মামাবাড়ির স্মৃতি: ম ম ব ড় র স নিয়ে আনন্দময় মনে পড়ে
ম ম ব ড় র স ম – ম ম ব ড় র স ম আমার ছোট বয়সের স্মৃতির মধ্যে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছায়া হিসেবে উপস্থিত হয়েছিল। বয়স বাড়তে থাকলে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে—মানুষ জায়গাকে ভালোবাসে না, জায়গার মানুষগুলোকে ভালোবাসে। যখন মানুষগুলো হারিয়ে যায়, তখন জায়গাগুলো ধীরে ধীরে স্মৃতির আবরণে ঢাকা পড়ে। মামাবাড়ি ম ম ব ড় র স হিসেবে আমার প্রাচুর্যের স্থান।
স্বাধীনতার বিশেষ ক্ষেত্র
আমার চার মামা ছিল। সবাই খুলনায় থাকতেন। বছরের পর বছর স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষার জন্য অপেক্ষা করতাম পিরোজপুরে লঞ্চে যাওয়ার জন্য। পরীক্ষা শেষ হলে স্বাধীনতা মনে হতো, আর স্বাধীনতা ছিল ম ম ব ড় র স এর মামাবাড়ি যাওয়া নাম। সেই যাত্রাটা এক ধরনের উৎসবের মতো ভাবতাম।
বিশাল লঞ্চে পিরোজপুর থেকে বাগেরহাট হয়ে রূপসা পর্যন্ত যেতে হতো। যাত্রার মাঝপথে কয়েকটি ফেরি পার হতে হতো। যাত্রাটা আরামদায়ক ছিল না, কিন্তু মামাবাড়ি যাচ্ছি—এই আনন্দের কাছে সব ক্লান্তি তুচ্ছ হয়ে যেত। খুলনায় পৌঁছে বড় মামার বাসায় ঢুকেই আসত ধোঁয়া ভরা ভাত আর মুরগির মাংসের গন্ধ। মামির ঘরের পাশে মামাতো বোনগুলো গল্প করত। আমি সেখানে চুপি চুপি বসে থাকতাম, কথা বলতাম কম।
খুব আগে থেকেই যেন স্মৃতিতে পরিণত হয়েছে জায়গাগুলো। কাউখালী ঘাটে এলেই হকাররা বড় সাগর কলা লঞ্চে নিয়ে আসত। তার স্বাদ যেন আমার জিভে লেগে আছে। কলা থেকে এক ধরনের মিষ্টি ঘ্রাণ বের হতো, আর দুটি কলা খেলে পেট ভরে যেত। কাউখালী ছিল আমার জন্মের অপরিহার্য কিছু। ম ম ব ড় র স স্মৃতির মধ্যে তার প্রাচুর্য আছে।
সব বছর পরও যখন কাউখালীর নাম শুনি, তখন সাগর কলার কথা মনে পড়ে। ম ম ব ড় র স ছিল আমার বাসার হৃদয়ের আঁকাবাঁকা স্পর্শ।
মামার বাসার প্রতিটি কোণে স্মৃতি
বড় মামার বাসার সামনে একটি গাছ ছিল। সেই গাছটির দিকে হাত ছুড়েছিলাম কত বার। তখন ছিল ভিসিআরের যুগ, টেলিভিশন থেকে সিনেমা দেখা আমার জন্য বিরাট আনন্দের ব্যাপার
