প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল আগে প্রকাশ হয়েছে, তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছে
প র থম ক ব ত ত – সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল আগেই ৮ জুলাই প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানা গেছে, কিন্তু আজ পর্যন্ত অফিসিয়াল প্রকাশ করা হয়নি। কিন্তু ঢাকা বিভাগের ৯টি জেলার ফলাফল আগে আপলোড করা হয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্ধারিত লিংকগুলোতে। এর পর লিংকগুলো থেকে সাধারণ ব্যবহারকারীরা ফলাফল আপলোড করে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দিয়েছে ফলাফল যথাযথ মাধ্যমে প্রকাশ করার জন্য। তবে সেই লিংকগুলোতে পরীক্ষার ফলাফল আগে আপলোড করা হয়েছে যা নিরাপত্তা প্রটৌকল অনুসরণ করেনি। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী মেইনটেন্যান্স মো. মেহতাব কায়েসকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল লিংক তৈরির জন্য। কিন্তু তিনি আপনার কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া ফলাফল আপলোড করেছেন।
তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আরেক আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। কমিটিকে পরিচালনার পরিচালককে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে যা ঘটনার তদন্ত করবে। কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা বলেছিলেন, ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ ঘটনা ঘটেছিল। তবে ফলাফল আগামী রোববার প্রকাশ করা হতে পারে।
এ বছর মোট ৮২ হাজার ৫০০ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পাবে। এর মধ্যে সাড়ে পাঁচ লাখ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এবং ৯০ হাজার বেসরকারি বা কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থী। পার্বত্য তিন জেলা—রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে বিশেষ সময়সূচিতে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। গত ১৭ থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত এই জেলাগুলোতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। আর অন্য সব জেলায় পরীক্ষা চলে ১৫ থেকে ১৮ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত।
পরীক্ষার মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৬ লাখ ৪০ হাজারের কিছু বেশি। বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ‘ট্যালেন্টপুল’ ও ‘সাধারণ গ্রেড’—এই দুই ভাগে আর্থিক সুবিধা দেওয়া হয়।
