মার্কিন নৌ অবরোধ ও ইরানের প্রতিবাদ
ইর ন র ওপর আব রও ম – হরমুজ প্রণালি আবারও বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। এ ঘোষণার পরে সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন যে তিনি প্রণালিটি আবারও নিয়ন্ত্রণ করবেন। তিনি বলেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন হলে সেই দায়িত্ব পালনের জন্য হরমুজ প্রণালিতে চলাচল করা প্রতিটি পণ্যবাহী জাহাজ থেকে ২০ শতাংশ হারে অর্থ আদায় করা হবে।
“হরমুজ প্রণালির অভিভাবক” হিসেবে পরিচিত হবে যুক্তরাষ্ট্র। অভিভাবক হিসেবে চলাচল করার জন্য আমাদের অর্থ দেওয়া উচিত।”
ট্রাম্প বলেন, ইরান অন্তর্বর্তী সমঝোতা চুক্তি ভঙ্গ করেছে। তিনি বলেন, “চুক্তি হয়ে গিয়েছিল; কিন্তু তারা তা ভেঙেছে। তারা সব সময় চুক্তি ভাঙে। তাদের সঙ্গে আমাদের ১০টি চুক্তি হয়েছে। তাই এবার আমরা তাদের ওপর খুব কঠোর হামলা চালাব।”
ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ডের মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাঘারি সতর্ক করে বলেন, হরমুজ প্রণালি ব্যবস্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ভূমিকা থাকতে পারে না। ইরানের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা বা রসদ সরবরাহ তাদের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে যুদ্ধ হিসেবে গণ্য হবে। এ যুদ্ধে পুরো অঞ্চল সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে।
গতকাল রোববার ইরান প্রণালি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছিল। সোমবার দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষ আরও তীব্র হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে গত সপ্তাহে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনা দ্বারা নতুন করে সংঘাতের সূচনা হয়েছে।
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) আজ বাহরাইন ও কুয়েতে মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে যে তারা ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, উপকূলীয় রাডার, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা ব্যবহার করে দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।
গত মাসের মাঝামাঝি স্বাক্ষরিত অন্তর্বর্তী সমঝোতার আওতায় হরমুজ প্রণালি খুলে দেও
