এইচএসসি পরীক্ষায় উপস্থিতির হার কমেছে বেশি
এইচএসস ত অন পস থ ত পর – উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি ও সমমান) পরীক্ষায় এবার অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা গত বছরের তুলনায় বেশি হয়েছে। পরীক্ষা দেওয়ার জন্য ফরম পূরণ করেছিলেন শিক্ষার্থীরা, কিন্তু গতকাল বৃহস্পতিবার পরীক্ষার প্রথম দিনে মোট ২৪ হাজার ৭৮৪ জন ছাত্র অনুপস্থিত ছিলেন। এই সংখ্যা গত বছর পরীক্ষার প্রথম দিনে রেকর্ডে ছিল ১৯ হাজার ৭৫৯ জন। পরের বছর সেই সংখ্যা ১৫ হাজার ২০৩ ছিল।
২০২৩ সালে আটটি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিল ৫ হাজার ৫২২ জন। সেই বছর বন্যার কারণে চট্টগ্রাম, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা পরে শুরু হয়েছিল। এবার নিয়মিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ না নেওয়ার হারও চিন্তার বিষয়। এ বছর নিয়মিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরীক্ষার জন্য ফরম পূরণ করেছেন প্রায় সাড়ে ৯ লাখ ছাত্র, অর্থাৎ একাদশ শ্রেণির নিবন্ধন করেছেন প্রায় ১৫ লাখ শিক্ষার্থীর মধ্যে সাড়ে ৫ লাখ পরীক্ষা দেওয়ার জন্য অংশ নেওয়া হয়নি।
সারা দেশে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার জন্য মোট ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই পরীক্ষায় নিয়মিত-অনিয়মিত মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন। এ পরিস্থিতির পেছনে বিদ্যমাধ্যমিক পরীক্ষার পদ্ধতি বা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার দুর্বলতা কারণ হতে পারে।
পরীক্ষা শেষে পরীক্ষাসংক্রান্ত দৈনন্দিন তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরীক্ষার হার এবার বেড়েছে। প্রথম দিনে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে বাংলা (আবশ্যিক) প্রথম পত্রের পরীক্ষায় ১৭ হাজার ২৩৩ জন অনুপস্থিত ছিল। মাদ্রাসা বোর্ডে (কুরআন মাজিদ) ৪ হাজার ৪৭৮ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন (বাংলা-২) ৩ হাজার ৭৩ জন অনুপস্থিত ছিলেন। মাদ্রাসায় ও কারিগরিতে একজন পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন।
“নিয়মিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনুপস্থিতির হার বেড়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত,” বলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
প্রতিবছর সাধারণত এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় কিছু শিক্ষার্থী নিবন্ধন করেও পরীক্ষায় অংশ নেন না। কিন্তু এবার অনুপস্থিতির হার অস্বাভাবিক বেশি। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা বলেন, নিবন্ধন করেছেন এত বেশি শিক্ষার্থী যে পরীক্ষার জন্য ফরম পূরণ করে না।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পরীক্ষার্থীদের ঝরে যাওয়ার কারণ শিক্ষার পদ্ধতি বা সামাজিক অর্থনৈতিক ব্যক্তিগত কারণে হতে পারে। এ জন্য বাংলাদেশ পরীক্ষা উন্নয়ন ইউনিটের মা�
