Uncategorized

পদ্মার পাড়ে পদ্মাকে নিয়ে ‘জলযুদ্ধ’ ব্রহ্মপুত্রকে দেখে লুকায় শীতলক্ষ্যা

পদ্মার পাড়ে পদ্মাকে নিয়ে ‘জলযুদ্ধ’ ব্রহ্মপুত্রকে দেখে লুকায় শীতলক্ষ্যা পদ ম র প ড় পদ ম - শনিবার রাতে রাজশাহী নগরের বড়কুঠি এলাকায় পদ্মা নদীর ধারে

Desk Uncategorized
Published May 18, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

পদ্মার পাড়ে পদ্মাকে নিয়ে ‘জলযুদ্ধ’ ব্রহ্মপুত্রকে দেখে লুকায় শীতলক্ষ্যা

পদ ম র প ড় পদ ম – শনিবার রাতে রাজশাহী নগরের বড়কুঠি এলাকায় পদ্মা নদীর ধারে পঞ্চগড়ের নাট্যদল ভূমিজ নাটকটি মঞ্চস্থ করে। প্রদর্শনী ফারাক্কা লংমার্চের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজন করে নদী ও পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন।

দুটি চরিত্রে জীবন্ত গল্প

জলযুদ্ধ নাটকে মাত্র দুই চরিত্র আছে। একজন গঙ্গার রূপ ধারণ করে, অন্যজন পদ্মা নদীর রূপ নেয়। একজন আবার নারী আবার পুরুষ রূপ ধারণ করে কাহিনি বর্ণনা করে। নেপথ্য সংগীতের সঙ্গে তবলা ও দোতারা বেজে।

‘এ তো নিশ্চয়ই ব্রহ্মপুত্র। না, চিনি না। ওরে বাবা, এ তো আমাকে খোঁজ করছে? না, আমি চিনি না, কী প্রশস্ত তার বুক, প্রমত্ত যৌবন, চোখে তার মিলনের তৃষ্ণা, না আমি পারব না, আমার লজ্জা করে, আমি পালাই, কিন্তু কোথায় পালাই, এ তো আমাকে খুঁজে পাবেই। বুড়ির রূপ ধারণ করি, তাহলে আর আমাকে খুঁজে পাবে না।’

কথকের ভঙ্গিতে একজন বর্ণনা করেন, ‘গঙ্গার ওপারে বাঁধ দিয়ে আটকে দিয়েছে গঙ্গার গতি। তাই তুমি-আমি আজ গতিহীন। শুনেছি, বাংলাদেশের এক কবি নাকি দেখে এসেছেন সেই ফারাক্কা বাঁধ। অসংখ্য সৈনিক পানি পাহারা দিচ্ছে। ওই যে বিশাল মিছিল আসছে। সামনের ওই মানুষটা কে? একমুখ দাঁড়ি। তিনি মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী। তিনি পৃথিবীতে নদীর বুকে বাঁধবিরোধী প্রথম মানুষ। তিনিই প্রথম নদীর কান্দন শুনতে পেয়েছিলেন।’

৮০তম প্রদর্শনীর পথে নাটকের দুই চরিত্রের একজন এক পর্যায়ে দানবের মতো গর্জন করতে থাকে। অন্যজন তাকে দেখিয়ে দিয়ে বলে, এই সেই স্ফিংস। এই সেই জীবন্ত প্রেত। যে নদী খায়, বায়ু খায়, আলো ও অন্ধকার খায়। দেড় ঘণ্টার নাটকটি রাজশাহীতে ৪৫ মিনিট পরিবেশন করা হয়।

শেষ পর্যন্ত নাটকটি দেখে নিজের মুগ্ধতার কথা জানালেন গবেষক শহিদুল ইসলাম। রচনা ও নির্দেশনা দিয়েছেন সরকার হায়দার। অভিনয় করেছেন সোহাগ সোহরাব ও রনি শীল। মিউজিক করেছেন বাউল রইস উদ্দিন ও আনোয়ার হোসেন। সেট ডিজাইন করেছেন হাজ্জাজ তানিন। ব্যবস্থাপনায় ছিলেন মুস্তাক আহমেদ, বদিউজ্জামান মিলন, ফাহিম আহমেদ।

Leave a Comment