সচ্ছলতার আশায় ঋণ করে গিয়েছিলেন লেবাননে, আড়াই মাসে ফিরছেন কফিনে
সচ ছলত র আশ য় ঋণ কর – সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের ভালুকা চাঁদপুর গ্রামে বাস করতেন শফিকুল ইসলাম (৪৫)। তাঁর সংসারে সচ্ছলতা পূরণের আশায় বড় অঙ্কে টাকা ঋণ করে লেবাননে পাড়ি জমান তিনি। গত দুই মাস আগে শ্রাবণ মাসের শুরুতে রোজা প্রারম্ভের দুই দিন পর তিনি সেখানে যান। তাঁর বাড়িতে স্বামী এবং কন্যার দুটি সন্তানের স্বামী হিসেবে পরিচিত ছিলেন শফিকুল। বিদেশে যাওয়ার জন্য তাঁর প্রায় ১২ লাখ টাকা খরচ হয়েছিল, যার বেশির ভাগ ঋণে সম্পন্ন হয়।
লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের নাবাতিয়েহ জেলার জেবদিন এলাকায় শফিকুলের জ্ঞান হারাচ্ছিলেন। তাঁর কন্যা নাহিদুল ইসলাম (৪০) এর ছেলে কাদাকাটি গ্রামের ছেলে নাহিদুল ইসলাম সাতক্ষীরার আরেক প্রবাসী হিসেবে সেখানে রোজ কাজ করতেন। গতকাল সোমবার দুপুরে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় শফিকুল সহ দুই বাংলাদেশি নিহত হন। দুজন ব্যক্তি একই এলাকায় বসবাস করতেন, যার ফলে মৃত্যুর খবর গ্রামে দুই তরফে ভাবনা ছড়িয়ে দিয়েছিল।
তাঁর বাড়িতে দুর্দান্ত পরিস্থিতি
মঙ্গলবার সকালে শফিকুলের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় স্বজন ও প্রতিবেশীদের ভিড়। তাঁর স্ত্রী রুমা খাতুন আহাজারি করতে করতে বারবার জ্ঞান হারাচ্ছিলেন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, “আমার স্বামী সংসারের হাল ধরতে বিদেশে গিয়েছিল। এত টাকা ঋণ করে গেল। এখন এই ঋণ আমি কীভাবে শোধ করব? আমার দুই সন্তানকে নিয়ে কীভাবে বাঁচব?”
শফিকুলের মা আজেয়া খাতুন ছেলের নাম ধরে বারবার ডাকছিলেন। কখনো বিলাপ করছেন, কখনো নির্বাক বসে থাকছেন। তাঁর বৃদ্ধ বাবা আফসার আলী বলেন, “ছেলেকে বিদেশ পাঠাতে গরু বিক্রি করেছি। এনজিও থেকে ঋণ নিয়েছি। আত্মীয়দের কাছ থেকেও ধার করেছি। ভেবেছিলাম, ছেলে উপার্জন করে সংসারের কষ্ট দূর করবে। এখন সে লাশ হয়ে ফিরবে।”
লেবাননে তাঁর কাজের স্থানে প্রতিদিন শ্রমিক হিসেবে তাঁর স্বামী কাজ করতেন। কয়েক মাসের ব্যবধানে তাঁর এমন মর্মান্তিক মৃত্যু তাঁদের ম
