ডে-কেয়ার সেন্টারের বিস্তারের আহ্বান জানালেন জুবাইদা রহমান
ড ক য় র স ন ট – সোমবার রাজধানীতে পানি ভবনের মাল্টিপারপাস হলে আয়োজিত ‘শিশুর প্রাথমিক পরিচর্যা ও বিকাশ’ শীর্ষক কর্মশালায় জুবাইদা রহমান বলেন, শিশু দিবায়ত্নকেন্দ্র কেবল শিশুদের সুরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে সীমাবদ্ধ নয়; বরং দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তিনি আগে তেজগাঁও সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা) কেন্দ্র এবং ভূমি ভবনের শিশু দিবাযত্নকেন্দ্র পরিদর্শন করেন। বর্তমানে দেশের মোট জনসংখ্যার ৫০ দশমিক ৫৮ শতাংশ নারী এবং ২৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ মানুষের বয়স শূন্য থেকে ১৪ বছরের মধ্যে।
তিনি বলেন, কর্মজীবী মা ও তাঁদের সন্তানদের নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় মানসম্মত দিবাযত্নকেন্দ্রের অভাবে। বর্তমান অবস্থাতে কিছুটা উন্নতি হলেও অনেক মাতৃকে লালন-পালনে অসুবিধা হয়।
জুবাইদা রহমান আরও উল্লেখ করেন, বিশেষ করে ছয় মাস থেকে ছয় বছর বয়সী শিশুদের ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে এ কার্যক্রম অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তিনি বলেন, বর্তমানে প্রতিষ্ঠিত ১২৩টি শিশু বিকাশ কেন্দ্রে মাত্র ৭ হাজার ৩৬০ জন শিশুকে সেবা প্রদান করা হচ্ছে, যা দেশের মোট শিশুদের চাহিদার শূন্য দশমিক ৩৪ শতাংশ পূরণ করছে।
তিনি দিবাযত্নকেন্দ্রের পরিচর্যাকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, তাঁদের মানবিক ও কঠিন দায়িত্ব পালনের ফলে অসংখ্য কর্মজীবী মা নিশ্চিন্তে কাজ করতে পারেন এবং শিশুরা নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে ওঠার সুযোগ পায়। সেই সাথে দিবাযত্নকেন্দ্রের মাধ্যমে নারীদের কর্মক্ষেত্রে অংশগ্রহণে বিশেষ ভূমিকা রয়েছে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানি ভবনের শিশু দিবাযত্নকেন্দ্র পরিচালনার জন্য বিশেষ দায়িত্ব পালনকারী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্বপ্ন স্মরণ করে বলেন, ‘তাঁর শাসনামলে ছয়টি দিবাযত্নকেন্দ্র প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমরা নতুন প্রজন্ম গড়ে তুলতে চাই।’
এ জেড এম জাহিদ হোসেন আরও বলেন, দিবাযত্নকেন্দ্র কেবল কর্মজীবী মায়ের জন্য নয়; বরং প্রতিটি কর্মজীবী পরিবারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে শিশুরা নিষ্ঠা, শান্তি ও সামাজি�
