যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে গরম পানি ঢেলে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড
য ত ক র জন য স - ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক মুন্সী মো. মশিউর রহমান আজ সোমবার দুপুরে এক ভয়াবহ স্ত্রীহত্যার মামলার ফায়সলা ঘোষণা
Table of Contents
দুই দশকের পর স্ত্রীহত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড: গরম পানি ঢেলে হত্যা
Banglaprabah.com – য ত ক র জন য স – ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক মুন্সী মো. মশিউর রহমান আজ সোমবার দুপুরে এক ভয়াবহ স্ত্রীহত্যার মামলার ফায়সলা ঘোষণা করেছেন। যৌতুক দাবিতে স্ত্রীকে বেত দিয়ে মারধরের পর গরম পানি ঢেলে তাকে হত্যা করার অভিযোগে সানাউল্লাহ নামের আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই রায়ে তাঁর ওপর এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডও আরোপ করা হয়েছে।
আদালতের প্রক্রিয়া ও আসামির অবস্থা
সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর এরশাদ আলম জানান, ফায়সলা ঘোষণার সময় সানাউল্লাহকে আদালতে উপস্থিত করা হয়। রায়ে তাঁকে আবার কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। এরশাদ আলম আরও উল্লেখ করেন, আদালত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দিয়েছে আসামির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে জরিমানার পরিমাণ আদায় করে ভুক্তভোগীর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করতে।
ঘটনার প্রেক্ষাপট
মামলার অভিযোগ ও আদালত সূত্র অনুযায়ী, ২০০৫ সালের ১৮ নভেম্বর সানাউল্লাহ ও রুবিনা আক্তারের মধ্যে বিবাহবন্ধন গড়ে ওঠে। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই যৌতুক দাবিতে স্ত্রীর ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের সিরিজ শুরু হয়। ২০০৬ সালের ২ মে সানাউল্লাহ রুবিনাকে বেত দিয়ে প্রহার করেন। পরিস্থিতি আরও তীব্র আকার নেয় যখন তিনি গরম পানি রুবিনার শরীরে ঢেলে দেন। ফলে রুবিনার বুক ও পেটে গুরুতর পুড়ে যাওয়ার চিহ্ন দেখা দেয়। চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন দৌড়ে এসে তাকে উদ্ধার করে। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর রুবিনার মৃত্যু ঘটে।
মামলার যাত্রা ও ফলাফল
ঘটনার পর রুবিনার মা রাবিয়া আক্তার কামরাঙ্গীচর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় সানাউল্লাহসহ মোট ১০ জনকে আসামি করা হয়। তদন্ত শেষে ওই বছরের ২০ নভেম্বর কামরাঙ্গীচর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গোলাম মোস্তফা সানাউল্লাহর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে বাকি আসামিদের বিরুদ্ধে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে উল্লেখ করে তাঁদের অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়। পরে অভিযোগ গঠনের সময় আদালত আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নামঞ্জুর ঘোষণা করে বিচার শুরু করার আদেশ জারি করেন।
বিচার চলাকালে ট্রাইব্যুনাল নয়জন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করে। দীর্ঘ দুই দশক পর এই মামলার ফায়সলায় স্ত্রীহত্যার দায়ে সানাউল্লাহকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।
অন্যান্য আসামিদের অব্যাহতি
অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আলী হোসেন, মো. মিন্টু মিয়া, নুর ইসলাম, শহিদুল্লাহ (৫০), মো. কালু, শহিদুল, বেগম, রেনু বেগম ও আবদুল খালেককে মামলা থেকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is য ত ক র জন য স?
য ত ক র জন য স is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does য ত ক র জন য স matter?
য ত ক র জন য স matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.
