Uncategorized

প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর চালুর দাবি জুলাই রেভোল্যুশনারি অ্যালায়েন্সের

প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর চালুর দাবি জুলাই রেভোল্যুশনারি অ্যালায়েন্সের প রধ নমন ত র র হস - জুলাই রেভোল্যুশনারি অ্যালায়েন্স ও শহীদ পরিবার

Desk Uncategorized
Published July 3, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর চালুর দাবি জুলাই রেভোল্যুশনারি অ্যালায়েন্সের

প রধ নমন ত র র হস – জুলাই রেভোল্যুশনারি অ্যালায়েন্স ও শহীদ পরিবার প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি সংশোধনী আহ্বান করে জানিয়েছে যে আমলাতান্ত্রিক সীমাবদ্ধতা পেরে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর দ্রুততম সময়ে চালু করা হবে। তাদের দাবি হলো জাদুঘরের কার্যক্রম পূর্ণতা পেতে এবং কোনো ষড়যন্ত্র এটি বাধা দেওয়ার চেষ্টা করতে না পারে।

গত সপ্তাহের শেষে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তারা এই দাবি জানায়। সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ আহ্বান করা হয়েছে যাতে জাদুঘরের চূড়ান্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন হয়।

পূর্বঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী ৫ আগস্ট এই জুলাই স্মৃতি জাদুঘর সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার কথা ছিল। কিন্তু আমরা জানতে পারি, গত সপ্তাহে সংস্কৃতিসচিব কানিজ মওলা একটি সভায় জানিয়েছেন যে তিনি জাদুঘরের নিয়োগ বিধি পরিবর্তন করার পরামর্শ দিয়েছেন।

অ্যালায়েন্সের মুখপাত্র সাবরিনা আফরোজ সেবন্তি লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। তিনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ সৈকতের বোন। তার অভিযোগ, জনতার ভোটে নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সর্বসম্মতভাবে জুলাই জাদুঘর আইন পাস করেছে বলে জানা গেছে, তাহলে কার অনুমোদনে আইনের পরিবর্তন করা হয়েছে সে বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

সংগঠনটি জানায় যে নিয়োগ বিধি পরিবর্তনের পরামর্শকে ষড়যন্ত্র বলে মনে করা হচ্ছে। তাদের দাবি জাদুঘরের চূড়ান্ত নিয়োগ প্রক্রিয়াকে কমপক্ষে দুই মাস পিছিয়ে দেওয়া হবে। স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতির মাধ্যমে অযোগ্য ব্যক্তিদের সংবেদনশীল প্রজেক্টে নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা চলছে বলেও অভিযোগ জানানো হয়।

লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয় যে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর সাধারণ প্রতিষ্ঠান নয়। সংগঠনটি জাদুঘরটি চালাতে হলে যোগ্যতার ভিত্তিতে দক্ষ ও অভিজ্ঞ মানুষ প্রয়োজন। এ ছাড়া জাতীয় সংসদে বর্তমান আইন মোতাবেক নিয়োগ প্রক্রিয়া চালানো হবে।

সংগঠনটি আরও অভিযোগ করে যে ষড়যন্ত্রকারীরা শুধু জাদুঘর উদ্বোধনে বিলম্ব করছে না, বরং এটিকে প্রশাসনিক অসহযোগিতা করে অচল করার চেষ্টা করছে। বাজেট ও রক্ষণাবেক্ষণ আটকে রেখে মানুষ সঠিক ইতিহাস জানতে পারছে না। আন্তর্জাতিক মহলে এর মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে আরও অভিযোগ উঠেছে।

চারটি দাবি জানানো হয়েছে

সংবাদ সম্মেলনে চারটি দাবি প্রকাশ করা হয়। এগুলো হলো: জাদুঘর দ্রুততম সময়ে উন্মুক্ত করা, যোগ্য ও বিশেষজ্ঞদের নিয়োগ করা, ষড়যন্ত্রকারীদের জবাবদিহি করা ও শাস্তি নিশ্চিত করা, হাইটেক প্রযুক্তি ও স্মারকের নিরাপত্তা দেওয়া।

যদি দ্রুততম সময়ে এই দাবিগুল�

Leave a Comment