মনোহরদীতে লুকিয়ে পুকুরে নেমে তিন শিশুর মৃত্যু
মন হরদ ত ল ক য় প – মনোহরদীতে লুকিয়ে পুকুরে নেমে তিন শিশুর মৃত্যু ঘটেছে শনিবার দুপুরে। নরসিংদী জেলার মনোহরদী উপজেলার খিদিরপুর ইউনিয়ন পরিষদসংলগ্ন একটি গভীর পুকুরে তিনজন শিশু হারিয়ে গেলে সেই স্থানে উপস্থিত হন মনোহরদী থানার উপপরিদর্শক মো. আবুল হোসেন। তিন শিশুর লাশ উদ্ধারের পর ঘটনার বিবরণ লিপিবদ্ধ করেন তিনি। ঘটনার প্রাথমিক তদন্ন চলছে এবং পুকুরে নেমে তিন শিশুর মৃত্যু নিয়ে কোনো অনুমান বা সন্দেহ নেই বলে আশা করা হচ্ছে। মনোহরদীতে লুকিয়ে পুকুরে নেমে তিন শিশুর মৃত্যু ঘটার পর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে স্থানীয় মানুষ ও আশাবাজী প্রকাশ করছেন।
তিন শিশুর বিশেষ পরিচয় ও পরিবারের বিবরণ
মৃত শিশুদের নাম হলো সুমাইয়া (১২ বছর), আশামনি (১২ বছর) ও ফাতেমা (১১ বছর)। সুমাইয়া ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার বাইশা গ্রামে মোফাচ্ছের আলীর মেয়ে। আশামনি ও ফাতেমা চর আহাম্মদপুর গ্রামে বাস করে। আশামনির পিতা হলো খিদিরপুর ইউনিয়নের তুহিন মিয়া, যিনি এই ঘটনার পর আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। ফাতেমার পিতা সাইফুল ইসলাম এবং মায়ের নাম বর্তমানে প্রকাশ করা হয়নি। তিন শিশু ছিল মাদ্রাসার ছাত্র, যাদের শিক্ষা সম্পর্কে কিছু বিশেষ তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
গৃহস্থ সামাজিক জানায়, বাড়ি ফেরার পর তিন শিশু খিদিরপুর ইউনিয়নের পুকুরে নেমে পানিতে ডুবে মারা যায়। বিস্তারিত তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় হাওয়া খুব গুরুতর হয়েছিল এবং পুকুরের পাড় বেশ খানিকটা অস্থির ছিল। এর কারণে শিশুরা বেশ দূরে গেলেও পুকুরে নেমে পানি খুঁজছিল। তাদের সদস্যরা কখনও সাঁতার জানায় না তাদের পুকুরে নামতে দেন না। তবে এই দুর্ঘটনার প্রায় সপ্তাহ আগে বিশেষ করে সুমাইয়া ও আশামনির পরিবারের সদস্যরা পুকুরে ডুবে মারা যাওয়ার আশঙ্কা জানিয়েছিলেন।
বিপর্যয় ঘটার পর পরিবারের ক্রন্দন
শনিবার দুপুর প্রায় ১২টার দিকে ঘটনা ঘটে। খিদিরপুর ইউনিয়নের পুকুরটি সম্পূর্ণ বেশ গভীর হওয়ায় তিন শিশুর লাশ পানিতে ভেসে ওঠে। পুলিশ ও স্থানীয় বাসিনদের সমন্বয়ে তিন শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়। পুকুরে নেমে তিন শিশুর মৃত্যু নিয়ে স্থানীয় বাসিনদের মধ্যে আশ্চর্য ভাবে ভাবনা সৃষ্টি করে। মনোহরদীতে লুকিয়ে পুকুরে নেমে তিন শিশুর মৃত্যু ঘটার পর স্থানী
