কোরআনের আলোয় সন্তানের সঙ্গে বাবার সম্পর্ক
ক রআন র আল য় সন ত – কোরআন মাজিদ এর মাধ্যমে পিতৃত্বের বিভিন্ন দিক বিস্তারিত করেছে এবং সাধারণ কৃত্রিম কাজ বাদে অনেক প্রকারের বাবা ও তাঁদের সন্তানের সাথে সম্পর্ক দেখানো হয়েছে। এই মাজিদ থেকে সাতটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করা যায়:
১. আদর্শ বাবার চিত্র কোরআনে প্রধানত রেখেছে
বিশেষ করে কোরআন সন্তানদের সাথে সম্পর্কে সততা ও আদর্শের ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করেছে। তা প্রমাণ করে যে পিতৃত্ব কল্যাণ এবং সততার প্রতীক। যেমন নুহ (আ.), ইব্রাহিম (আ.), ইয়াকুব (আ.) এবং লোকমান (আ.) পিতার প্রতীক হিসেবে দেখা যায়। অন্যদিকে আজর নামক ইব্রাহিম (আ.)-এর পিতা সন্তান এবং তার সাথে যে অন্যায় করেছিলেন তা পথভ্রষ্ট পিতার একটি উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
২. সন্তান গঠনে পিতা সরাসরি ভূমিকা রাখেন
কোরআন যে সব পিতা সন্তানের উন্নতি করার জন্য সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন তা অনেক দৃষ্টান্তের মাধ্যমে দেখা যায়। নুহ (আ.)-এর ক্ষেত্রে তাঁর অবাধ্য সন্তানকে প্লাবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত রক্ষা করার প্রচেষ্টা; ইয়াকুব (আ.)-এর সন্তানদের প্রতি যে স্থায়ী দিকনির্দেশনা প্রদান করেছিলেন তা প্রমাণ করে যে বাবা সন্তানদের জীবন গঠনে অবশ্য অংশ নেন। লোকমান হাকিমের সন্তানকে তাওহিদ ও নৈতিকতা শিক্ষা দেওয়া একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।
৩. পিতৃত্ব ত্যাগ ও সহনশীলতার প্রতীক
কোরআন পাতার উল্টানো হয় তবু পিতৃত্বের মূল ভিত্তিকে সংগ্রাম ও কষ্টের সাথে যুক্ত করেছে। সন্তানকে সঠিক পথে নিয়ে যাওয়া বা তাদের আচরণে নিয়ন্ত্রণের জন্য যে বাবার কতটা সাহস ও সহিষ্ণুতা দরকার হয় তা নুহ, ইব্রাহিম ও ইয়াকুব (আ.)-এর জীবনের মধ্যে প্রমাণিত হয়েছে।
৪. সন্তানের কৃতজ্ঞতা পিতা কর্তৃক সৃষ্ট হয়
এর বিপরীতে পিতা তাদের জীবনে কৃতজ্ঞতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আল্লাহ–তাআলা সন্তানদের প্রতি অনুগত থাকাকে ফরজ করেছেন যেহেতু পিতার অপরিমিত ত্যাগ সুস্থ বিবেকের জন্য অপরিহার্য। ফকিহ আবু লাইস সমরকন্দি (রহ.) লিখেছেন, যদি কোরআনে পিতা-মাতার অধিকারের কথা না বলতেন, তবু মানুষের সুস্থ বিবেক বলে দিত যে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা জরুরি।
৫. সংলাপ করে সন্তানদের কাছে শিক্ষা দেওয়া আলোচনার মাধ্যমে হয়
কোরআনে বাবা এবং সন্তানের মধ্যে শারীরিক নির্যাতন বা জোরজুলুম করার বিষয়ে কোনো আদর্শ বাবার �
