বৃষ্টির চিঠি
ব ষ ট র চ ঠ - অক্ষরকুঞ্জের ওই পুরোনো চেয়ারটা এখনও অন্বেষার জন্য অপেক্ষা করছে। আরিয়ান যাওয়ার আগে বলেছিল, ঠিক আরেকটা ব ষ ট র চ ঠ এর দিনে সে ফিরে আসবে। সেই
Table of Contents
বৃষ্টির চিঠি: অক্ষরকুঞ্জের অপেক্ষা ও প্রেমের গল্প
Banglaprabah.com – ব ষ ট র চ ঠ – অক্ষরকুঞ্জের ওই পুরোনো চেয়ারটা এখনও অন্বেষার জন্য অপেক্ষা করছে। আরিয়ান যাওয়ার আগে বলেছিল, ঠিক আরেকটা ব ষ ট র চ ঠ এর দিনে সে ফিরে আসবে। সেই প্রতিশ্রুতি নিয়েই প্রতি ব ষ ট র চ ঠ এর দিনে অন্বেষা দোকানে যায়, জানালার বাইরে তাকিয়ে থাকে। কিছু কিছু বিরহ দুঃখের নয়—সেটা শুধু অপেক্ষার একটা সুন্দর নাম।
প্রথম দেখা: ব ষ ট র চ ঠ এর সূচনা
সেদিন হঠাৎ ব ষ ট র চ ঠ নেমেছিল। অফিস শেষে দৌড়ে অক্ষরকুঞ্জের দোকানে ঢুকতেই অন্বেষা দেখল, তার প্রিয় চেয়ারটায় আগে থেকেই কেউ বসে আছে। একজন ছেলে, হাতে পুরোনো একটা কবিতার বই, মাথা নিচু করে পড়ছে।
অন্বেষা একটু ইতস্তত করে বলল, ‘এক্সকিউজ মি, ওই চেয়ারটা… মানে, আমি রোজ ওখানেই বসি।’ ছেলেটা মুখ তুলে তাকাল। চোখে চশমা, ঠোঁটে হালকা হাসি।
ওহ্, দুঃখিত। আমি তো জানতাম না এটা কারও সংরক্ষিত আসন।
ছেলেটা উঠে দাঁড়াতে গেল। অন্বেষা তাড়াতাড়ি বলল, ‘না না, থাক, আজকে না হয় ভাগ করে নিলাম।’ নিজের কথায় নিজেই একটু লজ্জা পেয়েছিল সে। সেই ব ষ ট র চ ঠ এর বিকেলে তারা প্রায় দুই ঘণ্টা কথা বলেছিল। ছেলেটার নাম আরিয়ান। সে শহরে নতুন এসেছে, একটা প্রকাশনী সংস্থায় কাজ করে। কবিতা তার নেশা, চা তার দুর্বলতা।
মুহূর্তের গল্প: ব ষ ট র চ ঠ এর স্মৃতি
এর পর থেকে বিকেলগুলো বদলে গেল। অন্বেষা আর আরিয়ান রোজ ওই একই চেয়ারের আশপাশে দেখা করত। কখনো বই নিয়ে তর্ক, কখনো চুপচাপ পাশাপাশি বসে পড়া, কখনো শুধু জানালার বাইরে ব ষ ট র চ ঠ দেখা।
আরিয়ান একদিন বলেছিল, ‘জানো, আমার মনে হয় প্রত্যেক মানুষের জীবনে একটা ঋতু থাকে, যেটা তাকে সবচেয়ে বেশি মানায়। তোমাকে বর্ষার মতো লাগে। হঠাৎ আসা, সব কিছু ভিজিয়ে দেওয়া, তারপর আকাশ পরিষ্কার করে দেওয়া।’ অন্বেষা হেসেছিল।
আর তোমাকে?
আমাকে শীতের সকালের মতো। একটু দেরিতে জেগে ওঠা, কিন্তু যখন ওঠে, রোদ্দুরটা বেশ আরামদায়ক লাগে।
মাসগুলো এভাবেই কেটে গেল। ছোট ছোট মুহূর্ত জমতে জমতে একটা গল্প তৈরি হচ্ছিল, যেটা কেউ জোর করে লেখেনি, নিজে থেকেই লেখা হয়ে যাচ্ছিল।
বিদায়ের দিন: ব ষ ট র চ ঠ এর প্রতিশ্রুতি
কিন্তু জীবন তো গল্পের মতো সোজা রাস্তায় চলে না। একদিন আরিয়ান জানাল, তার প্রকাশনী সংস্থা তাকে অন্য শহরে বদলি করছে। বড় সুযোগ, না করার উপায় নেই। অন্বেষা কিছুক্ষণ চুপ করে রইল, তারপর বলল, ‘ভালো তো। তোমার স্বপ্নের কাজ।’ ‘তুমি রাগ করছ না?’ ‘না,’ অন্বেষা মিথ্যে হাসি হাসল। ‘শুধু… অভ্যাস হয়ে গিয়েছিল তোমাকে এখানে দেখার।’ যাওয়ার আগের দিন তারা শেষবারের মতো অক্ষরকুঞ্জ-এ দেখা করল। ব ষ ট র চ ঠ সেদিনও ছিল, যেন প্রথম দিনের প্রতিধ্বনি। আরিয়ান একটা খাম এগিয়ে দিল।
বাড়ি ফিরে অন্বেষা খামটা খুলল। ভেতরে একটা ছোট কবিতা লেখা—আরিয়ানের নিজের হাতে লেখা, নিজের কথায়। কবিতাটার শেষ লাইনে লেখা ছিল, দূরত্ব যদি মনের কাছাকাছি থাকার একটা নতুন উপায় হয়ে ওঠে, তাহলে বিদায় বলে কিছু নেই, শুধু অপেক্ষার একটা নতুন অধ্যায় আছে।
চিঠির নিচে একটা লাইন যোগ করা—’অক্ষরকুঞ্জের ওই চেয়ারটা তোমার জন্যই থাক। আমি ফিরে আসব, ঠিক আরেকটা ব ষ ট র চ ঠ এর দিনে।’ অন্বেষা চিঠিটা বুকের কাছে চেপে ধরল। কান্না পাচ্ছিল, কিন্তু সেই কান্নায় দুঃখের চেয়ে বেশি ছিল একটা শান্ত বিশ্বাস। সে জানত না আরিয়ান কবে ফিরবে। হয়তো ছয় মাস, হয়তো এক বছর।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী
ব ষ ট র চ ঠ কবিতাটি কোথায় প্রকাশিত হয়েছে? এই কবিতাটি অক্ষরকুঞ্জের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে এবং পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।
কবিতাটির লেখক কে? কবিতাটির লেখক মো. তন্ময় হাসান সিদ্দিক, যিনি বাংলা সাহিত্যের একজন প্রতিভাবান লেখক।
কবিতাটির মূল বিষয়বস্তু কী? ব ষ ট র চ ঠ কবিতাটি প্রেম, অপেক্ষা এবং বিদায়ের গভীর অনুভূতি নিয়ে লেখা হয়েছে। এটি পাঠকদের মনে শান্তি ও আশার সঞ্চার করে।
লেখা: মো. তন্ময় হাসান সিদ্দিক
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is ব ষ ট র চ ঠ?
ব ষ ট র চ ঠ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does ব ষ ট র চ ঠ matter?
ব ষ ট র চ ঠ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.
