এসি ত্রুটিপূর্ণ ফ্লাইট: যাত্রীদের সামিয়া রেজা শতাব্দী ও টিটু সাহা ভোগান্তি বর্ণনা
ত র ট প র ণ এস – গত রোববার ঢাকা থেকে চেন্নাইয়ে যাওয়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের বিএস-২০৫ ফ্লাইটে অনেক যাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। বিমানটিতে যাত্রী ছিলেন ১৮৮ জন। তবে বিমানের শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ঠিকমতো কাজ করছিল না। ফ্লাইটটি সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে ছাড়ার কথা ছিল, কিন্তু বেশ কয়েক দফা বিলম্বের পর সেটি সন্ধ্যা ৬টা ১৬ মিনিটে ঢাকা ত্যাগ করে। এ ঘটনা নিয়ে সামিয়া রেজা শতাব্দী ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন।
আক্রান্ত বোন নিয়ে চিকিৎসার জন্য যাওয়া যাত্রী
সামিয়া রেজা শতাব্দী বলেন, তাঁর অ্যাজমায় আক্রান্ত বোনকে চিকিৎসার জন্য চেন্নাইয়ে যাচ্ছিলেন। বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে তাঁরা বিমানে ওঠেন। এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে বিমানটি মেরামতের কাজ চালানো হয়। তবে এসি সম্পূর্ণ সচল হয়নি।
‘বিমানের এসি ঠিকমতো কাজ করছিল না। যাত্রীরা বেশির ভাগই ছিলেন রোগী বা তাঁদের স্বজন। গরমে সবাই হাতে থাকা কাগজ, টিকিট বা লিফলেট দিয়ে বাতাস নিচ্ছিলেন যাতে অল্প সময়ের জন্য শারীরিক অস্বস্তি দূর হয়।’
অক্সিজেন প্রদান ও ভোগান্তি
যাত্রীরা অনেক সময় এসি ত্রুটি নিয়ে আশ্চর্য হন। এক পর্যায়ে তাঁর বোনের শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। তখন কেবিন ক্রু তাঁকে অক্সিজেন দেন। বিমানের ভেতরে অনেক যাত্রী শারীরিক অস্বস্তিতে পড়েন। আরেকজন যাত্রী টিটু সাহা বলেন, ‘আমরা বাতাস নিচ্ছিলাম হাতে থাকা কাগজ দিয়ে যেন অল্প ক্ষণের জন্য হাঁপানি কমে।’
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের স্বীকৃতি
বাংলাদেশের বেসরকারি বিমান পরিবহন সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষ এসি ত্রুটি স্বীকার করেছেন। মহাব্যবস্থাপক কামরুল ইসলাম বলেন, ‘বিভিন্ন কারণে ফ্লাইট বিলম্ব হয়েছিল। এসি সচল ছিল, কিন্তু শতভাগ কাজ করছিল না।’
‘এসি পুরোপুরি সচল না থাকার বিষয়টি জানা থাকা সত্ত্বেও কেন বিকল্প বিমান ব্যবস্থা করা হলো না বা ফ্লাইট স্থগিত করা হলো না?’ সামিয়া রেজা শতাব্দী প্রশ্ন তুলেছেন।
