ছয় মাজারে হামলা, ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আহ্বান
চলত বছর র ছয় ম স ৬ – বাংলাদেশে চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে কমপক্ষে ছয়টি মাজারে হামলার ঘটনা প্রমাণিত হয়েছে বলে দাবি করেছে মাকাম প্রতিষ্ঠান। সুফি সম্প্রদায়ের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সামাজিক-রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে গবেষণা করে এ প্রতিষ্ঠান আহ্বান জানায় ক্ষতিগ্রস্ত মাজার, দরবার ও দরগাহে ক্ষতিপূরণ দেওয়া এবং হামলাকারীদের শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য।
২ জুলাই রাজধানীতে সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশ করা হয়েছে ‘২০২৬ সালে (জানুয়ারি–জুন) মাজার হামলা’ শীর্ষক ষাণ্মাসিক প্রতিবেদন। প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে এ সময়ে মাজারে হামলার সংখ্যা বেশি হয়েছে এবং কুষ্টিয়ায় দুটি হামলা ঘটেছে। এছাড়া একটি মাজারের ওরস পালনে পুলিশি বাধা, একটি ওরসে হামলার চেষ্টা এবং একটি হামলার গুজব শনাক্ত করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে। সেখানে পবিত্র কোরআন শরিফ অবমাননার অভিযোগ তুলে লোক গুনগুন হামলা চালিয়ে পীর আবদুর রহমান ওরফে শামীম বাবাকে হত্যা করেছে। ঘটনায় তাঁর দুই অনুসারী আহত হয়েছেন। সামগ্রিক ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ২০ লাখ টাকার মতো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
মাকাম প্রতিষ্ঠানের দাবি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও খেলাফত মজলিসের নেতা-কর্মীদের ওই হামলার প্রধান দায়ী হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া হামলার জেরে একটি মসজিদেও হামলা হয়েছে। মাজারের ওরস ও অন্যান্য কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে দুটি দরবারে।
সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটি আহ্বান জানিয়েছে সরকারের কাছে প্রমাণিত সব হামলার তদন্ত করার জন্য। হামলার ঘটনার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে বলে দাবি করা হয়েছে এ ছয়টি ঘটনার মধ্যে। এর আগে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে মাজার হামলার ১৩৪টি ঘটনার তথ্য যাচাই করে প্রমাণ পেয়েছিল মাকাম। এবং চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তার প্রকাশ হয়। নতুন ছয়টি হামলা যুক্ত হওয়ায় এ পর্যন্ত মোট ১০৩টি হামলার ঘটনা প্রমাণিত হয়েছে বলে প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে
