Uncategorized

সিআইএ স্থাপনায় ইরানের হামলায় রাশিয়ার ভূমিকা ছিল কি না, খতিয়ে দেখছে যুক্তরাষ্ট্র

স আইএ স থ পন য ইর - পারস্য উপসাগরীয় এলাকায় মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর একাধিক কার্যালয়ে ইরান ড্রোন আক্রমণ চালিয়েছে। এই ঘটনায় রাশিয়ার কোনো সম্পৃক্ততা

Desk Uncategorized
Published July 24, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Foto : Mark Gonzalez - banglaprabah.com

ইরানের হামলায় সিআইএ স্থাপনায় রাশিয়ার ভূমিকা তদন্ত

Banglaprabah.com – স আইএ স থ পন য ইর – পারস্য উপসাগরীয় এলাকায় মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর একাধিক কার্যালয়ে ইরান ড্রোন আক্রমণ চালিয়েছে। এই ঘটনায় রাশিয়ার কোনো সম্পৃক্ততা রয়েছে কিনা, তা যাচাই করছে ওয়াশিংটন। মার্কিন গোয়েন্দা বিশ্লেষকরা যাচাই করছেন, লক্ষ্য নির্ধারণে রাশিয়া কি কোনো গোপন তথ্য বা উন্নতমানের ড্রোন প্রযুক্তি সরবরাহ করেছে। রয়টার্সকে এই বিষয়টি জানিয়েছে চারটি সূত্র। জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত সংবেদনশীল তথ্য হওয়ায় তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে কথা বলেছেন।

তদন্তের মূল বিষয়বস্তু

সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা এখনো রাশিয়ার সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাননি। তবে কার্যকর আক্রমণ, সঠিক লক্ষ্যভেদ এবং ইরানকে রাশিয়ার দীর্ঘদিনের প্রযুক্তিগত সহায়তা—এই বিষয়গুলো তদন্তে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে। এর আগে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল, উপসাগরীয় এলাকায় মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে হামলার সময় ইরানকে লক্ষ্য নির্ধারণসহ বিভিন্ন ধরনের সহায়তা দিয়েছে রাশিয়া। মার্কিন কর্মকর্তারাও এই বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

তবে সিআইএর স্থাপনায় হামলার ক্ষেত্রে রাশিয়ার সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে মার্কিন গোয়েন্দারা যে আলাদা তদন্ত করছে, সে তথ্য আগে প্রকাশ্যে আসেনি। রয়টার্স ও অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, গত মার্চে সিআইএর অন্তত দুটি স্থাপনায় হামলা চালিয়েছিল ইরান। এর একটি ছিল সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসের ভেতরে থাকা সিআইএ স্টেশন। অন্যটি ছিল ইরাকের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত একটি পৃথক স্থাপনা।

পশ্চিমা গোয়েন্দা নথিতে নতুন তথ্য

কয়েকটি সূত্র জানায়, আরও কিছু সিআইএ স্থাপনায় হামলা হয়েছে। তবে সেগুলোর অবস্থান বা বিস্তারিত তারা প্রকাশ করেনি। উপসাগরীয় অঞ্চলের এক কর্মকর্তার সঙ্গে রয়টার্স কথা বলেছে। তাঁর কাছে পশ্চিমা একটি গোয়েন্দা সংস্থার অভ্যন্তরীণ একটি স্মারক রয়েছে। তিনি জানান, ওই নথিতে বলা হয়েছে, আঞ্চলিক সিআইএ স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করতে রাশিয়া সম্ভবত ভূমিকা রেখেছে। তবে নথিটি কোন গোয়েন্দা সংস্থা তৈরি করেছে, তা প্রকাশ করেননি তিনি।

গোয়েন্দা প্রতিবেদনের বিষয়ে অবগত উপসাগরীয় অঞ্চলের দুই পশ্চিমা কর্মকর্তা বলেন, বিশ্লেষকদের ধারণা, সৌদি আরবে হামলায় ইরান এমন দুটি শাহেদ ড্রোন ব্যবহার করেছে, যেগুলো রুশ প্রযুক্তি ব্যবহার করে আরও উন্নত করা হয়েছে।

ওই দুই পশ্চিমা কর্মকর্তা বলেন, একটি ড্রোন মার্কিন দূতাবাস ভবনের বাইরের একটি দুর্বল অংশে আঘাত করে ছিদ্র তৈরি করে। এরপর দ্বিতীয় ড্রোনটি সেই ছিদ্র দিয়ে ভবনের ভেতরে ঢুকে বিস্ফোরিত হয়। এ ঘটনায় কেউ নিহত বা আহত হননি। এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে হোয়াইট হাউস বিষয়টি সিআইএর কাছে পাঠিয়ে দেয়। তবে সিআইএ কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানায়। জাতিসংঘে ইরানের স্থায়ী মিশন, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সৌদি সরকারের কাছেও মন্তব্য জানতে চেয়েছিল রয়টার্স। তবে তারা কেউই জবাব দেয়নি।

Leave a Comment