Uncategorized

পাকিস্তানের সিন্ধুতে শিশুদের মধ্যে কেন এইচআইভি ছড়াচ্ছে

সিন্ধুতে শিশুদের মধ্যে এইচআইভি ছড়ানোর পটভূমি প ক স ত ন র স - পাকিস্তানের সবচেয়ে জনপ্রিয় শহর করাচিতে সিন্ধু প্রদেশের একটি সরকারি হাসপাতালে এইচআইভি সংক্রমণ

Desk Uncategorized
Published July 18, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

সিন্ধুতে শিশুদের মধ্যে এইচআইভি ছড়ানোর পটভূমি

প ক স ত ন র স – পাকিস্তানের সবচেয়ে জনপ্রিয় শহর করাচিতে সিন্ধু প্রদেশের একটি সরকারি হাসপাতালে এইচআইভি সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে, যাতে কমপক্ষে ১৩০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। বেশির ভাগ আক্রান্ত হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া শিশুদের মধ্যে। সেসি পরিচালিত কেবিভি হাসপাতাল ও তার আশেপাশে অঞ্চলে এই সংকট আগে থেকে চালু ছিল।

প্রাদেশিক শ্রমমন্ত্রী সাঈদ গনি বলেন, চলতি সপ্তাহের শুরুতে এই হাসপাতালে পরীক্ষা করা হয়েছে সাড়ে ১০ হাজার মানুষের বেশি। তার মধ্যে ১২০ জনের শরীরে এইচআইভি শনাক্ত করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, এই সংকটের প্রমাণ সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে বেড়েছে।

গত বছরের নভেম্বরে প্রথম তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। বিষয়টিতে ১৬ জন শিশুর এইচআইভি শনাক্ত হয়েছিল। এই শিশুগুলো হাসপাতালের শিশু বিভাগের কোনো সময়ে চিকিৎসা গ্রহণ করেছিল। গত ১৯ জুন দ্বিতীয় তদন্ত বিষয়ে প্রাদেশিক ন্যায়পালে আবেদন করা হয়। প্রতিবেদনে প্রমাণ পেয়েছেন ৭৮ জন আক্রান্ত ও ৬ জন মৃত্যুর খবর।

আরও বেশি সংক্রমণ সন্ধানে তদন্ত চালানো হচ্ছে

গত সপ্তাহে মুখ্যমন্ত্রী মুরাদ আলী শাহকে দুটি তদন্তের বিষয়ে জানানো হয়। তার মধ্যে বড় ধরনের গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেছে। যেমন সুরক্ষাসামগ্রী ব্যবহারে বিপাক দেখা গেছে, সিরিঞ্জ বারবার ব্যবহারের কারণে সংক্রমণ ছড়িয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।

তিনি বলেন, ‘নতুন রোগী পাওয়া যেতে পারে, কিন্তু পরীক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া হবে।’

সেসি হলো স্বায়ত্তশাসিত প্রাদেশিক সংস্থা। সিন্ধু প্রদেশজুড়ে শিল্প ও বাণিজ্য খাতের শ্রমিক এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের স্বাস্থ্য ও আর্থিক সহায়তা দিয়ে থাকে। সেসির কেন্দ্রগুলোতে নতুন করে আরও অনেকের শরীরে সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।

পাকিস্তানে এইচআইভি মহামারির হার বেড়েছে। ২০১০ সালে বার্ষিক আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৬ হাজার, যা ২০২৪ সালে ৪৮ হাজারে দাঁড়িয়েছে। ডব্লিওএইচও এবং ইউএনএইডস পাকিস্তানে এই সংকটকে পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল এইচআইভি মহামারি হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

বিশ্ব এইডস দিবস উপলক্ষে গত ১ ডিসেম্বর দুটি সংস্থা একটি যৌথ বিবৃতি জারি করে। বিবৃতিতে দাবি করা হয়, পাকিস্তানে প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষ এইচআইভি নিয়ে বেঁচে আছেন। এর মধ্যে ৮০ শতাংশ মানুষ বিষয়টি জানে না।

Leave a Comment