Uncategorized

তরুণ উদ্যোক্তার গরুর খামার: ২০ লাখ টাকা দিয়ে শুরু, ৩ বছরে পুঁজি দেড় কোটি

তরুণ উদ্যোক্তার গরুর খামার: ২০ লাখ টাকা দিয়ে শুরু, ৩ বছরে পুঁজি দেড় কোটি তর ণ উদ য ক ত র - আবদুর রউফ ঢাকার ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি থেকে ইলেকট্রনিকস ও

Desk Uncategorized
Published May 23, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

তরুণ উদ্যোক্তার গরুর খামার: ২০ লাখ টাকা দিয়ে শুরু, ৩ বছরে পুঁজি দেড় কোটি

তর ণ উদ য ক ত র – আবদুর রউফ ঢাকার ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি থেকে ইলেকট্রনিকস ও টেলিকমিউকেশন কোর্সে স্নাতক হয়ে ওঠার পর চাকরির পেছনে দৌড়েছিলেন না। তিনি গ্রামে ফিরে বাড়িতে বাণিজ্যিক গরুর খামার গড়ে তুলেছেন। খামারে তিন বছর আগে তিনি প্রাপ্তি পর্যন্ত গরু মোটাতাজাকরণের প্রকল্প চালু করেন। খামারে সার্বক্ষণিক পরিষ্কার–পরিচ্ছন্ন রাখা হয়। কোনো দুর্গন্ধ নেই। রাজশাহী থেকে প্রথম বছরে তিনি ১১টি গরু কিনে খামার শুরু করেন।

খামারে প্রতি মাসে প্রায় ৫০ হাজার টাকা বেতন দেয়া হয় তিনজন কর্মচারীকে। এ বছর তিনি কোরবানি ঈদের জন্য ৪৩টি এঁড়ে গরু প্রস্তুত করেন। এগুলোর ওজন ছিল ২৪০ থেকে ৮০০ কেজি। বর্তমানে খামারে দেড় কোটি টাকার মূল্যের গরু রয়েছে। সার্বিক পরিচর্যার জন্য কাজ করছেন তিনি।

খামার গড়ে তোলার কাহিনি বলতে গিয়ে রউফ জানান, তিনি নিজের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা কারও হাতে তুলে দিতে চান না। বাবা মালয়েশিয়াপ্রবাসী। বাড়িতে মা রয়েছেন। তিনি বিয়ে করেছেন এবং একটি তিন বছর বয়সী ছেলেসন্তান রয়েছে। মা–বাবা চেয়েছিলেন তিনি বাড়িতে থাকুন। তখন তিনি বাণিজ্যিকভাবে গরুর খামার করার পরিকল্পনা করেন। খামারের বৈশিষ্ট্য হলো নিজে গরুর খাবার প্রস্তুত করেন। ঘাস বেশি খাওয়ানো হয়। এটি গরুর স্বাস্থ্য উন্নত করে।

“আমি মা–বাবার একমাত্র সন্তান। খামারের গরুগুলোকে প্রাকৃতিক খাবার বেশি খাওয়ানো হয়। দানাদার খাবারের চাহিদাও কমে। আমার স্বপ্ন খামারে ৫০০টি গরু থাকবে।”

খামারে কাজ করতে গিয়ে রউফ বলেন, সার্বক্ষণিক পশু চিকিৎসক রাখতে হয়। গরুর ভাষা বুঝতে হবে। তারপরও তিন বছরে পাঁচটি গরু মারা গেছে। খামারে প্রাথমিক বিনিয়োগ ছিল ১১ লাখ টাকা। আরও কিছু টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ২০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছেন।

গত মঙ্গলবার সরেজমিনে দেখা যায় খামারে গরুর যত্ন নেয়া হচ্ছে। কর্মকর্তা তপু কুমার সাহা খামারে পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, গরুর চেহারা দেখে স্বাস্থ্য বোঝা যায়। রউফের খামারে প্রাকৃতিক খাবার বেশি ব্যবহার করা হয়। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বেশ উন্নত। খামারটি সুন্দর পরিবেশে চালু আছে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের শার্শা উপজেলা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, শার্শা উপজেলায় ৫০টি বাণিজ্যিক গরুর খামার রয়েছে। এর মধ্যে চারটি খামারে ১০০টি গরু রয়েছে। রউফ জানান, গোখাদ্য ও ওষুধের দাম প্রতিনিয়ত বাড়ছে। বছর তিনেক আগে গোখাদ্যের দাম ছিল ৩৭ থেকে ৪০

Leave a Comment