ভেনেজুয়েলায় ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে জীবিত কর্মী উদ্ধার
ভ ন জ য় ল য় ভ – লা গুয়েরা শহরের একটি নয়তলা ভবনে বুধবার ঘটে ধসের পর আট দিন পর সেখান থেকে একজন ব্যক্তিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধারকারীদের মতে এটি একটি অলৌকিক ঘটনা।
অভিযানের চূড়ান্ত কাজ
ভূগর্ভস্থ তলায় সার্চ ক্যামেরা ব্যবহার করে উদ্ধারকারীদের প্রথম ফ্লোরেসের দেখা পাওয়া গেছে। চিলির ফায়ার সার্ভিসের ভিডিওতে দেখা যায়, কংক্রিটের স্তূপ ও ধ্বংসস্তূপের মধ্যে ক্ষুদ্র ফাঁক দিয়ে তিনি আঙুল নাড়ছেন। এই অভিযানের সময় তাঁকে পানি, খাবার ও ওষুধ প্রদান করা হয়েছে।
“যখন জানতে পারলাম ও বেঁচে আছে, তখন যেন আশার আলো দেখতে পেলাম। ও বীরের মতো লড়াই করে টিকে ছিল,” বলেন ফ্লোরেসের স্ত্রী গুসবিমার গঞ্জালেস।
প্রাথমিক প্রতিবেদন
ভূমিকম্পের পর প্রথম তিন দিনকে জীবিত মানুষ খুঁজে পাওয়ার গোল্ডেন উইন্ডো হিসাবে ধরা হয়। প্রকাশিত ভিডিওতে গিলের মাথা ও কাঁধ ধ্বংসস্তূপ থেকে অর্ধেক বেরিয়ে থাকতে দেখা যায়।
সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জাতিসংঘের দুর্যোগ পর্যালোচনা ও সমন্বয় দলের সদস্য সেবাস্টিয়ান মোকরকুয়ে বলেন, ভূমিকম্পের সাত দিন পর কাউকে জীবিত উদ্ধার করা নিঃসন্দেহে অলৌকিক। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক উদ্ধারকারী দল দীর্ঘ ৭০ ঘণ্টা সময় নিয়ে তাঁকে বের করে আনে।
বিশেষ জটিলতা
অভিযানকে জটিলতাপূর্ণ বলে উল্লেখ করে চিলি ফায়ার সার্ভিস জানায়, ভবনটি নড়বড়ে অবস্থায় ছিল। সামনে পড়া ইট-পাথর খণ্ডের মোকাবিলা করতে হয়েছিল। ফ্লোরেস সিএনএন সাক্ষাতকারে একটি শপিং মলে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন।
