স্বাস্থ্যমন্ত্রী উপেক্ষা করেছেন, স্পিকার বলেন ‘সো বিজি’
স ব স থ যমন ত র – জাতীয় সংসদে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে মতামত প্রকাশ করছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য বিলকিস ইসলাম। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেনের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য তাঁকে কথা কাটাকাটি করেন। মন্ত্রী কোনও কথা শুনছিলেন না, সেই কারণে স্পিকার দুবার ‘মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী’ বলে তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। মন্ত্রী সতর্ক হলে স্পিকার বলেন, ‘সদস্য আপনি তো বক্তব্য রাখছেন, একটু দয়া করে শুনুন।’
‘মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী’ বলে দুবার কথা বলেন স্পিকার। কিন্তু স্বাস্থ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্য খেয়াল করেননি।
এ ঘটনা ঘটে জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালি বিধির ৭১ তম বিধির আলোচনার সময়। পরে বিলকিস ইসলাম তাঁর নোটিশের বিষয়ে মত ব্যক্ত করেন।
মুঠোফোনের ব্যবহারে সংসদে হাসির রোল ওঠে
আজ সংসদে বিল আলোচনার পরিবেশে মুঠোফোন ব্যবহারে সংসদ সদস্যদের সতর্ক করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। এ সময় একজন সদস্য ফোন ব্যবহার করছিলেন, সেই জন্য স্পিকার তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি বলেন, ‘সংসদে কেউ কেউ টেলিফোন ব্যবহার করেন একটা আড়াল রেখে। আপনি তো খুল্লাম খুল্লা ইউজ করছেন।’
‘অনুগ্রহ করে সংসদে ফোন ব্যবহার করবেন না। এটি রীতিবিরুদ্ধ। এটি সবার জন্য প্রযোজ্য। সংসদের মর্যাদা সমুন্নত রাখবেন, এটাই আমি আশা করি।’
অপর একটি ঘটনায় কুষ্টিয়ার নদীপথে নৌ পুলিশের থানা স্থাপনের দাবি জানানো হয়। ফরিদা ইয়াসমিন, সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রীকে সেই বিষয়ে সতর্ক করেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ জানতে চান যে সদস্য নৌ পুলিশের থানা চাইছেন কিনা।
‘মাননীয় প্রাণিসম্পদমন্ত্রী, আপনার আন্ডারে আছে নাকি থানা–পুলিশ? কিছু উত্তর দিন।’
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আমিন উর রশিদ বলেন, ‘না, মুরগি নিয়ে আছি, পুলিশ আমার সাথে নাই।’ মন্ত্রীর এই জবাবে সংসদে হাসির রোল বেড়ে ওঠে। তবে তিনি আরও বলেন যে এলাকায় কেউ রিজার্ভের মাছ ধরলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কিছু পুলিশ পাঠানোর অনুরোধ করত
