ঢাকার নবাবগঞ্জে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পেয়েছেন তিনজন দলবদ্ধ ধর্ষণের আসামি
Banglaprabah.com – ২৪ বছর আগ দলবদ ধ ধর ষণ – ২৪ বছর আগ দলবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড করা হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। এই মামলার মূল ঘটনা ছিল গত ২০০২ সালের মার্চে নবাবগঞ্জ এলাকায় ঘটে। অতিক্রম করা হয়েছে কয়েকটি পর্যায় যেমন প্রতিবেদন, তদন্ত ও বিচার। তদন্ত শেষ হয় ২০০২ সালের জুলাই মাসে এবং তার পর বিচার শুরু হয়। আদালত এরশাদ আলমের বিচারে তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন।
বিচার প্রক্রিয়া ও আসামির সাজার বিস্তার
মামলার বিচার প্রক্রিয়াটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে স্থান পেয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনের পর তিন আসামি মামলায় জড়িত ছিলেন। বিচারক মুন্সী মশিয়ার রহমান জানান যে বিচার প্রক্রিয়ায় যথাযথ পর্যায়ে সব প্রমাণ বিচার করা হয়েছে। আসামি সুজন এবং মোহাম্মদ আদালত কর্মকর্তারা বিচার পর্বে উপস্থিত ছিলেন। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রতিটি আসামিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। অনাদায় আসামি জুলহাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়ার পর বিচারক এ প্রক্রিয়া পূর্ণ করেন। আদালত তাদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে জরিমানার অর্থ আদায় করতে হবে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের প্রতি স্থানান্তর করেন। এই রায় দ্বারা নারী নির্যাতনের জন্য দলবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় প্রতিটি আসামির জন্য স্থায়ী ও অস্থায়ী সম্পত্তি বিক্রি করে সংকট মোচনের জন্য অর্থ আদায় করা হবে বলে নির্দেশ দেন।
দলবদ্ধ ধর্ষণের মামলার গুরুত্ব হল এটি একটি সংগঠিত প্রতিশোধ ব্যবস্থা হিসেবে দেখা যেতে পারে। বিচারের সময় আসামিরা এ প্রক্রিয়ার প্রতি স্বাক্ষর করেন। আদালত একটি গুরুতর বিচার দিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ঘোষণা করেন। বিচার প্রক্রিয়ায় নারী বাদীর দাবি ও আসামির বিবাদের উপর গুরুত্বপূর্ণ নীতি গ্রহণ করা হয়। এই মামলায় এরশাদ আলম একটি গুরুতর পর্যায়ে দুই আসামির বিচার ঘটেছে।
তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে যে এটি অনুপাতে মামলার গুরুত্ব প্রকাশ করে। এ ক্ষেত্রে আসামি সুজন ও মোহাম্মদ আদালতে সাক্ষ্য দেন। এই মামলার পরিণতি দেখা যাচ্ছে যে দলবদ্ধ ধর্ষণের ক্ষেত্রে আসামি কর্তৃক চালিত প্রতিশোধ প্রক্রিয়া সফল হয়েছে। আসামি জুলহাস পলাতক হয়ে রয়েছেন এবং তাঁকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
২৪ বছর আগ দলবদ্ধ ধর্ষণের মামলার এ প্রক্রিয়া নারী বাদীর মানবাধিকার রক্ষার প্রতিকূল অবস্থা থেকে বাঁচার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করা হয়েছে। আদালত নারী বাদী এবং আসামি এর বিচারে কোনো হুঁশিয়ার করা হয়েছে। এটি দেখায় যে প্রতি আসামির জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আসামি সুজন ও মোহাম্মদ আদালতে এ মামলার সাক্ষ্য দেওয়া হয়েছে।
নারী ও শিশু নির্যাতন �

