Uncategorized

হেপাটাইটিস প্রতিরোধে চাই সামাজিক অংশগ্রহণ

হ প ট ইট স প রত - রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্রথম আলো কার্যালয়ে গত মঙ্গলবার একটি গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই সভার মূল বিষয়বস্তু ছিল হেপাটাইটিস প্রতিরোধ ও

Desk Uncategorized
Published July 22, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Foto : Elizabeth Smith - banglaprabah.com
Table of Contents
  1. হেপাটাইটিস দূর করতে সামাজিক অংশগ্রহণ অপরিহার্য
  2. Related SEO Topics
  3. Frequently Asked Questions

হেপাটাইটিস দূর করতে সামাজিক অংশগ্রহণ অপরিহার্য Banglaprabah.com – হ প ট ইট স প রত – রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্রথম আলো কার্যালয়ে গত মঙ্গলবার একটি

হেপাটাইটিস দূর করতে সামাজিক অংশগ্রহণ অপরিহার্য

Banglaprabah.com – হ প ট ইট স প রত – রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্রথম আলো কার্যালয়ে গত মঙ্গলবার একটি গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই সভার মূল বিষয়বস্তু ছিল হেপাটাইটিস প্রতিরোধ ও প্রতিকারে জনসমাজের ভূমিকা। হেপাটোলজি সোসাইটি ঢাকা, বাংলাদেশ এবং প্রথম আলো যৌথভাবে এই বৈঠকের আয়োজন করে। ২৮ জুলাই বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস উপলক্ষে এই আলোচনা পরিচালনা করা হয়। বৈঠকের শিরোনাম ছিল ‘হেপাটাইটিস: প্রতিরোধ ও প্রতিকারে দরকার সামাজিক অংশগ্রহণ’।

দেশে প্রায় এক কোটি মানুষ হেপাটাইটিস বি ও সি ভাইরাসে আক্রান্ত। বিশ্বের দশটি দেশের মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে যেখানে হেপাটাইটিসজনিত মৃত্যুহার বেশি। ২০৩০ সালের মধ্যে এই রোগ নির্মূলের লক্ষ্য অর্জনে দেশটি অনেক পিছিয়ে আছে। এই লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে সামাজিক অংশগ্রহণ জরুরি বলে বৈঠকে উল্লেখ করা হয়।

চিকিৎসকেরা বলছেন, প্রতিরোধই মূল চাবিকাঠি

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ফৌজিয়া তাসমিম বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, শুধু চিকিৎসা দিয়ে হেপাটাইটিসের সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। আমাদের চেষ্টা করতে হবে যেন এই রোগ না হয়। জনসচেতনতা বাড়াতে হবে, এই রোগ থেকে দূরে থাকতে হবে, রোগ হলে চিকিৎসা করতে হবে।

চিকিৎসা করে হেপাটাইটিস সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। আমাদের চেষ্টা করতে হবে যেন এই রোগ না হয়। জনসচেতনতা বাড়াতে হবে, এই রোগ থেকে দূরে থাকতে হবে, রোগ হয়ে গেলে চিকিৎসা করতে হবে।

তিনি আরও জানান, হেপাটাইটিস প্রতিরোধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জোর দিচ্ছে। টিকার আওতা বৃদ্ধি এবং পর্যাপ্ত টিকার জন্য গ্যাভির সঙ্গে আলোচনা চলছে।

পরিসংখ্যান ও ঝুঁকিপূর্ণ গ্রুপ

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের লিভার বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও হেপাটোলজি সোসাইটির বিজ্ঞানবিষয়ক সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম একটি গবেষণার তথ্য উদ্ধৃত করে বলেন, দেশে ৮৫ লাখ মানুষ হেপাটাইটিস বি ভাইরাসে আক্রান্ত। এর মধ্যে পুরুষ ৫৭ লাখ, নারী ২৮ লাখ। ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সী প্রজননক্ষম ১৮ লাখ নারীর এই রোগ আছে। আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে শিশু চার লাখ।

দেশের প্রায় ১৫ লাখ পরিবারে হেপাটাইটিস বি ভাইরাসে আক্রান্ত মানুষ রয়েছে। সাইফুল ইসলাম বলেন, ১৫ থেকে ৩০ বছর বয়সী প্রায় ২৫ লাখ চাকরিপ্রার্থী ও কর্মক্ষম মানুষ হেপাটাইটিস বিতে আক্রান্ত। অনেক ক্ষেত্রে হেপাটাইটিস বি পজিটিভ হলেই চাকরিতে অযোগ্য ঘোষণা করা হচ্ছে। এটি বিজ্ঞানসম্মত পদক্ষেপ নয়।

বিভিন্ন ধরনের হেপাটাইটিস ও মৃত্যুহার

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বেশ কয়েক ধরনের হেপাটাইটিস ভাইরাস আছে। যেমন হেপাটাইটিস এ, হেপাটাইটিস বি, হেপাটাইটিস সি, হেপাটাইটিস ডি, হেপাটাইটিস ই ইত্যাদি। একেকটি ভাইরাস একেক ধরনের রোগের জন্য দায়ী। লিভার সিরোসিস ও লিভার ক্যানসারের জন্য দায়ী হেপাটাইটিস সি। এই রোগে ৬৯ শতাংশ মৃত্যু হয় ১০টি দেশে। এর মধ্যে আছে চীন, ভারত, বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, নাইজেরিয়া, ইথিওপিয়া, ঘানা, ফিলিপাইন, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ভিয়েতনাম।

স্ক্রিনিং ও টিকাদানের গুরুত্ব

জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের চিকিৎসক এবং হেপাটোলজি সোসাইটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ কামরুল আনাম স্ক্রিনিং ও টিকাদানের প্রয়োজনীয়তার ওপর বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, যেসব অঞ্চলে হেপাটাইটিস বির প্রাদুর্ভাব বেশি, সেসব অঞ্চলের সব প্রাপ্তবয়স্ককে জীবনে অন্তত একবার হেপাটাইটিস পরীক্ষা করা উচিত।

যেসব অঞ্চলে হেপাটাইটিস বির প্রাদুর্ভাব বেশি, সেসব অঞ্চলের সব প্রাপ্তবয়স্ককে জীবনে অন্তত একবার হেপাটাইটিস পরীক্ষা করা উচিত।

যাঁদের লিভারের রোগ আছে, যাঁদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কম, যাঁরা ইনজেকশনের মাধ্যমে শিরা মাদক নেন বা নিতেন, কারাবন্দী, ডায়ালাইসিসে থাকা রোগী, রক্ত বা অঙ্গদাতা, স্বাস্থ্যসেবাকর্মী, গর্ভবতী নারী—এঁদের হেপাটাইটিস পরীক্ষা করা উচিত। এরপর তিনি রোগ শনাক্ত পরীক্ষা বা স্ক্রিনিং পদ্ধতির বর্ণনা করেন।

প্রতিরোধ ও নির্মূল সম্ভব

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক এবং হেপাটোলজি সোসাইটির মিডিয়া ও প্রকাশনা সম্পাদক তানভীর আহমদ বলেন, হেপাটাইটিস প্রতিরোধযোগ্য, শনাক্তযোগ্য, চিকিৎসাযোগ্য এবং অনেক ক্ষেত্রেই হেপাটাইটিস নির্মূলযোগ্য। এ ক্ষেত্রে হেপাটোলজি সোসাইটি চিকিৎসকদের জন্য শিক্ষা–প্রশিক্ষণ, ওয়ার্কশপ, বৈজ্ঞানিক সেমিনার ও কনফারেন্সের আয়োজন করে।

তিনি আরও বলেন, দেশব্যাপী প্রচার–প্রচারণা বাড়ানো, ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে নির্দিষ্টভাবে স্ক্রিনিং করা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সচেতনতামূলক কর্মসূচি, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা আছে এই সংগঠনের।

গণমাধ্যমের ভূমিকা ও টিকাদান কর্মসূচি

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের লিভার বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও হেপাটোলজি সোসাইটির সাংগঠনিক সম্পাদক এস এ এম নাজমুল হাসান বলেন, গণমাধ্যমের পাঁচটি কাজ করার আছে—বিজ্ঞানভিত্তিক তথ্য তুলে ধরা; প্রতিরোধমূলক আচরণকে জনপ্রিয় করে তোলা, মানুষকে স্ক্রিনিংয়ে উদ্বুদ্ধ করা, ভ্রু ও সামাজিক বৈষম্যের বিষয় তুলে ধরা এবং জনস্বাস্থ্যনীতির ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের লিভার বিভাগের প্রধান ও লিভার কেয়ার সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, ২০০৩ সাল থেকে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) মাধ্যমে হেপাটাইটিসের টিকা দেওয়া হচ্ছে। ২০০৩ সালের আগে যাঁদের জন্ম তাঁদের প্রত্যেকের স্ক্রিনিংয়ের আওতায় নিতে হবে। তিনি বলেন, নিরীক্ষায় দেখা গেছে, চট্টগ্রামের ছাত্রছাত্রী, সেলুনের কর্মী, হাসপাতালের টেকনিশিয়ানসহ বিভিন্ন ধরনের পেশাজীবীর ১ থেকে ৫ শতাংশের মধ্যে হেপাটাইটিস আছে।

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পেডিয়াট্রিক গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক রোকনুজ্জামান বলেন, হেপাটাইটিস এ ও হেপাটাইটিস ই ছাড়াও মূলত খাবারের মাধ্যমে। রাস্তার খাবার এ ধরনের হেপাটাইটিসের অন্যতম উৎস। হেপাটাইটিস টিকা কার্যত লিভার ক্যানসার থেকে রক্ষা করে, তাই একে ক্যানসারের টিকাও বলা যেতে পারে।

অবস্টেট্রিক্যাল অ্যান্ড গাইনোকোলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশের (ওজিএসবি) সভাপতি অধ্যাপক ফিরোজা বেগম বলেন, লিভার সিরোসিস ও লিভার ক্যানসারের মতো দীর্ঘস্থায়ী রোগের বিরুদ্ধে সচেতনতা বাড়াতে হবে।

Frequently Asked Questions

Apa itu হ প ট ইট স প রত?

হ প ট ইট স প রত adalah topik utama yang dibahas di artikel ini dengan konteks praktis agar pembaca memahami informasinya dengan jelas.

Mengapa হ প ট ইট স প রত penting?

হ প ট ইট স প রত penting karena membantu pembaca membandingkan pilihan, menghindari kesalahan umum, dan mengambil keputusan yang lebih tepat.

Bagaimana cara memakai panduan হ প ট ইট স প রত ini?

Gunakan poin utama, contoh, dan tautan terkait di halaman ini sebagai rujukan awal, lalu cek detail terbaru sebelum mengambil keputusan final.

Leave a Comment