Uncategorized

‘সুনির্দিষ্ট অভিযোগে’ কোম্পানীগঞ্জের ওসিকে থানা থেকে প্রত্যাহার

ভিযোগে’ কোম্পানীগঞ্জের ওসিকে থানা থেকে প্রত্যাহার স ন র দ ষ ট অভ - সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সফিকুল ইসলাম খান পুলিশ লাইনসে আনীত হয়েছেন।

Desk Uncategorized
Published July 10, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

‘সুনির্দিষ্ট অভিযোগে’ কোম্পানীগঞ্জের ওসিকে থানা থেকে প্রত্যাহার

স ন র দ ষ ট অভ – সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সফিকুল ইসলাম খান পুলিশ লাইনসে আনীত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সিলেটের পুলিশ সুপার চৌধুরী মো. যাবের সাদেক সই করা এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র থেকে জানা গেছে, সফিকুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চোরাকারবারি এবং পাথর কোয়ারি থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনের সহযোগিতা আছে বলে অভিযোগ উপস্থিত হয়েছে। পরিচালনার জন্য নির্দিষ্ট টাকার বিনিময়ে তিনি সেই কাজে সহায়তা করেছেন বলে মনে করা হচ্ছে। তিনি চাঁদাবাজির সঙ্গেও জড়িত আছেন বলে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগ জানতে ওসি খানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি কোন বিবৃতি দিয়েছেন না।

তবে রাত সোয়া ১০টার দিকে সিলেটের পুলিশ সুপার চৌধুরী মো. যাবের সাদেক প্রথম আলোর প্রতিবেদনে বলেন, সফিকুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হবে। কমিটির প্রতিবেদন প্রাপ্ত হওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এই বিষয়ে পুনরায় নিয়োগ করে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

পূর্বে গত ৬ এপ্রিল প্রথম আলোর প্রথম পৃষ্ঠায় প্রকাশিত হয়েছে একটি সচিত্র প্রতিবেদন। ওই প্রতিবেদনে কোম্পানীগঞ্জের শাহ আরেফিন টিলা থেকে পাথর উত্তোলন ও পাচারে ওসি খানের সহযোগিতা আছে বলে স্থানীয়দের উদ্ধৃতি দেওয়া হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতি সপ্তাহে এক দিন রাতে পাথর ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত বিশেষ ব্যক্তিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বিশেষ করে ‘ওসির লাইন’ নামে টিলা এলাকা থেকে পাথর ভোলাগঞ্জে সরিয়ে নেওয়া হয়।

“সফিকুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হবে। কমিটির প্রতিবেদন প্রাপ্ত হওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

Leave a Comment