বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে গণভোটের রায় প্রয়োগ করতে হবে: আখতার হোসেন
ব ল দ শক গণত ন ত – বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে গঠন করতে গণভোটের ফলাফল কার্যকর করা প্রয়োজন হবে বলে মন্তব্য করেন এনসিপি সদস্যসচিব আখতার হোসেন। রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এ দাবি জানান।
‘স্বৈরাচারী ক্ষমতাধিকারীরা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে আঘাত করার জন্য বিভিন্ন পদ্ধতিতে চেষ্টা চালাচ্ছে। তারা সাংবাদিক, চিত্রনায়িকা এবং মডেলদের মাধ্যমে জুলাইয়ের শহীদদের হত্যাকারীদের পক্ষে আত্মপ্রকাশ করছে। এমনকি গণহত্যার অপমানকারীদের সমর্থন করছে। জুলাই গণহত্যা স্বীকৃতি না করার চেষ্টা করলে দেশের মানুষ তা হতে দেবে না।’
আখতার হোসেন আরও জানান যে সরকার যদি আইনের মাধ্যমে অভ্যুত্থানের শহীদদের হত্যার বিচার করে না, তবে আরেকটি গণভোটের মাধ্যমে তা পুনরায় পরিচালন করা হবে।
গণভোটের প্রয়োজন ছাড়া দেশ রাজনৈতিক সংকটে পতিত হতে পারে
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন এবং সর্বোচ্চ ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল ওহাব মিনার। তাদের মতে ক্ষমতার ব্যবহার ছাড়া গণমত পূরণ করা সম্ভব নয়।
‘জনপ্রত্যাশা পূরণ না করে সংসদ চালালে জনগণ তা মেনে নেবে না। ক্ষমতায় বসে জনমত উপেক্ষা করলে দেশের মানুষ তা হতে দেবে না। প্রয়োজন হলে আরেকটি গণভোট আয়োজন করা প্রয়োজন।’
আরও বক্তব্য দেন জামায়াতের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ। তিনি দাবি করেন যে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ছাড়া বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশে ফিরতে পারতেন না। ক্ষমতার স্বাধীনতা দিয়ে তাঁরা গণহত্যাকারীদের সমর্থন করছেন এবং জুলাইয়ের শহীদদের স্মরণ ভুলে গেছেন।
সভাপতির কথায় সরকার যদি অভ্যুত্থানের শহীদদের হত্যার প্রতি কোনো কার্যকর বিচার করে না, তবে আরেকটি বিপ্লবের মাধ্যমে তাদের বিচার হবে।
