বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে বাধা দেওয়ায় স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ, স্বামী গ্রেপ্তার
Banglaprabah.com – ব শ বক প ফ ইন ল – বিশ্বকাপ ফাইনালের প্রতিযোগিতার খেলা দেখতে বাধা দেওয়ায় কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের ব্রহ্মপাড়া ওয়াপদা টেক এলাকায় গৃহবধূ মরিয়ম বেগমের প্রতি স্বামী জহির হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। গত রোববার রাতে মরিয়ম বেগম পাঁচ মাস বয়সী সন্তান নিয়ে ঘরে একা ছিলেন, কিন্তু তাঁকে বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলা দেখতে না দেওয়ায় জহির ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁকে লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশ অভিযুক্তকে রাতেই আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
অভিযুক্ত ও অভিযোগের বিস্তার
অভিযুক্ত জহির হোসেন ব্রহ্মপাড়া ওয়াপদা টেক এলাকার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে। তিনি অটোরিকশাচালক হিসেবে কাজ করেন এবং ঘটনার সময় স্ত্রীকে বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলা দেখতে বাধা দেওয়া নিয়ে তর্ক করেন। স্ত্রী তাঁকে বাইরে পাঠিয়ে খেলা দেখতে বলেন, কিন্তু জহির অসহিষ্ণুতার ফলে তাঁকে বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে না দিয়ে পিটিয়ে আহত করেন। তখন ঘরে ছিলেন মাত্র একটি সন্তান এবং কোনো সহায়তা ছাড়া তিনি অবস্থান করেন।
রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ভিডিও সোমবার রাতে পুলিশের কাছে পৌঁছে দেওয়ার পর জহির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি এই ঘটনার পর বিশ্বকাপ ফাইনালের খেলা সম্পর্কে আরও তথ্য সংগ্রহ করছেন।
গৃহবধূ আহত হয়ে চিৎকার করছেন
ভিডিওতে দেখা যায় মরিয়ম বেগম মারধরের শিকার হয়ে চিৎকার করে কাঁদছেন। তাঁর দাবি পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে সমস্যা রয়েছে। জহির হোসেন বারবার বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলা দেখতে না দিয়ে স্ত্রীকে মারধর করেন যার ফলে তাঁর স্বাস্থ্য বিপন্ন হয়ে পড়েছে। এই অভিযোগ উঠার আগে দুই বছর আগে চট্টগ্রামে বাস করতেন এই দম্পতি।
প্রতিবেশীদের মতে জহির হোসেন মাদক সেবনের পর প্রায়ই স্ত্রীকে মারধর করতেন। মরিয়ম বেগম বলেন, এই ঘটনার পূর্বে পরিবারে বিরোধ নিয়ে তিনি আটকে রাখা হয়েছে। স্বামী গৃহবধূকে বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলা দেখতে না দিয়ে ক্ষুধার্ত হয়ে তাঁকে গুরুতর আহত করেছেন।
এই ঘটনার পর থেকে মরিয়ম বেগম দুঃখে ভরে গেছেন। তাঁর মামলার প্রতি পুলিশ নিষ্ঠাপূর্বক তদন্না করছে। বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলার অনুপস্থিতির কারণে ঘটনাটি ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তিনি পুলিশের তদন্না বিষয়ে জানান যে তাঁর স্বামী প্রায়শই স্ত্রীকে মারধর করেন।
এই ঘটনার পর এলাকার মানুষদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলা দেখতে বাধা �

