Uncategorized

নবীজি (সা.) যেভাবে নামাজের সময়সূচি শিক্ষা দিয়েছেন

নবীজি (সা.) নামাজের সময়সূচি শিক্ষার জন্য কী পদ্ধতি অবলম্বন করেছিলেন নব জ স য ভ ব ন - এক সাহাবি নামাজের সময়সূচি জানতে চাইলেন। তখন নবীজি (সা.) তাঁকে মৌখিক

Desk Uncategorized
Published July 10, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

নবীজি (সা.) নামাজের সময়সূচি শিক্ষার জন্য কী পদ্ধতি অবলম্বন করেছিলেন

নব জ স য ভ ব ন – এক সাহাবি নামাজের সময়সূচি জানতে চাইলেন। তখন নবীজি (সা.) তাঁকে মৌখিক উত্তর দিলেন না। তিনি তাঁকে সেদিন যেতে দিলেন না। দুই দিন সাহাবিকে তিনি নিজের কাছে রেখে দিলেন। এই দুই দিনে তাঁর হাতে–কলমে শিক্ষা দেওয়া হলো।

প্রথম দিন দুপুরে সূর্য পশ্চিম আকাশে ঢলে পড়লে নবীজি (সা.) বেলালকে জোহরের আজান দিতে বললেন। বেলাল (রা.) আজান দিলেন। ইকামতে নামাজ হলো জোহরের। ইতিমধ্যে সূর্য ঝলমল করছে আলোয় আর সেই সময় আসরের আজানের বার্তা দিলেন নবীজি (সা.)। সাহাবিদের মধ্যে বেলালের ইকামতে আসরের নামাজ পড়া হলো। রাতে ইশার নামাজ শেষে মদিনার পরিস্থিতি অন্ধকারে আবৃত হয়ে যায়। মুসলিম জনপদ ঘুমিয়ে পড়ে। প্রশ্নকর্তা সাহাবিও কারও বাড়িতে মসজিদের আশপাশে নিদ্রা হারিয়ে যান।

‘আপনি দুই দিন আমাদের সঙ্গে নামাজ পড়ুন, তখন সব বুঝে যাবেন।’

দ্বিতীয় দিন নবীজি (সা.) জোহরের নামাজ বেশ দেরিতে পড়লেন, কারণ রোদের তাপ আরামদায়ক হয়ে গেছিল। আসরের নামাজ পড়া হলো সূর্যের গায়ে কমলা রং ধরার আগে। মাগরিবের নামাজ পড়া হলো সূর্যাস্তের লাল আভা ডুবে যাওয়ার খানিক আগে। ইশার নামাজ হলো রাতের এক–তৃতীয়াংশ অতিবাহিত হওয়ার পর। ফজরের নামাজ হলো পূর্ব দিগন্ত পরিষ্কার হতে শুরু করার সময়।

আস-সুফফা: মদিনার একটি আবাসিক শিক্ষালয়

মদিনায় নবীজি (সা.) আবাসিক মাদ্রাসা হিসাবে পরিচিত আস-সুফফা ছিল। সেখানে শিক্ষাদানে তিনি নির্দিষ্ট করেছিলেন যে শিক্ষার্থী যত কম বুদ্ধিমান হোক না কেন, তাঁর কোনও ভুল হবে না। যখন শিক্ষার্থী নিজের জীবনের সময়সূচি মুখে মুখে শিখে নিয়েছিলেন, তখন তাঁর কোনও ভুলের উপায় ছিল না।

এই পদ্ধতি দিয়ে নবীজি (সা.) স্থান-সময়-পাত্র অনুযায়ী একেক সাহাবিকে স্বতন্ত্রভাবে শিক্ষাদান করতেন। তিনি চাইলে সাহাবির প্রশ্নের উত্তর মুখে মুখে দিতে পারতেন, কিন্তু তিনি তা করেননি।

Leave a Comment