Uncategorized

ইরানের নতুন আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা আসলে কী, এটি কতটা কার্যকর

ইরানের নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কতটা কার্যকর ইর ন র নত ন আক শ - চলতি সপ্তাহে হরমুজ প্রণালির কেশম দ্বীপে ইরানের একটি অভিযানে মার্কিন ড্রোনটি ভূপাতিত

Desk Uncategorized
Published May 29, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ইরানের নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কতটা কার্যকর

ইর ন র নত ন আক শ – চলতি সপ্তাহে হরমুজ প্রণালির কেশম দ্বীপে ইরানের একটি অভিযানে মার্কিন ড্রোনটি ভূপাতিত হওয়ার দাবি করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যম জানায়, তেহরান নতুন আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ব্যবহার করে এই কাজটি করেছে। এই ব্যবস্থার নাম ‘আরাশ-ই কামানগির’ এবং এটি সম্পূর্ণ আধা সরকারি তথ্য প্রকাশ করেছে।

প্রতিদ্বন্দ্বী হামলার পর এক মাস পর ইরান পাল্টা আঘাত হানার সক্ষমতা ধরে রেখেছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের প্রতিরক্ষায় ধ্বংস হওয়া পর ইরান পুনরায় তাদের প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ক্ষমতা বিষয়ে প্রশ্ন তুলছে। ইরান এখন সীমিত জায়গায় তাদের সমাধান করছে বলে দাবি করেছে বিশেষজ্ঞদের মতো।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক কৌশল পরিবর্তন করছে। নতুন ক্ষেপণাস্ত্রের নকশায় স্বাধীনতা লাভ করছে এবং সস্তা ব্যবস্থা জটিল কার্যকরীতা কম করছে। মার্ক হিলবোর্ন বলেন, ‘ইউক্রেনের মতো ইরান ক্ষেপণাস্ত্রের নকশায় স্বাধীন হয়ে উঠেছে এবং জটিল ব্যবস্থা বেশি ঝুঁকিতে ফেলছে।’

ব্যবস্থার প্রকৃতি কী

ফারস নিউজ জানায়, বিমান ও জলসীমায় অবস্থানকারী শত্রু ড্রোনগুলো ধরতে এই ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়েছে। এর রাডার ফাঁকি দেওয়া যায় বা স্টিলথ প্রযুক্তি শনাক্ত করতে সক্ষম। তবে কারিগরি বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

নতুন ব্যবস্থার বার্তা অনুযায়ী, ইরান তাদের সীমান্ত বিমান হুমকি বজায় রেখেছে। এটি প্রমাণ করে দেখায়, ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা এখনো টিকে আছে। ইরানের সামরিক কৌশলের ভিত্তি সহনশীলতা ও ধৈর্যে আছে বলে অ্যালেক্স আলমেইদা বলেন, ‘ইরান আসলে তাদের নিজেদের প্রত্যাশার চেয়েও ভালো কাজ করছে।’

“আরাশ-ই কামানগির” সম্পর্কে নিরপেক্ষ তথ্য খুব কম। এটি আগের কোনো ব্যবস্থার উন্নত সংস্করণ। হিলবোর্ন আরও বলেন, ‘বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই হামলা নিয়ে তারা বাড়িয়ে বলছে।”

বিশ্লেষক নিকোল গ্রাজিউস্কি বলেন, এই প্রতিরক্ষাব্যবস্থা অনেকটা ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপণযোগ্য ব্যবস্থা। এটি দ্রুত এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় স্থানান্তরিত করা যায়। এটি প্রমাণ করে, ইরান ক্ষেপণাস্ত্রের প্রযুক্তি বিষয়ে আগ্রাহ করছে বলে আলমেইদা আরও জানায়।

গ্রাজিউস্কি আরও বলেন, ইরানের সামরিক কৌশলের ভিত্তি সহনশীলতা ও ধৈর্যে আছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, পশ্চিমার বিশ্লেষকদের কাছে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ত্রুটিপূর্ণ বলে ধরা পড়ে। কিন্তু শক্তিশালী শত্রু বিরুদ্ধে এটি বেশি কার্যকর।

নতুন ব্যবস্থার নাম পারস্যের এক বীরের প্রতি অবদানে নেওয়া হয়েছে। লোকগাথায় উল্লেখ রয়েছে, তিনি একটি তির ছুঁড়ে ইরান ও মধ্য এশিয়ার সীমান্ত নির্ধারণ করেছিলেন। এর প্রতি সাহিত্য ও কবিতায় সমাদৃত হয়েছেন।

Leave a Comment