গত পাঁচ দিন ধরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি অবিরত থাকতে পারে
ভ র ব ষ ট চলত প – দেশজুড়ে গত প্রায় পাঁচ দিন ধরে বৃষ্টি চলছে যা আজ শুক্রবারও পরিবর্তন হবে না বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর অনুমান করেছে। অন্তত চারটি বিভাগের এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে এবং চট্টগ্রাম বিভাগে পাহাড় ধসে কমপক্ষে ৩০ জন মানুষ মারা গেছেন। অনেক স্থানে সড়ক যোগাযোগ বিপর্যস্ত হয়েছে।
আবহাওয়া বিদ পরিস্থিতি ও মৌসুমী বায়ুর প্রভাব
আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা বলেন, প্রথম প্রাথমিক কারণ ছিল বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ। কিন্তু তা চলে গেছে। এখন বৃষ্টির প্রধান কারণ মৌসুমী বায়ু যে সক্রিয় হয়েছে। এই বায়ুর প্রভাব সর্বত্র দেখা যাচ্ছে।
“আজ সারাদিন দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। যখন কোন এলাকায় ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হয় তখন তাকে ভারী বৃষ্টি বলে। এর বেশি হলে তাকে অতিভারী বৃষ্টি বিবেচনা করা হয়।”
গত চার দিনে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, বান্দরবান, রাঙামাটি, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জ সহ বিভিন্ন জেলায় অতি ভারী বৃষ্টি হয়েছে। সর্বোচ্চ পরিমাণ চট্টগ্রামে রেকর্ড হয়েছে যেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় সকাল ছয়টা থেকে আজ ছয়টা পর্যন্ত কোনও এলাকায় পরিমাণ হয়েছে ২১৪ মিলিমিটার। আজ রাজধানীতে সকাল ছয়টা থেকে সকাল নয়টা পর্যন্ত বৃষ্টির পরিমাণ হয়েছে ১৫ মিলিমিটার।
বৃষ্টির প্রভাব ও পরিস্থিতির আগামী দিন
আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক বলেন, আগামী দিনগুলি বৃষ্টি অবিরত থাকবে এবং কোথাও কোথাও অতি ভারী পরিমাণ হতে পারে। তিনি জানান, চারটি বিভাগ অর্থাৎ খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম এবং সিলেটে বৃষ্টির পরিমাণ বেশি হবে। টানা বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম সহ ছয়টি জেলায় পানিবন্দী হয়েছে লাখো মানুষের জন্য।
“চট্টগ্রাম নগরে জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে কিন্তু শমসের পাড়াসহ কিছু এলাকায় এখনো পানি জমে রয়েছে। রেলপথ থেকে পানি না কমায় আজ শুক্রবার পর্যন্ত কক্সবাজারের সঙ্গে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে বলে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনমাস্টার আবু জাফর মজুমদার জানিয়েছেন।”
পাহাড়ধসে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ৩০ জনের কথা জানান সংসদে দুর্যোগ ব্যবস্থা�
