জামায়াত আমির নির্বাচন বিতর্কে উঠে দাঁড়ানো হয়েছে
স ব ধ ন গণভ ট র – বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেন, সংবিধানে গণভোটের কোনো প্রভিশন নেই। তিনি মনে করেন, যদি সংবিধানে গণভোটের কোনো প্রভিশন না থাকে, তবে ২০২৬ সালে কোনো নির্বাচন হবে না। এটি সংবিধান অনুযায়ী সংসদ নির্বাচনের কথা ছিল না, সেটি ২০২৯ সালে ঘটবে বলে দাবি করেন তিনি।
আজ সোমবার রাতে জাতীয় সংসদ থেকে সাংবাদিকদের এসব মতামত জানানো হয় শফিকুর রহমান। তিনি উল্লেখ করেন যে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলতে চান। এটি বিরোধী দলের মতও ছিল। সরকারি দল প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে গণভোটে জনগণের রায় বাস্তবায়ন হবে।
‘জনগণের উইল হচ্ছে সুপ্রিম ল। গণভোটের রায় অনুযায়ী দুটি শপথ নেওয়ার কথা ছিল। সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদ শপথ গ্রহণ করবে। কিন্তু সরকারি দল শুধু সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছে।’
জামায়াত আমির দাবি করেন, সংবিধান অনুযায়ী সংবিধান সংশোধনের পরিবর্তে কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তারপর সরকারি দলের পক্ষ থেকে একটি কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর পরিণতি হিসেবে বিরোধী দল সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছে। তিনি বলেন, ‘গোশত হালাল আর ঝোল হারাম হয়েছে। একটা যদি হালাল হয়, আরেকটা হারাম হয় কীভাবে?’
সংবিধান অনুযায়ী জনগণের অভিপ্রায় বাস্তবায়ন হবে বলে আশা করছেন আমির
শফিকুর রহমান জানান যে জনগণের অভিপ্রায় কখনো বৃথা যায় না। তিনি বলেন, ‘আমরা সেটাই তাদের কাছে চাই। জনগণকে সম্মান করুক, অবিলম্বে তা বাস্তবায়ন করুক। সেই স্বার্থে আমরা সমর্থন দেব। কিন্তু জনস্বার্থ বিঘ্নিত হলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াব।’
তিনি দাবি করেন, ‘২০২৬ সালে সংবিধান অনুযায়ী কোনো সরকারি দল নেই। এটি সংবিধান অনুযায়ী বিদায় নেয়নি। সংবিধান সংশোধনে তাদের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে এবং সেই কমিটি নৈতিক সমর্থন বিহিন। সেই কারণে বিরোধী দল ওয়াকআউট করেছে।’
সংসদের ভেতরে আর রাজপথে লড়াই চলবে বলে আমির অনুরোধ করেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের লড়াই চলবে। কেননা কখনো কোনো জনপদে জনগণের অভিপ্রায় কখনো বৃথা যায় না। ইনশা আল্লাহ সেটা শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হবে।’
এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেন, বিরোধী দলের পক্ষ থেকে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন এবং গণভোটের রায় মেনে নিতে সরকারের কাছে আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে সরকারি দল সংবিধান সংশ�
