পাবলো নেরুদার জন্মবার্ষিকী শ্রদ্ধা
কব ত ক হত প র সবচ – প্রতি বছর ১২ জুলাই পাবলো নেরুদার জন্মবার্ষিকীতে আমরা তাঁর সাহিত্যিক উত্থান স্মরণ করি। সোয়া শত বছর আগে বিপজ্জনক অস্ত্রের মতো অসামান্য উপলব্ধি তৈরি করে তিনি বিশ্ব জুড়ে অসংখ্য পাঠকের হৃদয় জয় করেছেন। তাঁর কবিতা বিশ্বের সমকালীন প্রতিধ্বনি হিসেবে বাস্তবতা প্রতি বিশ্বাস ও সামাজিক ন্যায়বিচার উপস্থাপন করে। প্রতিবছর জন্মদিনে তাঁর প্রভাব সীমান্ত ও সময়ের সীমার বাইরে বিস্তার পেয়েছে।
জীবনের উৎস ও শৈল্পিক প্রতিভা
নেরুদার জন্ম হয়েছিল চিলির পাররালে। তাঁর প্রকৃত নাম রিকার্দো এলিয়েসের নেফতালি রেয়েস বাসোয়াল। প্রথম বছরে তাঁর মা রোসা নেফতালি বাসোয়াল তেমুকোতে চলে যান, এবং তাঁর বাবা হোসে দে কারমেন রেয়েস মোরালেস তাঁকে ছেড়ে দেন সেখানে। তিনি একজন ভিক্টর হুগো ও শার্ল বোদলেয়রের সাহিত্যিক বিশ্বাসের ধারক হিসেবে উপলব্ধি লাভ করেন। কিশোর বয়সে তিনি স্থানীয় সংবাদপত্রে প্রবন্ধ লিখতেন এবং কবিতা প্রকাশ করেন সেই সময়ে নতুন নাম পাবলো নেরুদার প্রথম বই ক্রেপুস্কুলারিও প্রকাশিত হয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শুরু করার পর।
তিনি উপভোগ করতেন দৈনন্দিন জীবনের কবিতার ‘অশুদ্ধতা’: ‘যেন হাতের শ্রমে অ্যাসিডে ক্ষয় হয়ে গেছে, ঘাম ও ধোঁয়ায় ভিজে আছে, লিলি ও প্রস্রাবের গন্ধে মিশে আছে, আমাদের বৈধ বা অবৈধ কাজের বৈচিত্র্যে ছিটকে পড়েছে।’
সমাজের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়া
বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষ করার পর নেরুদা প্রথম কবিতার প্রকাশ করেন। বইটার কবিতাগুলোয় ফরাসি কবি শার্ল বোদলেয়র এবং প্রতীকবাদী সাহিত্যকর্মের নান্দনিকতার ছাপ ছিল। তাঁর জীবনে আরও অসংখ্য কবিতা, নাটক, উপন্যাস, প্রবন্ধ ও অনুবাদ জন্ম দেয়। এছাড়া তাঁর রচনা রাইনার মারিয়া রিলকে থেকে শেক্সপিয়ারের রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে।
তাঁর নাম পাবলো নেরুদা বেছে নেন যাকে বিশ্বাস করেন বাবার প্রভাববলয় থেকে মুক্তির ঘোষণা। কবিতা লিখতেন সবুজ কালি দিয়ে, যেটাকে তিনি বলতেন ‘আশার রং’। নেরুদার জীবনে আরও নতুন কোনো উপাদান ছিল না বলে মনে হয়, তবে তিনি এমন একজন কবি ছিলেন যাঁকে হাজারো ছাত্র, শ্রমিক, প্রেমিক-প্রেমিকা, কৃষক ও সৈনিক সদস্যরাও ভালোবাসতেন।
রাজনৈতিক জীবন ও বন্ধুত্ব গঠন
১৯৩৩ সালে লোরকার সঙ্গে তাঁর
