রাজশাহীতে ইউনিয়ন নির্বাচনে শ্রমিক দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদ, বাস বন্ধ হয়েছে
র জশ হ ত ইউন য়ন র – রাজশাহী জেলার মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শ্রমিকদের মধ্যে আলোচনা ও প্রতিক্রিয়ার ঝড় ছড়িয়ে পড়েছে। সংগঠনটির নির্বাচন দাবি করে আসছেন অধিকাংশ সদস্য। তবে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ভেদাভেদ ঘটছে এবং এ ঘটনায় আন্তঃজেলা বাস চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।
আজ সোমবার রাত ৮টা থেকে বাস চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। সেই বিষয়ে জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম নির্বাচনি কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, কিন্তু শ্রমিকদের কমিটি গঠন করতে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি। তাই এখন বাস সেবা বন্ধ রাখার ঘোষণা করা হয়েছে।
পরিচালনা কমিটি গঠনের দাবি করছেন শ্রমিক নেতা রফিকুল ইসলাম (পাখি) এবং তাঁর অনুসারীদের বিরুদ্ধে টার্মিনালে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে বাস চলাচল বন্ধ রাখার কথা বলছেন শ্রমিকদের এক পক্ষ। আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে সব রুটে বাস বন্ধ থাকবে।
এ নিয়ে জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম বলেন, “শ্রমিকদের একটা অংশ সাধারণ সভা করে নির্বাচনী কমিটি গঠন করতে চান। কিন্তু তাঁদের কমিটি না থাকার কারণে এখন তো সেটা সম্ভব নয়। পক্ষপাত করার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। তাঁরা দাবি করলে করতেই পারে। বিষয়টি কীভাবে সমাধান করা যায় সেটা আমরা দেখছি।”
রাজশাহী সড়ক পরিবহন গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম (হেলাল) এ সম্পর্কে জানতে চাইলে বলেন, “মিটিং হলে সেখানে কথা-কাটাকাটি হতেই পারে। এর জেরে বাস বন্ধ রাখা কিংবা চেম্বারে হামলা করা ঠিক না। কিন্তু এটিই করা হয়েছে। তারা আমার চেম্বারে হামলা-লুটপাট করে বাস চলাচল বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে। তবে আমরা মালিকপক্ষ। আমরা বলছি, বাস চলাচল করবে।”
শ্রমিক নেতারা দুই পক্ষে বিভক্ত। যাঁদের পক্ষে নির্বাচন দাবি করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে গত ২৩ এপ্রিল হামলার ঘটনা ঘটে। এরপর শ্রমিকদের সাধারণ সভা করে নির্বাচনী কমিটি গঠন করতে আহ্বায়ক রফিকুল ইসলামের অনুসারীদের বিরুদ্ধে টার্মিনাল হাঙ্গামা ঘটে।
সড়ক পরিবহন ফেডারেশন রাজশাহী জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নে নতুন কমিটি ঘোষণা করে। এ কমিটি প্রত্যাখ্যান করে শ্রমিকরা গত মে মাসে কয়েক দফা ধর্মঘট করে। এরপর ডিসি গিয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, ঈদের পর নির্বাচন হবে।
সেই সভার পর দুই পক্ষের শ্রমিক নেতারা শিরোইল বাস টার্মিনাল এলাকায় আসেন এবং উত্তেজনা দেখা দেয়। ক
