডের অভিনেত্রীদের মধ্যে মার্গো রবি একজন বিশেষ মানুষ। তিনি অভিনয়ের সাথে মাত্র চরিত্রের জন্য

Desk Uncategorized
Published July 3, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

হলিউডে আলাদা পরিচিতি অর্জনকারী মার্গো রবি

অন তরঙ গ দ শ য ধ – হলিউডের অভিনেত্রীদের মধ্যে মার্গো রবি একজন বিশেষ মানুষ। তিনি অভিনয়ের সাথে মাত্র চরিত্রের জন্য নিজেকে পরিবর্তন করার সাহস দিয়ে আরও বেশি স্থান অর্জন করেছেন। তিনি মানে যে জনপ্রিয়তা চরিত্রের অপেক্ষা কম গুরুত্বপূর্ণ।

জন্ম এবং শৈশবের সংগ্রাম

মার্গো রবি ১৯৯০ সালের ২ জুলাই অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডের ডালবিতে জন্মগ্রহণ করেন। ছোটবেলা তিনি গোল্ড কোস্টে কাজ করেছেন বেশির ভাগ সময় রেস্তোরাঁয়। বাবা-মায়ের বিচ্ছেদের পর মা ছয় সন্তান গুলি বড় করেছিলেন। সংসারে অভাবের কারণে ক্যারিয়ারের শুরু থেকে তিনি কঠিন পরিশ্রম করেছেন।

‘ছোটবেলার সেই সংগ্রামই তাঁকে অর্থের মূল্য শিখিয়েছে। এখান থেকে বুঝেছি, জীবনে পরিশ্রম করলে সফল হওয়া যায়।’

হলিউডে প্রথম ফাঁকা করা ও সাফল্য

অস্ট্রেলিয়ায় কাজ করে যাওয়ার পর রবি হলিউডে পা রাখেন। তাঁর ক্যারিয়ার শুরু হয় ২০০৮ সালে সিটি হোমিসাইড সিরিজ দিয়ে। যুক্তরাষ্ট্রে কাজের সুযোগ পেলেও তাঁর নিজের বিশ্বাস ছিল না যে টিকে থাকতে পারবেন। কিন্তু সময়ে সময়ে অভিনয়ে নিজেকে সমর্থন করেন।

কঠিন প্রস্তুতি ও প্রতিটি চরিত্রের গুরুত্ব

২০১৩ সালে তিনি ‘দ্য উলফ অব ওয়াল স্ট্রিট’ ছবিতে লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিওর বিপরীতে অভিনয় করেন। ছবির অন্তরঙ্গ দৃশ্য ধারণের আগে ভয় কাটাতে তিনি মদ্যপান করেছিলেন। অভিজ্ঞতার কথা নিজেই বলেন—

‘এই সিনেমা থেকে পাওয়া প্রথম বড় পারিশ্রমিকের একটি অংশ দিয়ে আমি মায়ের বাড়ির বন্ধকী ঋণ পরিশোধ করি। এটি ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে আনন্দের মুহূর্তগুলোর একটি।’

পরবর্তী সময়ে তিনি ‘সুইসাইড স্কোয়াড’-এ হার্লে কুইন চরিত্রে অভিনয় করে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা পান। ছবির ছয় মাস আগে থেকে কঠোর প্রশিক্ষণ শুরু করেন। জিমন্যাস্টিকস, বক্সিং, অস্ত্র চালানো এবং দীর্ঘ সময় পানির নিচে শ্বাস ধরে রাখার অনুশীলন করেন। বেশির ভাগ স্টান্ট নিজেই করেন। পরিচালক ডেভিড আয়ার মজা করে বলেছিলেন—

‘মার্গো নিজেই এত স্টান্ট করেছেন যে তাঁর স্টান্ট ডাবলকে বেশির ভাগ সময় ট্রেলারে বসেই কাটাতে হয়েছে।’

তাঁর সাহসের পরিচয় দেখা যায় ‘ফোকাস’ সিনেমায় পকেটমার চরিত্রে অভিনয়ের জন্য। এখানে তিনি জেন্টলম্যান থিফ অ্যাপোলো রবিনস থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। তাঁর দক্ষতা এতটা উন্নত হয়েছিল যে শুটিং ইউনিট তাঁকে ধীরে কাজ করতে বলেছিল। কারণ ক্যামেরা তাঁর হাতের গতি ধরতে পারছিল না। সিনেমাটির জন্য তিনি ট্রিপল অ্যাক্সেল জাম্প প্রদর্শন করতে পারেন নাই।

অস্কার মনোনয়ন এবং নতুন সফলতা

২০১৭ সালে তিনি ‘আই, টোনিয়া’ ছবিতে টোনিয়া হার্ডিং চরিত্রে অভিনয় করেন। তাঁর জন্য প্রতিটি চরিত্রে নতুন দক্ষতা বিকশিত করেন। তিনি স্কেটিং শিখেছিলেন তিন মাস স্কেটিং প্রস্তুতি করেন। কিছু কঠিন দৃশ্য কম্পিউটার গ্রাফিকসের মাধ্য

Leave a Comment