Uncategorized

সরকারি সংস্থা এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা, নাকি নেতাদের পুনর্বাসন

সরক র স স থ এগ য় - ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নেত্রকোনা-২ (সদর-বারহাট্টা) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন চেয়েছিলেন দলের ধর্মবিষয়ক সহসম্পাদক আবদুল বারী। কিন্তু

Desk Uncategorized
Published August 13, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Logo-1
Foto : Michael Martin - banglaprabah.com
Table of Contents
  1. বিএনপি সরকারের সময় সরকারি সংস্থায় রাজনীতিবিদদের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

বিএনপি সরকারের সময় সরকারি সংস্থায় রাজনীতিবিদদের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন

Banglaprabah.com – সরক র স স থ এগ য় – ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নেত্রকোনা-২ (সদর-বারহাট্টা) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন চেয়েছিলেন দলের ধর্মবিষয়ক সহসম্পাদক আবদুল বারী। কিন্তু মনোনয়ন পাননি তিনি। এরপর গত মাসে বিএনপি সরকার তাঁকে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দিয়েছে।

এই নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে—দলের ধর্মবিষয়ক সহসম্পাদককে নৌপরিবহনের দায়িত্বে থাকা একটি সংস্থার প্রধান পদে বসানো হচ্ছে কেন? বিএনপি সরকার কি দলের মনোনয়নবঞ্চিত অথবা পদবঞ্চিত নেতাদের সরকারি সংস্থাগুলোতে পুনর্বাসন করছে?

সংখ্যায় বিএনপি সরকারের নিয়োগ

শুধু বিআইডব্লিউটিসি নয়, অন্তত ১১টি সরকারি সংস্থার প্রধান পদে বসানো হয়েছে দলের নেতাদের। এর বাইরে ৬৩টি জেলা পরিষদ এবং ১১টি সিটি করপোরেশনে দলের নেতাদের প্রশাসক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

জেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশনে নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনীতিবিদরাই চেয়ারম্যান অথবা মেয়র পদে আসেন। কিন্তু সরকারি সংস্থাগুলোতে নির্বাচনের মাধ্যমে চেয়ারম্যান অথবা ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগ হয় না। সরকারই সরাসরি নিয়োগ দেয়।

ইতিহাস ও ‘স্পুইলস সিস্টেম’

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডসহ কয়েকটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে রাজনীতিবিদদের বসানো হয়েছিল। পরে বিভিন্ন সরকারের সময় এমন নিয়োগ হয়েছে, তবে তা ছিল সীমিত পরিসরে। বিএনপি সরকারের সময় এবার সরকারি সংস্থাগুলোতে রাজনীতিবিদদের নিয়োগ দেওয়া বাড়ল।

এটা নিয়ে একটি প্রশ্ন সামনে আসছে, সেটি হলো, বিএনপি কি যুক্তরাষ্ট্রের ‘স্পুইলস সিস্টেমকে’ অনুসরণ করে সরকারি সংস্থার পদে দলীয় লোক বসাচ্ছে? ‘স্পুইলস সিস্টেমে’ নতুন সরকার তাদের সমর্থক বা অনুগত ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি পদে নিয়োগ দেয়।

যুক্তরাষ্ট্রে অনুগতদের নিয়োগ বহুদিন ধরেই চলছিল। তবে ‘স্পুইলস সিস্টেম’ শব্দগুচ্ছটির ব্যবহার শুরু হয় ১৮১২ সালের দিকে। ১৯৩২ সালে নিউইয়র্কের মেয়র উইলিয়াম মার্সি তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড্রু জ্যাকসনের সময়কার বিতর্কিত নিয়োগকে সমর্থন করতে গিয়ে ‘স্পুইলস’ শব্দটি ব্যবহার করেন।

দলের পদ না ছেড়েই সরকারি সংস্থায়

যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনে স্পুইলস সিস্টেমের কারণে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও অদক্ষতা বেড়ে গিয়েছিল। ১৮৮৩ সালে পেন্ডলটন অ্যাক্টের মাধ্যমে মেধাভিত্তিক নিয়োগ ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা চালু হয় এবং তাতে রাজনৈতিক নিয়োগ সীমিত হয়। অবশ্য নেদারল্যান্ডসের পাবলিক ম্যাটার্স নামের একটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা পিটার ফন কিউলেন একটি লেখার উল্লেখ করেছেন, এখনো নতুন সরকার এসে যুক্তরাষ্ট্রে ৪ হাজারের মতো নিয়োগ দেয় রাজনৈতিকভাবে।

গুরুত্বপূর্ণ পদে দলীয় নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রথমে বাছাই করা হয়। কাজটি করে ভাইস প্রেসিডেন্ট অথবা শীর্ষ কোনো নেতার নেতৃত্বাধীন কমিটি। কমিটির বাছাই তালিকা থেকে প্রেসিডেন্ট মনোনয়ন দেন। মনোনীত ব্যক্তির নাম যাওয়া সিনেট কমিটিতে। সিনেট কমিটি মনোনীত ব্যক্তিকে প্রশ্নে প্রশ্নে জর্জরিত করে। এর মাধ্যমে তাঁর দক্ষতা ও যোগ্যতা যাচাই করা হয়। পরে ভোটাভুটির মাধ্যমে প্রার্থীকে চূড়ান্ত করা হয়।

দক্ষতা নাকি আনুগত্য?

দলের প্রতি কে কতটা ত্যাগ শিকার করেছেন, সরকারি পদ পেতে সেটি কোনো যোগ্যতা হতে পারে না। তিনি ওই পদে যেতে কতটা যোগ্য, বিগত সময়ে তাঁর এ ধরনের কাজের অভিজ্ঞতা ছিল কি না, এসব দিক দেখা উচিত।

বাংলাদেশে বিএনপি সরকার নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রে আনুগত্যকে প্রাধান্য দিয়েছে। কিন্তু নিয়োগপ্রাপ্তদের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা ও যোগ্যতা যাচাইয়ে কোনো শুনানি হয়নি; সংসদ বা দলের কোনো কমিটি যাচাই–বাছাই বা সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়নি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ মোহাম্মদ শাহান মনে করেন, সাম্প্রতিক নিয়োগগুলো মূলত দলীয় ব্যক্তিদের পুনর্বাসন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, দলের প্রতি কে কতটা ত্যাগ শিকার করেছেন, সরকারি পদ পেতে সেটি কোনো যোগ্যতা হতে পারে না। তিনি ওই পদে যেতে কতটা যোগ্য, বিগত সময়ে তাঁর এ ধরনের কাজের অভিজ্ঞতা ছিল কি না, এসব দিক দেখা উচিত।

সংস্থাগুলোর ইতিহাস ও ভবিষ্যৎ

দেশে ৫৮টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অধীনে দপ্তর, অধিদপ্তর, পরিদপ্তর, ইনস্টিটিউট, করপোরেশন ইত্যাদির সংখ্যা ৩৫০টির বেশি। সাধারণত এসব দপ্তর বা সংস্থার প্রধান পদে নিয়োগ পান প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা। অনেক দপ্তরের গুরুত্ব নিয়ে প্রশ্ন আছে। তবু এসব সংস্থা সরকার পুষে রাখে এবং সেগুলোকে আমলাদের পদোন্নতি ও পুনর্বাসনকেন্দ্র বলে গণ্য করা হয়।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সরকারঘনিষ্ঠ আমলাদের সরকারি সংস্থার প্রধান পদে বসানো হতো। দু-একটি ব্যতিক্রম বাদে এসব সংস্থা বিশেষ কোনো সাফল্য দেখাতে পারেনি। বরং সরকারি সংস্থাগুলোর অদক্ষতায় মানুষকে ভুগতে হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে গঠিত জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৯৩ সালে সরকার একটি প্রশাসনিক পুনর্গঠন কমিটি গঠন করেছিল। সাবেক সচিব এম নুরুন্নবী চৌধুরীর নেতৃত্বে ওই কমিটি ১৯৯৬ সালে তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়। এতে মন্ত্রণালয়ের সংখ্যা ৩৫ থেকে ২২-এ নামিয়ে আনা এবং ৪৭টি সরকারি সংস্থা বিলুপ্ত করার সুপারিশ করা হয়েছিল।

Frequently Asked Questions

What is সরক র স স থ এগ য়?

সরক র স স থ এগ য় is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does সরক র স স থ এগ য় matter?

সরক র স স থ এগ য় matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment