Uncategorized

মোদির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, আটকের ২ ঘণ্টা পর মুক্ত রাহুল–প্রিয়াঙ্কা

ম দ র ব সভবন র স - গত মঙ্গলবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারা অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। মল্লিকার্জুন খাড়গে, রাহুল গান্ধী ও

Desk Uncategorized
Published July 22, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Foto : Mark Gonzalez - banglaprabah.com
Table of Contents
  1. মোদির বাসভবনে কংগ্রেস নেতাদের অবস্থান কর্মসূচি ও পুলিশি ব্যবহার
  2. Related SEO Topics
  3. Frequently Asked Questions

ম দ র ব সভবন র স –

মোদির বাসভবনে কংগ্রেস নেতাদের অবস্থান কর্মসূচি ও পুলিশি ব্যবহার

শিক্ষার্থীদের ওপর নিপীড়নের প্রতিবাদে শুরু হওয়া ধরনা

Banglaprabah.com – ম দ র ব সভবন র স – গত মঙ্গলবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারা অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। মল্লিকার্জুন খাড়গে, রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ কংগ্রেসের অন্যান্য নেতারা এই ধরনায় অংশ নেন। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি এবং শিক্ষার্থীদের ওপর চলমান নিপীড়নের বিরুদ্ধে এই প্রতিবাদ। সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে অবস্থান চালানোর পর পুলিশ তাঁদের জোর করে সরিয়ে দেয়। বাসে করে নেতাদের নিয়ে যাওয়া হয়। ধস্তাধস্তির সময় রাহুল গান্ধীর নাক দিয়ে রক্ত পড়তে দেখা যায়। দুই ঘণ্টা পর তাঁকে মুক্ত করা হয়।

পূর্ববর্তী ঘটনা ও ধরনার পটভূমি

গত সোমবার সংসদ ভবনের দিকে ছাত্রসমাজের একটি বড় সমাবেশ হয়। প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতির বিরুদ্ধে এই সমাবেশ। দিল্লি পুলিশ সেই সমাবেশে বেধড়ক লাঠিপেটা ও কাঁদানে গ্যাস ছুঁড়ে। এর প্রতিবাদে ও আলোচনার দাবিতে রাহুলসহ বিরোধী নেতারা স্পিকার ওম বিড়লাকে দেখা করেন। কিন্তু কোনো আশ্বাস না পেয়ে বিকেলে আচমকা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে ধরনা বসান।

এর আগে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা সংসদ ভবন থেকে রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতালে যান। সেখানে পুলিশের হামলায় আহত ছাত্রছাত্রীদের দেখতে যান। সেখান থেকে ফিরে খাড়গের বাসায় যান। সেখানেই ঠিক হয়, সদলে সাতজন কল্যাণ মার্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে ধরনা বসবেন। বেলা সাড়ে তিনটায় তাঁরা অবস্থান শুরু করেন।

রাহুল গান্ধীর বার্তা ও দাবি

পুলিশি অত্যাচারের জবাব চাইতে এসেছি। এই সরকার কোনো দাবি নিতে চায় না। সংসদে আলোচনা চায় না। দেশের যুব সম্প্রদায়ের ভবিষ্যৎ ধ্বংস করার অপরাধে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।

ছাত্রদের ওপর আক্রমণ প্রতিটি ভারতীয় পরিবারকে আক্রমণের শামিল। প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, কোনো জবাবদিহি না করে পার পেয়ে যাবেন। এবার তা হবে না।

রাহুল পরপর কয়েকটি বার্তা এক্স হ্যান্ডলে দেন। একটিতে তিনি দেশপ্রেমিক প্রতিটি পরিবারকে ধরনায় শামিল হওয়ার অনুরোধ জানান। ছাত্রদের আওয়াজ বিফলে যাবে না বলে তিনি উল্লেখ করেন।

নেতাদের সাথে দেখা ও আলোচনা

কংগ্রেস নেতাদের সাথে দেখা করতে যান প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ের মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। তাঁর সাথে ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব গোবিন্দ মোহন। রাহুলের সাথে জিতেন্দ্র সিংকে কিছুক্ষণ কথা বলতে দেখা যায়। এরপর তাঁরা চলে যান।

ইতিমধ্যে ধরনার ভিড় বাড়তে থাকে। কেরল ও কর্ণাটকের দুই কংগ্রেসি মুখ্যমন্ত্রী ভি ডি সতীশন ও ডি কে শিবকুমার, কে সি বেনুগোপাল, এনসিপি নেত্রী সুপ্রিয়া সুলে, সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব, আন্দোলনকর্মী যোগেন্দ্র যাদবসহ অনেকেই ধরনাস্থলে চলে আসেন। কংগ্রেসের নেতা-কর্মীরা সরকারবিরোধী স্লোগান দিতে থাকেন।

সন্ধ্যায় জোর করে সরানো ও আটক নেতাদের মুক্তি

সন্ধ্যা ছটার দিকে জিতেন্দ্র সিং গণমাধ্যমকে জানান, রাহুল গান্ধীর দাবি ছিল সংসদে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে হবে। সরকার তা মেনে নিয়েছে। তাঁকে বলা হয়, সরকার আজ বুধবারেই আলোচনার প্রস্তুত। কিন্তু তারপর রাহুল মন বদলান। তিনি বলেন, শুধু আলোচনা নয়, শিক্ষামন্ত্রীকেও পদত্যাগ করতে হবে। সরকার শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি মানতে রাজি হয়নি। এরপরই ঠিক হয়, জোর করে তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হবে।

সন্ধ্যা সাতটা থেকে রাহুল, প্রিয়াঙ্কাসহ সব নেতাকে জবরদস্তি করে বাসে তুলে নিয়ে যাওয়া শুরু হয়। রাহুলকে মাটিতে শুয়ে পড়তে দেখা যায়। দশ-বারো জন পুলিশ তাঁকে জবরদস্তি করে উঠিয়ে বাসে তোলে। ধস্তাধস্তির সময় রাহুলের নাক দিয়ে রক্ত পড়তে দেখা যায়।

পরে রাহুল গান্ধীসহ আটক নেতাদের একটি দলকে বাসে করে দিল্লির ছত্রশাল স্টেডিয়ামে নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। সেখান থেকে রাহুল গান্ধী চলে যান। আর প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ কয়েকজন নেতাকে নেওয়া হয় দিল্লির মন্দির মার্গ থানায়। ঘটনার পর কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি সোনিয়া গান্ধী ওই থানায় ছুটে যান। রাত নয়টা নাগাদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও মুক্তি পান।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পটভূমি

ভারতে মেডিক্যাল ও ডেন্টালে ভর্তি পরীক্ষার (ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি–কাম–এন্ট্রান্স টেস্ট–নিট) প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষাক্ষেত্রে নানা ধরনের দুর্নীতির প্রতিবাদে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) দুই মাস ধরে আন্দোলন করছে। শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করে প্রথমে দিল্লি, তারপর দেশের নানা শহরে তারা বিক্ষোভ দেখিয়েছে। প্রায় এক মাস আগে তারা দিল্লিতে নতুন করে ধরনা কর্মসূচি নেয়।

২৪ দিন আগে সে অবস্থান আন্দোলন শুরু করলে লাদাখের শিক্ষাবিদ ও পরিবেশ আন্দোলনকর্মী ম্যাগসাইসাই পুরস্কারপ্রাপ্ত সোনম ওয়াংচুক ছাত্রদের সমর্থনে অনির্দিষ্টকালের জন্য অনশন শুরু করেন। ২০ জুলাই শুরু হয় সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশন। সিজেপি নেতারা আগেই জানিয়েছিলেন, শুরুর দিনেই তাঁরা সংসদ ভবনে অভিযান করবেন। তার ঠিক দুই দিন আগে দিল্লি পুলিশ যন্তর মন্তরে আন্দোলনকারীদের অবস্থান মঞ্চ থেকে জোর করে তুলে নিয়ে যায় সোনম ওয়াংচুককে। ভর্তি করা হয় হাসপাতালে।

পুলিশ ভেবেছিল, এতে শিক্ষার্থীরা হতোদ্যম হবেন। কিন্তু দেখা গেল, সোমবার হাজার হাজার ছাত্রছাত্রী ও সাধারণ মানুষ সংসদ ভবন অভিমুখে কর্মসূচিতে শামিল হলেন। এত বিপুল মানুষ, পুলিশি অনুমান অন্তত ৫০ হাজার, সব বাধা পেরিয়ে সংসদের দিকে যাত্রা করবে, তা ভাবা যায়নি। পুলিশ ও প্রশাসন এই ব্যর্থতা চাপা দিতে ছাত্রছাত্রীদের ওপর লাঠিপেটা করে ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুঁড়ে। দুই পক্ষে লড়াই শুরু হয়ে যায়। শতাধিক পুলিশ ও শতাধিক ছাত্রছাত্রী আহত হন।

Frequently Asked Questions

Apa itu ম দ র ব সভবন র স?

ম দ র ব সভবন র স adalah topik utama yang dibahas di artikel ini dengan konteks praktis agar pembaca memahami informasinya dengan jelas.

Mengapa ম দ র ব সভবন র স penting?

ম দ র ব সভবন র স penting karena membantu pembaca membandingkan pilihan, menghindari kesalahan umum, dan mengambil keputusan yang lebih tepat.

Bagaimana cara memakai panduan ম দ র ব সভবন র স ini?

Gunakan poin utama, contoh, dan tautan terkait di halaman ini sebagai rujukan awal, lalu cek detail terbaru sebelum mengambil keputusan final.

Leave a Comment