বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাবে ভোক্তাদের বিরোধিতা
ব দ য ত র ম ল – বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) দ্বারা প্রস্তাবিত দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা সম্পর্কে বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, সব সংস্থার প্রকল্প পর্যায়ে অনুমোদনের আগে বিইআরসি তা পাঠানো হবে। আগের কমিশন পরিকল্পনা সম্পর্কে কোনো সুপারিশ করেনি। প্রকল্পের খরচ নিয়ে বিইআরসি আরও বিচার করবে বলে জানানো হয়েছে।
বিদ্যুত খাতে চার্জ বাড়ানোর প্রস্তাবের বিরোধিতা উঠে এসেছে বিইআরসি আয়োজিত গণশুনানিতে। শুনানিতে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত বৃহস্পতিবার ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এ আলোচনা হয়। ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা প্রতিটি ক্রমে তাদের খরচ কমানোর সুপারিশ দিয়েছে। এই প্রস্তাবের মূল বিষয় হলো খুচরা দামের পরিবর্তন।
তিনি বলেন, বিভিন্ন সংস্থা হাজার হাজার কোটি টাকার প্রকল্প নেয়, এরপর খরচ কমানোর জন্য বিইআরসি দেখে দেয়নি। পিডিবি ক্রয় চুক্তি অনুসারে বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে নির্ধারিত দামে বিদ্যুৎ কিনে নেয়, কিন্তু তারা সঞ্চালন চার্জ বাড়িয়ে বিল বাড়াতে চায়।
সঞ্চালন চার্জ বাড়লে আনুপাতিক হারে খুচরা দামও বৃদ্ধি পেতে পারে। কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি দেখেছে যে পিডিবির প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ বিক্রি করে আগামী অর্থবছরে ঘাটতি হতে পারে ৭৫ পয়সা। আরও কয়েকটি সংস্থার ঘাটতি মূল্য তুলনা করা হয়েছে।
বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলো আগামী বছরে প্রতি ইউনিটের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব উপস্থাপন করেছে। বিইআরসি দেখেছে যে সঞ্চালন চার্জ ও পাইকারি দাম বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা সাধারণ মানুষের জন্য নতুন চাপ সৃষ্টি করতে পারে। গবেষণা করে কমিশন গ্রাহকদের ধাপ পরিবর্তন করতে চাইছে বলে জানিয়েছে।
রুহিন হোসেন (প্রিন্স) বলেন, নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের খরচ বেড়ে যাওয়া হবে দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা পরিচালনা করে তাদের আরও বোবা কান্না দেখানো হয়। সেবা খাত হিসেবে বিদ্যুৎ অধিকার সাংবিধানিক। অতএব লাভজনক পদ্ধতিতে তাদের পকেট কেটে টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।
ভোক্তা অধিকার সংগঠন ক্যাব এ বিষয়ে তীব্র বিরোধিতা করেছে। তারা দাম না বাড়ানোর দাবি জানায়। লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়েছে যে দাম বৃদ্ধ
