ফুটপাত আর রেলস্টেশনে চার লাখ টাকা অর্জন করেছেন দুই শিক্ষার্থী
ফ টপ ত আর র লস ট পরিচালিত ব্যবসা দ্বারা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী মনির হোসেন ও জিয়া উদ্দিন ফুটবল বিশ্বকাপের সময় চার লাখ টাকা অর্জন করেছেন। তাঁদের ব্যবসা শুরু হয়েছিল বন্ধুদের আড্ডার সময়, যখন বিশ্বকাপ উপলক্ষে জার্সি বিক্রির ধারণা উঠেছিল। এরপর তাঁরা পরিকল্পনা করেন এবং প্রায় দুই মাসে ফুটপাত এবং রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্মে বসে বিক্রি শুরু করেন।
ব্যবসার শুরু
গত মে মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে ফ টপ ত আর র লস ট কর্তৃক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। রেলওয়ে স্টেশনে দুটি স্ট্যান্ড, দুটি টেবিল ও জার্সি নিয়ে ছোট্ট দোকান খুলেছিলেন। প্রায় আট বছর আগে থেকেই তাঁদের বন্ধুত্ব চলছিল, সেই সময় থেকে ব্যবসার আলোচনা করা হত।
অনেক আগে থেকেই ব্যবসার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু কীভাবে পরিচালনা করতে হয়, ক্রেতাদের সঙ্গে কাজ করতে হয়, এসব বিষয়ে ধারণা ছিল না। সঠিক পরামর্শও পাইনি আমরা। তবু স্নাতকোত্তরে এসে ফ টপ ত আর র লস ট পরিকল্পনা বাস্তবে রূপ দিয়েছি।
ঈদুল ফিতরের পর তাঁদের কয়েক বন্ধু একসঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিলেন। একপর্যায়ে জিয়া উদ্দিন জার্সি বিক্রির পরিকল্পনার কথা জানান। বিশ্বকাপ উপলক্ষে জার্সি বিক্রি হবে, এ আশায় তিনিও সম্মতি দেন। এরপর তাৎক্ষণিকভাবে এক সিনিয়রের কাছ থেকে প্রায় ১৩টি জার্সি কিনে দোকান খুলেছেন।
ফ টপ ত আর র লস ট ব্যবসার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং বাজার বোঝার অবকাশ হয়েছে। দুই শিক্ষার্থী লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা। এ পর্যন্ত তাঁদের দোকান থেকে প্রায় ৪০০টি জার্সি বিক্রি করা হয়েছে। তাঁরা আর্জেন্টিনা, স্পেন, ফ্রান্স ও ব্রাজিলের জার্সি বিক্রি করছেন। মূল্য অনুযায়ী তিনটি ক্যাটাগরির জার্সি প্রস্তুত করেছেন।
দুই মাসে ফ টপ ত আর র লস ট ব্যবসার মাধ্যমে লাভ হয়েছে প্রায় ৪৫ হাজার টাকা। আরও প্রায় ২৫ হাজার টাকার জার্সি তাঁদের কাছে রয়েছে। সামগ্রিকভাবে তাঁরা প্রায় চার লাখ টাকা বিক্রি করেছেন।
ফুটপাত এবং রেলস্টেশনে স্থাপিত দোকান পরিচালনার সময় নিয়ে তাঁদের অভিজ্ঞতা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। সরবরাহকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং ক্রেতাদের সঙ্গে আচরণ সম্পর্কে ধারণা তৈরি হয়েছে। আর্জেন্টিনা সমূহ বিক্রি করে বিশ্বকাপ সংক্রান্ত
