কক্সবাজার সৈকতে গুপ্তখালের ঝুঁকি, উদ্ধারে ডুবুরি নেই
কক সব জ র স কত র – শনিবার সকালে কক্সবাজার সৈকতে ভারী বৃষ্টি চলছিল বলে সুগন্ধা পয়েন্টে পর্যটকদের গোসল করতে বাধা দেওয়া হয়েছিল। তবে এ বিষয়ে সতর্কতা অমান্য করে উত্তাল সমুদ্রে ভেসে যেতে বাধা পেয়েছেন কয়েক হাজার নারী-পুরুষ। লাইফগার্ডদের চেষ্টার পরও বেশির ভাগ পর্যটক মুক্তি চাইছেন কিংবা আটকা পড়লে উদ্ধারের সম্ভাবনা নিয়ে সন্দেহ করছেন।
তিনি বলেন, সকাল ছয়টা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত সৈকতে সর্বাধিক ৪০ হাজার পর্যটক ছিলেন। প্রায় সাত দিন ধরে সমুদ্র উত্তাল রয়েছে এবং বর্ষণ অব্যাহত। এ কারণে অনেক গুপ্তখাল সৃষ্টি হয়েছে।
বিপজ্জনক এলাকার সূচনা করতে সেখানে অনেক লাল নিশানা ওড়ানো হয়েছে। তবে এগুলো কেউ আমলে নিচ্ছেন না। কোমরসমান পানিতে নেমে পর্যটকদের উঠে আসার জন্য সংকেত দিয়েছেন লাইফগার্ড মো. সেলিম উদ্দিন। কেউ কথা শুনছেন না দেখে তিনি বিরক্ত হয়ে উঠেছিলেন।
গুপ্তখালের বিস্তার
সি-সেফ লাইফগার্ড প্রতিষ্ঠানের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক ইমতিয়াজ আহমদ বলেন, কলাতলী থেকে লাবণী পয়েন্ট পর্যন্ত সৈকতের পাঁচ কিলোমিটার এলাকায় এখন কমপক্ষে ১৭টি গুপ্তখাল তৈরি হয়েছে। যেখানে গভীরতা ৬ থেকে ১০ ফুট। কলাতলী সৈকতে সাতটি, সুগন্ধায় পাঁচটি এবং সি–গাল ও লাবণী পয়েন্টে পাঁচটি গুপ্তখাল রয়েছে।
আমরা বিপজ্জনক এলাকার ঝুঁকি বোঝাতে সেখানে লাল নিশানা দিয়েছি। কিন্তু কেউ তা আমলে নিচ্ছেন না। পাশাপাশি গুপ্তখাল থেকে পর্যটকদের উদ্ধারে কোনো ডুবুরি সৈকতে নেই।
এ সৈকতে নেমে পড়া পর্যটকদের উদ্ধার তৎপরতা চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে লাইফগার্ডদের। তিনি বলেন, ভাটার সময় পানির নিচে স্রোতের টান বেড়ে যায়। তখন গলাসমান পানিতে নেমে গোসল করে যাওয়া পর্যটকরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়ছেন। গত দুদিনে এ ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে প্রায় ১০-১২ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।
দীর্ঘ সময়ের তথ্য
সি-সেফ লাইফগার্ড প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ থেকে এ বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত সমুদ্রে গোসলে নেমে মৃত্যু হয়েছে ৭৬ জন পর্যটকের। গত বছর মারা গেছেন তাঁদের মধ্যে কমপক্ষে ২৫ জন। স্রোতের টান কিংবা ঢেউয়ের ধাক্কায�
