সুখী দাম্পত্য জীবনে গড়তে মহানবী (সা.)–এর শেখানো ৪ কৌশল
প্রাথমিক বিষয়গুলো সম্পর্কে বিশেষ মনোযোগ
Banglaprabah.com – স খ দ ম পত য জ – দাম্পত্য জীবনের প্রথম পর্যায় সহজ হয়, কিন্তু সেটাকে বছরের পর বছর সুন্দর রাখা খুব কঠিন। এর জন্য ধৈর্য, আন্তরিকতা, ত্যাগ এবং চিন্তাশীলতা প্রয়োজন। স্বামী হিসেবে কৌশলী এবং স্নেহশীল একটি প্রতিভাবে পরিচালনা করা অপরিহার্য। স্ত্রী এবং স্বামীর মধ্যে বোঝাপড়া না থাকলে সম্পর্ক ধীরে ধীরে দুর্বল হতে থাকে, কখনো বিচ্ছেদ পর্যন্ত পৌঁছে যায়।
আয়েশা (রা.) বলেন, ‘নবীজি প্রায়ই খাদিজা (রা.)-এর প্রশংসা করতেন।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৫২২৯) নবীজি স্ত্রীর মা-বাবাকে কটূক্তি করেন নি। তিনি বলেন, ‘তোমরা কেউ যেন নিজের স্ত্রীকে দাসের মতো প্রহার না করো। দিনের শেষে তো তার সঙ্গেই মিলিত হবে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৫২০৪)
খাবার ও পরিচ্ছন্নতার মাধুর্য
পরিবারের জন্য সামর্থ্য অনুযায়ী ভালো খাবার ব্যবস্থা করা যত্নের অংশ। সব সময় সম্ভব হয় না তবে মাঝেমধ্যে বিশেষ আয়োজন করা গুরুত্বপূর্ণ। স্ত্রী যেভাবে দেখতে পছন্দ করেন, সেভাবে বাসা রাখা ছোট বিষয় মনে হলেও এটি সম্মানের প্রকাশ।
সাহাবি ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, ‘আমি আমার স্ত্রীর জন্য এমন পরিপাটি রাখতে পছন্দ করি, যেমন আমি তার কাছ থেকে সাজগোজ পছন্দ করি।’ (মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবাহ, হাদিস: ১৯২৬৩)
রসিকতা আর ছোট ছোট কাজগুলোর মূল্য
খেলাচ্ছলে সময় কাটানো অনেকে গুরুত্বহীন বলে মনে করে, কিন্তু নবীজির নিজের জীবনে এটি বিশেষ উপকারী হিসেবে দেখা যায়। তিনি বলেন, ‘মানুষ যা নিয়ে খেলাধুলা করে, তার সবই অনর্থক, তিনটি বিষয় ছাড়া—তিরন্দাজি, ঘোড়া প্রশিক্ষণ আর স্ত্রীর সঙ্গে খেলা।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ১৬৩৭)
নিয়মিত সম্পর্কের ভিত্তি
বিশেষ আয়োজন না করলেও স্ত্রীর সামনে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও পরিপাটি রাখা সম্পূর্ণ গুরুত্বপূর্ণ। স্ত্রী আপন মানুষ হিসেবে অনুভব করাতে হয়। তাঁর ভুল হলে অপমান নয়, ভালোবাসার মাধ্যমে তা সংশোধন করা উচিত।
সম্পর্কের বৃদ্ধির জন্য ক্ষমা করতে শেখা আর সামনে এগিয়ে চলাই সুস্থ সম্পর্কের লক্ষণ। একটি ঘটনা থেকে বোঝা যায়, স্ত্রীর সঙ্গে হালকা খেলাচ্ছলা নবীজির নিজস্ব অভ্যাসের অংশ ছিল। তিনি বলেন, ‘মানুষের অধিকাংশ বিনোদনমূলক কাজই অর্থহীন, তিনটি বিষয় ছাড়া—তিরন্দাজি, ঘোড়া প্রশিক্ষণ আর স্ত্রীর সঙ্গে খেলা।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ১৬৩৭)
এখানে রাগের মুহূর্তে প্রতিটি অভ্যাসের পরীক্ষা হয়। নবীজি (সা.) শক্তির সংজ্ঞাই বদলে দিয়েছিলেন এ প্রসঙ্গে। তিনি বলেন, ‘শক্তিশালী সে নয়, যে কুস্তিতে অন্যকে পরাজিত করে; বরং শক্তিশ

