Uncategorized

এলডিসি থেকে উত্তরণে বাড়তি তিন বছর সময় নেওয়া বিলাসিতা নয়: উপদেষ্টা তিতুমীর

বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি থেকে উত্তরণে বাড়তি সময় দাবি: উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এলড স থ ক উত তরণ ব - জাতিসংঘের সদর দপ্তরে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের

Desk Uncategorized
Published July 14, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি থেকে উত্তরণে বাড়তি সময় দাবি: উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর

এলড স থ ক উত তরণ ব – জাতিসংঘের সদর দপ্তরে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, বাংলাদেশ এবং নেপাল স্বল্পোন্নত দেশগুলোর উত্তরণের সময় আরও তিন বছর বৃদ্ধির দাবি জানাচ্ছে। তিনি জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ইকোসক) এর অধিবেশনে এ কথা ঘোষণা করেন।

“এলডিসি গ্রুপ টেকসই উন্নয়নের জন্য ২০৩০ এজেন্ডা এবং দোহা কর্মসূচির প্রতি তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছে। এই দুটি কাঠামো স্বল্পোন্নত দেশগুলোর টেকসই, সহনশীল উন্নয়ন এবং সুষ্ঠু ও টেকসই উত্তরণের পথনির্দেশক হিসেবে কাজ করছে।”

উপদেষ্টা বলেন, স্বল্পোন্নত দেশগুলো বর্তমানে এলডিসি বিভাগে উত্তরণের প্রক্রিয়ায় অবতরণ করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্ব ও অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে উত্তরণের পথ প্রসারিত করার জন্য কৌশলগত কারণে অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে আজ সোমবার আয়োজিত অধিবেশনে ইকোসকের প্রেসিডেন্ট লোক বাহাদুর থাপা সভাপতি হন।

প্রাথমিক দাবি ও প্রতিক্রিয়া

উপদেষ্টা তিতুমীর উল্লেখ করেন, স্বল্পোন্নত দেশগুলোর উত্তরণের সময় বিলম্ব করা সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সহায়তা করে। এছাড়া সংস্কারের কাজ সম্পন্ন করার জন্য কৌশলগত প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করতে হবে।

২০৩০ এজেন্ডা ও দোহা কর্মসূচির বিষয়ে অঙ্গীকার

তিনি জানান, বর্তমানে ১৪টি এলডিসি ভিন্ন ভিন্ন পর্যায়ে উত্তরণ প্রক্রিয়ায় অবতরণ করেছে। স্বল্পোন্নত দেশগুলো জাতিসংঘের সহায়তার জন্য ধারাবাহিক সমর্থন বিবেচনা করে। উপদেষ্টা বলেন, এসব চ্যালেঞ্জ কেবল ২০৩০ এজেন্ডা বাস্তবায়নকে ব্যাহত করছে না, বরং দোহা কর্মসূচির প্রয়োজনীয়তা পর্যন্ত ঝুঁকি বৃদ্ধি করছে।

৫টি প্রাথমিক প্রতিশ্রুতি

বিশেষ আলোচনায় উপদেষ্টা পাঁচটি ক্রমবর্ধমান অগ্রাধিকার তুলে ধরেন:

১. অর্থায়ন বৃদ্ধির প্রয়োজন

প্রথমত, পূর্বানুমানযোগ্য এবং স্বল্পসুদে ঋণ সহ সুবিধাজনক অর্থায়ন বৃদ্ধি করা আবশ্যক। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও উৎপাদন সক্ষমতা বিষয়ে বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন।

২. আন্তর্জাতিক আর্থিক কাঠামো সংস্কারের আহ্বান

দ্বিতীয়ত, স্বল্পোন্নত দেশগুলোর কাঠামোগত দুর্বলতা কে যথাযথভাবে বিবেচনায় নিয়ে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা সংস্কার করা আবশ্যক। ঋণ পরিশোধে স্থগিতাদেশ এবং আরও ন্যায্য অর্থায়ন ব্যবস্থা প্রস্তুত করতে হ

Leave a Comment