এলডিসি-পরবর্তীকালে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে দ্রুত সংস্কার প্রয়োজন
এলড স পরবর ত ক ল প – বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে আসার পরবর্তী সময়ে দেশটির প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে বিশেষ ধরনের প্রতিক্রিয়া দরকার বলে মন্তব্য করেছেন ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্চ বাংলাদেশের (আইসিসিবি) সভাপতি মাহবুবুর রহমান।
আইসিসিবির সভাপতি মাহবুবুর রহমান বলেন, বাংলাদেশকে এলডিসি-পরবর্তী সময়ে বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতা ধরে রাখতে দ্রুত কাঠামোগত পরিবর্তন এবং সরকার ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সংগঠিত সহযোগিতা বাস্তবায়নের প্রয়োজন। বৈশ্বিক বাজারে স্থায়ি প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে শিগগির অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি এবং মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করা আবশ্যক।
আইসিসিবির সভাপতি মাহবুবুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ তার অর্থনৈতিক পরিক্রমার একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় পেয়েছে। শক্তিশালী প্রবাসী আয়, স্থিতিশীল রপ্তানি এবং অবকাঠামো উন্নয়নের ধারাবাহিকতার কারণে দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা এখন ধীরে ধীরে কাজে লাগছে। তবে একই সময়ে অভ্যন্তরীণ কাঠামোগত দুর্বলতা এবং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ দেশের পরিক্রমার জন্য বড় উদ্বেগ সৃষ্টি করছে। সংস্কার বাস্তবায়ন দ্রুত করা জরুরি।
৩১তম বার্ষিক কাউন্সিল সভায় আইসিসিবি বাংলাদেশ এই মত প্রকাশ করে। সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশেষজ্ঞ দের মধ্যে বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাঈদ আহমেদ, এনভয় টেক্সটাইলের চেয়ারম্যান কুতুবউদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আনোয়ার উল আলম চৌধুরী, বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি ফজলুল হক প্রমুখ।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) চলতি বছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি প্রায় ৪ দশমিক ৭ শতাংশ হবে বলে আনুমান দিয়েছে। সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও দরকারী সংস্কার কাজ অব্যাহত থাকলে আগামী বছরগুলোতে এটি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।
অবকাঠামো উন্নয়নের গুরুত্ব তুলে ধরে আইসিসিবি সভাপতি ঢাকা-চট্টগ্রামের মধ্যে একটি আধুনিক এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের প্রস্তাব দেন। এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পণ্য পরিবহন দ্রুত ও সহজ হবে। ব্যয় কমে গেলে রপ্তানি খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট হবে।
