হরমুজে ইরানের টোল আদায়ের বিরুদ্ধে কি একমত হতে পারবে চীন–যুক্তরাষ্ট্র
হরম জ ইর ন র ট ল – যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছেন যে ইরানের উপর হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ওপর টোল আদায় করার অধিকার ছাড়া কোনো দেশকে সুযোগ দেওয়া হয়নি। এ ঘটনার খবর গত মঙ্গলবার মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রয়টার্সের কাছে প্রকাশ করেছে। এটি সূচিত করে যে দুই দেশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সম্মিলিত অবস্থান গঠনের প্রস্তাব রয়েছে, যা তেহরানের ওপর চাপ প্রয়োগের পরিপ্রেক্ষিতে নির্দিষ্ট হয়েছে।
হরমুজে নিয়ন্ত্রিত চলাচলের প্রসঙ্গ
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরান বিরোধী হামলা শুরু করে। ইরান প্রতিক্রিয়া দেয় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের মাধ্যমে ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে। যুদ্ধের সূচনার পরপরই ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়, যেখানে বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস সরবরাহ হতো। তেল বাজারে বড় ধাক্কা সৃষ্টি হয় এর ফলে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই গত মাসে এক ফোনালাপে এ বিষয়ে আলোচনা করেছিলেন।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর সাধারণত বিবৃতি দিয়ে এ ধরনের ফোনালাপ ঘোষণা করে। তবে এ ঘটনায় তারা প্রচলিত রীতির বাইরে গিয়ে কোনো বিবৃতি দেয়নি। চীনের দূতাবাস তাদের নৌ অবরোধের বিরুদ্ধে মন্তব্য করেনি, কিন্তু তারা বলেছেন যে সব পক্ষের মধ্যে সহযোগিতা ছাড়া হরমুজ প্রণালি দিয়ে স্বাভাবিক জাহাজ চলাচল বৃদ্ধি পাবে না।
তেহরান আরো কথা বলেছে
বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ হরমুজের মাধ্যমে পরিবহন হতো। এ বিষয়ে চীনের কর্মকর্তারা এখন পর্যন্ত ইরানের টোল আদায়ের বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য করেনি। তবে তারা যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধকে কমপক্ষে আলোচনার জন্য উপস্থিত রয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রে চীনা দূতাবাসের মুখপাত্র লিউ পেংইউ বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অভিন্ন স্বার্থ হলো এলাকাটি নিরা�
